শিরোনাম
◈ সার্ক পুনরুজ্জীবিত করতে ভুটানের সহযোগিতা চাইলেন দুই মন্ত্রী ◈ রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণ, ফুটেজ দেখে দুর্বৃত্তদের খুঁজছে পুলিশ ◈ পাকিস্তানে পুলিশ লাইনে আত্মঘাতী হামলা, নিহত ১৬, আহত অর্ধশতাধিক ◈ মানুষের বিলুপ্তির কারণ হতে পারে এআই? গবেষকদের ৪ আশঙ্কা ◈ প্রার্থী কমাতে ইউপি নির্বাচনে কঠোর ইসি, বাড়ছে জামানত ও ব্যয়সীমা ◈ তিতাস-বাখরাবাদের ৫ কূপে বাড়বে গ্যাস সরবরাহ, জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট ◈ আগস্টে মূল্যস্ফীতি কমে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ, ১০ মাসে সর্বনিম্ন ◈ গণতান্ত্রিক সমাজে মত ও সমালোচনা গ্রহণের মানসিকতা গুরুত্বপূর্ণ: আইনমন্ত্রী ◈ গণহত‌্যা চালা‌তে ইসরায়েলের কা‌ছে ২৮০ কো‌টি ডলা‌রে ৪০ হাজার এক-টন সাইজের মার্কিন বোমা বিক্রি  ◈ জাতিসংঘে যেসব বিশ্বনেতার সঙ্গে বৈঠকে বসছেন তারেক রহমান

প্রকাশিত : ২৪ মার্চ, ২০২৩, ০৫:৩৪ বিকাল
আপডেট : ২৪ মার্চ, ২০২৩, ০৭:৫৭ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যে বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে ২০ যমজ 

২০ যমজ ভাই-বোন

সাইফুল ইসলাম: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মথুরাপুর পাবলিক হাই স্কুলে এক সাথে বিভিন্ন শ্রেণির পড়াশোনা করেন ২০ জন যমজ ভাই-বোন। বিদ্যালয়টির ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে তাহসিন-তাসনিম ও সান-মুন, সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে কার্তিক-গণেশ, হাবিব-হাফিজ ও সুমাইয়া-সাদিয়া, অষ্টম শ্রেণিতে শুভ-সৌরভ, নবম শ্রেণিতে হাসি-খুশি ও তাহবি-তাসবি এবং দশম শ্রেণিতে পড়াশোনা করেন আবিদ-অমিত ও রাহুল রাহা- চঞ্চল রাহা। তারা যমজ ভাই বোন। 

যমজ ভাই-বোনদের চেহারায় মিল থাকায় তাদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে খানিকটা বিড়ম্বনা হলেও তাদের সাথে কাটানো সময়টা বেশ উপভোগ করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সহপাঠীরা। অপরদিকে দুইজন একসঙ্গে বেড়ে ওঠাকে এবং তাদের মত আরো জমজ ভাই বোনদের একই স্কুলে পড়ার বিষয়টিকে বেশ গর্বের সাথেই দেখছেন যমজ ভাই-বোনেরা 

ষষ্ঠ শ্রেণির যমজ দুই ভাই সান ও মুন বলেন, আমরা দুই ভাই একসাথে খাওয়া, খেলাধুলা ও স্কুলে আসা যাওয়া সহ প্রায় সব কাজ একসঙ্গে  করি।  তবে আমাদের খাওয়া দাওয়ার পছন্দ এক হলেও দুজনের দুই রঙ পছন্দ।   একজনের লাল আরেকজনের নীল।  আমরা একই পোশাক পরে বিভিন্ন জায়গায় যাই।  শুধু পোশাক না আমাদের জুতা, চশমা, প্যান্ট সব একরকম। এসব আমাদের খুব ভালো লাগে৷ তবে আমরা কে কোনটা তা অনেকে চিনতে পারেন না। আমরা এ বিষয়টাকে আরো বেশি উপভোগ করি। 

সপ্তম শ্রেণির যমজ দুই বোন সুমাইয়া ও সাদিয়া বলেন, আমাদের সব কাজগুলো আমরা একসাথে করি। আমাদের দুজনের প্রিয় রঙ হল নীল।  আমরা একসঙ্গে স্কুলে আসি। একসাথে ক্লাশে বসি।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা আয়েশা সিদ্দিকা বলেন, যমজ বিষয়টি আমি বেশ উপভোগ করি ৷ তারা যখন পাশাপাশি বসে তখন তাদের দেখতেও ভালো লাগে। তাদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ অনেক বেশি। তারা যাতে ভালো কিছু করে সেই বিষয়ে আমরা তাদের উৎসাহিত করি। 

মথুরাপুর পাবলিক হাই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানে ২০ যমজ ভাই-বোন পড়াশোনা করেন। তাদের নাম গুলো প্রায় একই রকম ও চেহারার মিলও দেখা যায়। সে কারণে কোনটা কে সেটা বুঝতে মাঝে মাঝে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। তবুও আমরা যমজ বিষয়টি বেশ উপভোগ করছি। 

প্রতিনিধি/এসএ

  • সর্বশেষ