শিরোনাম
◈ ভূগর্ভস্থ পানি তুলতে তুলতে বিপদে ঢাকা, পানির স্তর নেমেছে ৯০ মিটারের নিচে ◈ শাহজালাল থার্ড টার্মিনাল চালুর আগে বড় জট: গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিং, আয় বণ্টন ও বিমানের অর্থ পরিশোধে জট ◈ খুলনায় শিক্ষার্থীকে মারধরের পর মৃত্যু, পাঁচতলা থেকে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় রহস্য ◈ রাফিনহার হ্যাটট্রিক, সেভিয়াকে হারা‌লো বা‌র্সেলোনা ◈ চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানি পণ্য খালাসে ১৩ দিন, বিল অব এন্ট্রি দাখিলেই যায় ৭ দিন! ◈ রিয়াদে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি হুথিদের, ধ্বংসের কথা জানাল সৌদি ◈ নাশকতার ছক বিদেশে ঢাকায় বাস্তবায়ন, অনেক পুলিশ কর্মকর্তা নজরদারিতে ◈ ব্রাইটনের কাছে আর্সেনাল পরা‌জিত ◈ কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতিম হত্যা: সন্দেহভাজন তুহিনের বিরুদ্ধে মোটরসাইকেল আত্মসাৎ, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের অভিযোগ ◈ লন্ডনে জব্দ ২৫ মিলিয়ন ডলার ফেরানোর সুযোগ হারাল বাংলাদেশ, চার সপ্তাহ পর অর্থ গেল দুবাইয়ে

প্রকাশিত : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৯ দুপুর
আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৯ দুপুর

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

বছরে ৩ হাজার কোটি টাকা সরকার‌কে আয়কর দেয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড

স্পোর্টস ডেস্ক : জাতীয় ক্রীড়া আইন মেনে চলতে রাজি নয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। কেন তারা বাকি জাতীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলির মতো কেন্দ্রীয় সরকারের আইন মানবে না, তা জানতে চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। নিজেদের অবস্থানের পক্ষে পাল্টা যুক্তি দিয়েছে বিসিসিআই। কয়েকটি বিষয় নিয়ে বোর্ডের আপত্তি রয়েছে।

বাকি জাতীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলির মতো বিসিসিআই কেন্দ্রীয় সরকারের আর্থিক সহায়তার উপর নির্ভরশীল নয়। বরং সরকারকে কর বাবদ মোটা টাকা দেয়। তা ছাড়া বিসিসিআই স্বশাসিত সংস্থা। তবে জাতীয় ক্রীড়া আইনের আওতায় থাকতে আপত্তি নেই বোর্ডের। শুক্রবার বোর্ডের বার্ষিক সাধারণ সভার পর সচিব দেবজিৎ শইকীয়া বলেছেন, আমরা নিয়মিত কর দিই। প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৩০০০ কোটি টাকা কর দেয় বিসিসিআই। বার্ষিক সাধারণ সভায় আমরা এই তথ্য জানিয়েছি। এই তথ্য প্রকাশ করার পর উপস্থিত প্রতিনিধিরা হাততালি দিয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন। --- আনন্দবাজার

বোর্ড সচিব আরও বলেছেন, ক্রীড়া আইন সম্পর্কে আমাদের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনেক কাজ করতে হবে। সেই কাজগুলো হওয়ার পর বিসিসিআই আইনের আওতায় এলে, সেটা স্বীকৃতি দিতে হবে। তার জন্য আবার একটা বিশেষ বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হবে। তার আগে পর্যন্ত আমাদের কিছু করার নেই। সেই বিজ্ঞপ্তি পেলেই আমরা কাজ শুরু করে দেব। আমরাও নতুন ক্রীড়া আইন অনুযায়ী কাজ করব। সুপ্রিম কোর্টে যে আলোচনা হয়েছিল, তেমন কিছুই এখনও পর্যন্ত হয়নি। আগামী ২৭ অক্টেবর পরবর্তী শুনানি রয়েছে। সে দিন আমরা আদালতকে বিষয়টি স্পষ্ট করে দেব।

শইকীয়া বুঝিয়ে দিয়েছেন, বিসিসিআই যেহেতু কেন্দ্রের আর্থিক সহায়তার উপর নির্ভরশীল নয় এবং বোর্ডের কাছ থেকেই সরকার আয় করে। ফলে বর্তমান আইন মেনে চলা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। প্রয়োজনীয় পরিবর্তন বা সংশোধন করা হলে বোর্ডের আইন মানতে সমস্যা নেই। অন্য খেলার জাতীয় সংস্থাগুলির সঙ্গে বিসিসিআই নিজেকে এক পঙ্‌ক্তিতে বসাতে রাজি নয়।