শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ০২ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২৯ দুপুর
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

২৪ বছর পর আবার বিশ্বকাপ ক্রিকে‌টের আয়জনে আফ্রিকা, ১২ ভেন্যু ঘোষণা

স্পোর্টস ডেস্ক : আগামী বছর অক্টোবর–নভেম্বরে ওয়ান ডে বিশ্বকাপে যৌথ আয়োজক হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে থাকবে জিম্বাবোয়ে ও নামিবিয়া। শুক্রবার জোহানেসবার্গে আগামী বছরের ওয়ান ডে বিশ্বকাপের ১২টি ভেন্যুর ঘোষণা হয়ে গেল। দক্ষিণ আফ্রিকার আটটি শহরে বিশ্বকাপের খেলা হবে, সঙ্গে জিম্বাবোয়ের তিনটি ও নামিবিয়ার একটি। এই প্রথম নামিবিয়ায় ক্রিকেট বিশ্বকাপের কোনও ম্যাচ হবে। ২০২৭ সালের ৪ অক্টোবর থেকে ২১ নভেম্বর বিশ্বকাপের সম্ভাব্য তারিখ, চূড়ান্ত সূচি অবশ্য আইসিসি এখনও জানায়নি।

আফ্রিকায় শেষবার ওয়ান ডে বিশ্বকাপ হয়েছিল ২০০৩ সালে। সেই বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। এ বার দক্ষিণ আফ্রিকার যে আটটি শহরে বিশ্বকাপ হবে, সেগুলি হলো জোহানেসবার্গ, সেঞ্চুরিয়ন, ডারবান, কেবেরহা, কুগোম্পো সিটি, কেপ টাউন, পার্ল এবং ব্লুমফন্টেন। 

মোট ৫৪টি ম্যাচের মধ্যে বেশির ভাগ ম্যাচই হবে দক্ষিণ আফ্রিকায়। ফাইনাল হবে কেপ টাউন বা জোহানেসবার্গে। ৭ থেকে ১০টি ম্যাচ হবে জিম্বাবোয়ের হারারে, বুলাওয়া ও ভিক্টোরিয়া ফলসের নতুন স্টেডিয়ামে। অন্তত তিনটি ম্যাচ পাবে নামিবিয়ার উইন্ডহোক। টুর্নামেন্টের মূল বার্তা আফ্রিকান ভাষায়, ‘উবুন্তু’, যার বাংলা করলে হয়, ‘আমি আছি, কারণ আমরা আছি।

২০২৩ সালের বিশ্বকাপে মোট ১০টি দেশ খেলেছিল। এ বার ১৪টি দেশ আগামী বছরের বিশ্বকাপে খেলবে। ১২ থেকে ১৪ নম্বর টিমের মধ্যে একটি সিরিজ় শেষে একটি টিমই মূল পর্বে যাবে। মূল পর্বে মোট ১২টি টিমকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে, প্রতিটিতে থাকবে ৬টি টিম। 

এরা রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে একে অন্যের বিরুদ্ধে খেলবে। প্রতি গ্রুপ থেকে প্রথম তিনটি টিম সুপার সেভেনে যাবে। সপ্তম টিম হিসেবে সুপার সেভেনে যাবে দুটি গ্রুপের মধ্যে সেরা জায়গায় থাকা একটি টিম। সুপার সেভেনে মোট সাতটি টিম ফের রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে ছ’টি করে ম্যাচ খেলবে। প্রথম চারটি দল যাবে সেমিফাইনালে।

  • সর্বশেষ