শিরোনাম
◈ মানব পাচার নির্মূলে ন্যূনতম মানদণ্ড পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ : মার্কিন প্রতিবেদন ◈ মানসিক স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সাইকেল চালিয়ে দেশের প্রথম চার লেনের সাইকেল ট্র্যাক উদ্বোধন করলেন অর্থমন্ত্রী ◈ রেলের টিকিট কালোবাজারি ও পাথর নিক্ষেপ বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এক মাসের দায়িত্ব চাইলেন মাহবুব কবীর মিলন ◈ ম‌্যা‌ডিসন ১০ বছর পর মা‌ঠে ফিরে লজ্জার রেকর্ড কর‌লেন ◈ চাঁদা না পেয়ে ট্রাক এনে লুটপাট, সরকার কেন চাঁদাবাজি-দখল থামাতে পারছে না? ◈ অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ইতিহাসে এবারই প্রথম, একাদশের সবার বয়স ৩০ বছ‌রের উপ‌রে ◈ অ‌স্ট্রেলিয়ার সাম‌নে দিশাহারা বাংলা‌দেশ, নারী দল হার‌লো ৭ উইকেটে ◈ রাজধানীতে মুষলধারে বৃষ্টি, জলাবদ্ধতায় বেড়েছে যানজট ◈ ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক ককরোচ জনতা পার্টির, উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি

প্রকাশিত : ২৪ মার্চ, ২০২৩, ০৫:৩৪ বিকাল
আপডেট : ২৪ মার্চ, ২০২৩, ০৭:৫৭ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যে বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে ২০ যমজ 

২০ যমজ ভাই-বোন

সাইফুল ইসলাম: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মথুরাপুর পাবলিক হাই স্কুলে এক সাথে বিভিন্ন শ্রেণির পড়াশোনা করেন ২০ জন যমজ ভাই-বোন। বিদ্যালয়টির ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে তাহসিন-তাসনিম ও সান-মুন, সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে কার্তিক-গণেশ, হাবিব-হাফিজ ও সুমাইয়া-সাদিয়া, অষ্টম শ্রেণিতে শুভ-সৌরভ, নবম শ্রেণিতে হাসি-খুশি ও তাহবি-তাসবি এবং দশম শ্রেণিতে পড়াশোনা করেন আবিদ-অমিত ও রাহুল রাহা- চঞ্চল রাহা। তারা যমজ ভাই বোন। 

যমজ ভাই-বোনদের চেহারায় মিল থাকায় তাদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে খানিকটা বিড়ম্বনা হলেও তাদের সাথে কাটানো সময়টা বেশ উপভোগ করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সহপাঠীরা। অপরদিকে দুইজন একসঙ্গে বেড়ে ওঠাকে এবং তাদের মত আরো জমজ ভাই বোনদের একই স্কুলে পড়ার বিষয়টিকে বেশ গর্বের সাথেই দেখছেন যমজ ভাই-বোনেরা 

ষষ্ঠ শ্রেণির যমজ দুই ভাই সান ও মুন বলেন, আমরা দুই ভাই একসাথে খাওয়া, খেলাধুলা ও স্কুলে আসা যাওয়া সহ প্রায় সব কাজ একসঙ্গে  করি।  তবে আমাদের খাওয়া দাওয়ার পছন্দ এক হলেও দুজনের দুই রঙ পছন্দ।   একজনের লাল আরেকজনের নীল।  আমরা একই পোশাক পরে বিভিন্ন জায়গায় যাই।  শুধু পোশাক না আমাদের জুতা, চশমা, প্যান্ট সব একরকম। এসব আমাদের খুব ভালো লাগে৷ তবে আমরা কে কোনটা তা অনেকে চিনতে পারেন না। আমরা এ বিষয়টাকে আরো বেশি উপভোগ করি। 

সপ্তম শ্রেণির যমজ দুই বোন সুমাইয়া ও সাদিয়া বলেন, আমাদের সব কাজগুলো আমরা একসাথে করি। আমাদের দুজনের প্রিয় রঙ হল নীল।  আমরা একসঙ্গে স্কুলে আসি। একসাথে ক্লাশে বসি।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা আয়েশা সিদ্দিকা বলেন, যমজ বিষয়টি আমি বেশ উপভোগ করি ৷ তারা যখন পাশাপাশি বসে তখন তাদের দেখতেও ভালো লাগে। তাদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ অনেক বেশি। তারা যাতে ভালো কিছু করে সেই বিষয়ে আমরা তাদের উৎসাহিত করি। 

মথুরাপুর পাবলিক হাই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানে ২০ যমজ ভাই-বোন পড়াশোনা করেন। তাদের নাম গুলো প্রায় একই রকম ও চেহারার মিলও দেখা যায়। সে কারণে কোনটা কে সেটা বুঝতে মাঝে মাঝে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। তবুও আমরা যমজ বিষয়টি বেশ উপভোগ করছি। 

প্রতিনিধি/এসএ

  • সর্বশেষ