শিরোনাম
◈ ৯ বছরেও প্রত্যাবাসন হয়নি, রোহিঙ্গা সংকটে নতুন কৌশলের আহ্বান ◈ কোচিং সেন্টারে জড়াতে পারবেন না জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যরা: সুপ্রিম কোর্টের পরিপত্র জারি ◈ প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ◈ সম্পাদকদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের বৈঠক, যা নিয়ে আলোচনা হলো ◈ ইরানের সব ‘অর্থনৈতিক লাইফলাইন’ ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা ◈ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি, দেশে প্রভাব পড়ার শঙ্কা কতটা? ◈ যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসার ফি বাড়িয়ে ১ লাখ ডলার করার প্রস্তাব ◈ এশিয়ার যে দেশ সন্তান জন্ম দিলেই ৬৭ লাখ টাকা দেবে! ◈ প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মন্ত্রীরা অনুপস্থিত থাকলে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে যারা থাকবেন ◈ এপিবিএনকে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দিয়ে আইনের খসড়া অনুমোদন

প্রকাশিত : ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০৮:৫১ রাত
আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১২:০২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আকাঙ্ক্ষার ছাদখোলা বাসে ফুটবল রাজকন্যারা, উচ্ছ্বসিত দেশবাসীর উষ্ণ অভ্যর্থনা

নারী ফুটবল দল

এল আর বাদল : সাফ চ্যাম্পিয়নশীপে ইতিহাস গড়া সাফল্য নিয়ে  ফুটবল রাজকন্যারা বুধবার দুপুরে কাঠমান্ডু থেকে দেশে ফিরেছেন।  বিমানবন্দরে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, বাফুফের সহ-সভাপতি আতাউর রহমান ভুঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ ও অন্য কর্তারা বরণ করে নেন সাবিনা-মারিয়া-কৃষ্ণাদের।

দুপুরের বেশ আগে থেকেই বিমানবন্দরের বাইরে সমর্থকদের ভীড় ছিলো। সময়ের সঙ্গে জনস্রোতে রূপ নেয় বিমানবন্দর এলাকা। হাতে হাতে পতাকা ও ব্যানার, কণ্ঠে স্লোগান। সুসজ্জিত ব্যান্ড দল বাজাতে থাকে ‘জয় বাংলার, বাংলার জয়।’ বিমানবন্দরের ভেতরে তখন জয়ের গৌরব নিয়ে দেশে ফেরা নারী ফুটবল দলের প্রতেককে স্বাগত জানানো হয় ফুলের মালায়।

বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে শুরুতেই কেক কাটা হয়। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী কেক তুলে দেন অধিনায়ক সাবিনা খাতুনের মুখে। কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনকেও কেক খাইয়ে দেওয়া হয়। ক্রীড়ামন্ত্রী এরপর একে একে দলের প্রত্যেক খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের গলায় পরিয়ে দেন ফুলের মালা। এরপর দুহাতে ট্রফি উঁচিয়ে চওড়া হাসিতে এগিয়ে যান অধিনায়ক সাবিনা।
 
বিমানবন্দরের বাইরে তখন অপেক্ষায় হাজার হাজার মানুষ। অনেকের হাতেই জাতীয় পতাকা, নানা রকম ব্যানার। বিকেএসপির একটি বড় দলও দেখা যায় সেখানে লাইন ধরে অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে। স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত চারপাশ।

বিমানবন্দরের বাইরে অপেক্ষায় মেয়েদের সেই স্বপ্নযাত্রার বাহন, ছাদখোলা বাস। সেই বাসে উঠেই বাফুফের উদ্দেশ্যে রওনা দেন ফুটবলের রাজকন্যারা। বিমানবন্দর থেকে বাফুফে যাওয়ার সময় বাস ঘিরে সর্বক্ষণ চলছে সমর্থকদের মিছিল আর স্লোগান। গাড়ি আর মোটর সাইকেলের বহরও ছিলো। প্রচণ্ড ভিড়ে বাস এগিয়ে যাচ্ছে ধীর গতিতে। এয়ারপোর্ট থেকে মতিঝিল পর্যন্ত পুরো রাস্তায় সমর্থকদের অবস্থান। হাত নেড়ে তারা শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিজয়ী নারীদের।

জনস্রাতের কারণে বাসটি এগোচ্ছিলো ধীরে ধীরে, সন্ধ্যায় পৌঁছায় মতিঝিলে বাফুফে ভবনে। সেখানে ফুটবলারদের বরণ করে নেন বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন। পরে ফুটবল দলকে দেওয়া হয় সংবর্ধনা।

কাঠমান্ডু থেকে ফেরার পথে ফ্লাইটেও এক দফায় উদযাপন হয়। সেখানে বাংলাদেশ বিমানের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানানো হয় দলকে। সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার ও বিমানের ক্রু সানোয়ার হোসেন মিষ্টিমুখ করান মেয়েদের। কেক কাটার পর্ব ছিল বিমানেও। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব

  • সর্বশেষ