শিরোনাম
◈ গোল ক‌রে বন্দুক উদযাপনে লাল কার্ড, খেসারত দিলেন ইসরায়েলি ফরোয়ার্ড ◈ ছয় ম্যাচে ছয় হার, তবু ভারতকে হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের! ◈ জাতিসংঘে দূরদর্শী ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন ◈ সৌদি আরবের লোহিত সাগরীয় তেলপথ সুরক্ষায় সেনা পাঠাবে ফ্রান্স: ম্যাক্রোঁ ◈ রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের ইউরেনিয়াম চালান আসেনি, এয়ার স্পেস ক্লিয়ার না থাকায় কার্গো বিমান বাতিল ◈ আগামী অক্টোবর মাসে আসছে টানা ৭ দিনের ছুটি, কারা পাবেন এই সুযোগ! ◈ ৫ বছরেও জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়নি জকিগঞ্জের গ্যাস, নতুন ২ কূপ খননে ৩১৫ কোটি টাকার উদ্যোগ ◈ নারী হ‌কি‌তে কাজাখস্তানের সঙ্গে ৩-৩ ড্র, এশিয়ান গেমসে প্রথম পয়েন্ট বাংলাদেশের ◈ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি গুতেরেসের অভিনন্দন, বিশ্বশান্তি ও জনকল্যাণে বাংলাদেশের রূপরেখা উপস্থাপন ◈ জাতিসংঘে ভাষণে ‌ডোনাল্ড ট্রাম্প ১০টি মিথ্যা ব‌লে‌ছেন: দ্য গার্ডিয়ান

প্রকাশিত : ০৫ জুলাই, ২০২৬, ০৯:২৪ সকাল
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যে সব মহাতারকার এখ‌নো বিশ্বকাপ ছুঁয়ে দেখার ভাগ্য হয়‌নি

স্পোর্টস ডেস্ক : ফিফা বিশ্বকাপ, ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্ট। এই ট্রফি উঁচিয়ে ধরার স্বপ্ন দেখেন প্রতিটি ফুটবলার। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে এমন অনেক কিংবদন্তি ফুটবলার রয়েছেন, যারা ক্লাব ফুটবলে বা ব্যক্তিগত অর্জনে আকাশছোঁয়া সাফল্য পেলেও, ক্যারিয়ার জুড়ে আক্ষেপ হয়ে থেকেছে বিশ্বকাপ জয় না করার বেদনা। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো থেকে শুরু করে ইয়োহান ক্রুইফ; এমনই কয়েকজন মহাতারকার নাম উঠে আসে ফুটবল ইতিহাসের পাতায়।

পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ফুটবলের প্রায় সব ব্যক্তিগত রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন। পাঁচটি ব্যালন ডি’অর এবং ক্লাব পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের একাধিক শিরোপা জিতলেও, দেশের হয়ে বিশ্বমঞ্চে ট্রফি জেতার আক্ষেপ এখনও ঘুচেনি তার। ২০০৬ সালের সেমিফাইনালই ছিল তার সেরা সাফল্য। ২০২৬ সালের চলমান বিশ্বকাপে নিজের ক্যারিয়ারের শেষ ট্রফিটি জয়ের লড়াইয়ে তিনি এখনো টিকে আছেন। --  বিডিপ্রতি‌দিন

অন্যদিকে, ফুটবল দর্শনে আমূল পরিবর্তন আনা ডাচ কিংবদন্তি ইয়োহান ক্রুইফ ১৯৭৪ সালের ফাইনালে পৌঁছেও পশ্চিম জার্মানির কাছে হেরে রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। তার ফুটবল দর্শন ‘টোটাল ফুটবল’ বিশ্বজুড়ে সমাদৃত হলেও, বিশ্বকাপ ট্রফি তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের অধরা স্বপ্ন হয়েই রয়ে গেছে।

রক্ষণের দেয়াল হিসেবে পরিচিত ইতালির পাওলো মালদিনিও এই তালিকায় এক উজ্জ্বল নাম। ক্যারিয়ারে এসি মিলানের হয়ে সব শিরোপা জিতলেও ১৯৯৪ সালের ফাইনালে ব্রাজিলের কাছে পেনাল্টি শুটআউটে হেরে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্নভঙ্গ হয় তার।

advertisement

একইভাবে ইতালির আরেক জাদুকর রবার্তো ব্যাজিও ১৯৯৪ সালের সেই ফাইনালের ট্র্যাজিক নায়ক। তার হাত ধরেই ইতালি ফাইনালে উঠেছিল, কিন্তু শেষ মুহূর্তের পেনাল্টি মিসে ব্রাজিল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়।  

তবে গোলমেশিনের কথা বললে হাঙ্গেরির কিংবদন্তি ফেরেঙ্ক পুসকাসকেও উপেক্ষা করার উপায় নেই। ১৯৫৪ সালের ফাইনালে শক্তিশালী হাঙ্গেরিকে নেতৃত্ব দিয়েও পশ্চিম জার্মানির কাছে হেরে স্বপ্ন ভেঙেছিল তার।

পর্তুগিজ ফুটবলের ‘ব্ল্যাক প্যান্থার’ হিসেবে খ্যাত ইউসেবিও ১৯৬৬ সালে ৯টি গোল করে গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন এবং দলকে তৃতীয় স্থান এনে দিয়েছিলেন।

অথচ তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এর চেয়ে বড় কোনো সাফল্য আসেনি। ফ্রান্সের মিশেল প্লাতিনিও আটের দশকে ইউরোপীয় ফুটবলে রাজত্ব করলেও বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের গণ্ডি পেরোতে পারেননি।  

আবার অনেকে তো বিশ্বমঞ্চে নামারই সুযোগ পাননি। ফুটবলের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার আলফ্রেডো ডি স্টেফানো ক্যারিয়ারে কখনোই বিশ্বকাপে খেলেননি। একইভাবে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কিংবদন্তি জর্জ বেস্ট উত্তর আয়ারল্যান্ডের জার্সি গায়ে বিশ্বমঞ্চে খেলার সুযোগ পাননি। এছাড়া ব্রাজিলের জিকোকে অনেকেই সর্বকালের সেরা ব্রাজিলিয়ানদের একজন মনে করেন, অথচ তিনিও বিশ্বকাপ ট্রফি জয় থেকে বঞ্চিত থেকেছেন।

ফুটবল ইতিহাসের এই মহাতারকারা তাদের অসাধারণ নৈপুণ্য দিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন। কিন্তু বিশ্বমঞ্চে তাদের এই অসম্পূর্ণ আখ্যান ফুটবল ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে থাকবে।

  • সর্বশেষ