স্পোর্টস ডেস্ক : সামনে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের জন্য অপেক্ষা করছে ব্যস্ততায় ঠাসা এক সূচি। এক সংস্করণ শেষ হওয়ার আগেই শুরু হবে আরেক সংস্করণের খেলা। দীর্ঘ এই ব্যস্ত সময়কে সামনে রেখে ক্রিকেটারদের প্রস্তুতি, বিশ্রাম এবং দল ব্যবস্থাপনার জন্য আগেভাগেই পরিকল্পনা করে রেখেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ইন-চার্জ শাহরিয়ার নাফীস জানিয়েছেন, জাতীয় দলের ব্যস্ত সূচি নিয়ে তাদের কাজ চলছে বেশ কিছুদিন ধরেই। মিরপুরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ভবিষ্যতের ক্রিকেট পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য আগে থেকেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া হয়।
বাংলাদেশের ব্যস্ত সময় শুরু হচ্ছে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর এশিয়ান গেমস দিয়ে। এরপর সংযুক্ত আরব আমিরাতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একটি টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। সেখানেই আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের অংশগ্রহণে ত্রিদেশীয় সিরিজে মাঠে নামবে দল। এর মাঝেই দেশে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর করবে, যেখানে থাকবে দুটি টেস্ট। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে দুই টেস্ট, তিন ওয়ানডে এবং তিন টি-টোয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে এই ব্যস্ততা।
এতগুলো ম্যাচের চাপ সামলাতে ক্রিকেটারদের জন্য আলাদা আলাদা প্রস্তুতি পর্ব রাখা হচ্ছে। এশিয়ান গেমসের দলে থাকা ক্রিকেটারদের স্কিল অনুশীলন শুরু হয়েছে রোববার। অন্যদিকে, আফগানিস্তান সিরিজের খেলোয়াড়দের নিয়ে ইতোমধ্যে কন্ডিশনিং ক্যাম্প শুরু করেছে বিসিবি।
চোট ও অতিরিক্ত পরিশ্রমের ঝুঁকি কমাতে খেলোয়াড়দের রোটেশনেও গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। শাহরিয়ার জানান, সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় দলের বিকল্প ক্রিকেটারের সংখ্যা বেড়েছে, যা প্রয়োজন অনুযায়ী বিশ্রাম দেওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে।
এদিকে কাউন্টি ও সিপিএলে খেলা বাংলাদেশি ক্রিকেটারদেরও নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখছে বোর্ডের মেডিকেল টিম। জাতীয় দলের বাইরে থাকলেও তাদের ফিটনেস ও ওয়ার্কলোডের হিসাব নিয়মিত নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিসিবির এই কর্মকর্তা।