স্পোর্টস ডেস্ক : নতুন করে বড় অবকাঠামো নির্মাণের পথে না গিয়ে দেশের বিদ্যমান জেলা স্টেডিয়ামগুলো আধুনিকায়ন করে পূর্ণাঙ্গ ক্রীড়া কমপ্লেক্সে রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, নতুন প্রকল্পের চেয়ে বিদ্যমান মাঠ ও স্টেডিয়ামগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
মঙ্গলবার শ্রীমঙ্গলে নবনির্মিত ক্রিকেট একাডেমির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশের জেলা স্টেডিয়ামগুলোর আমূল পরিবর্তনে ইতিমধ্যে বড় প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। ডিপিপি প্রণয়নসহ আনুষঙ্গিক কাজ চলছে।
প্রকল্পের আওতায় জেলা স্টেডিয়ামগুলোতে পূর্ণাঙ্গ গ্যালারি, আধুনিক ড্রেসিংরুম ও প্রেস বক্স তৈরি করা হবে। পাশাপাশি ফুটবল-ক্রিকেটের বাইরে সাঁতার, হকি, ভলিবল, টেবিল টেনিস, দাবা, আর্চারি ও শুটিংয়ের অনুশীলনের সুযোগও থাকবে।
তৃণমূল থেকে খেলোয়াড় তুলে আনতে প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ এবং শহরের ওয়ার্ডগুলোতে ফুটসাল বা ছোট মাঠ তৈরির পরিকল্পনার কথাও জানান আমিনুল হক। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে খেলাধুলাবিষয়ক বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার সরকারি সিদ্ধান্তের কথাও জানান তিনি।
আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের লক্ষ্যও বড় করতে চান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। অলিম্পিক, এশিয়ান গেমস ও কমনওয়েলথ গেমসে শুধু অংশগ্রহণ নয়, পদক জয়ের লক্ষ্য নিয়ে আগামী পাঁচ বছরের জন্য বছরব্যাপী নিবিড় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।
বেদখল হওয়া মাঠ উদ্ধারে কঠোর অবস্থানের কথাও জানান আমিনুল হক। মৌলভীবাজারের রেলওয়ে মাঠসহ সারা দেশের অবৈধ দখলে থাকা মাঠ দ্রুত উদ্ধার করে ক্রীড়ার উপযোগী করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে। উদ্বোধন শেষে শ্রীমঙ্গলে প্রস্তাবিত মিনি স্টেডিয়ামের জায়গাও পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী।