বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে দীর্ঘ সময় প্যারাগুয়ের রক্ষণ ভাঙতে না পারলেও শেষ পর্যন্ত কিলিয়ান এমবাপ্পের পেনাল্টি গোলে এগিয়ে গেছে ফ্রান্স। ম্যাচের ৭০ মিনিটে পাওয়া স্পটকিক থেকে লক্ষ্যভেদ করে চলতি বিশ্বকাপে নিজের সপ্তম গোল করেন ফরাসি অধিনায়ক।
যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধে বল দখলে স্পষ্ট আধিপত্য বিস্তার করেও গোলের দেখা পায়নি ফ্রান্স। ৮০ শতাংশ বল দখলে রেখে ছয়টি শট নিলেও লক্ষ্যে রাখতে পেরেছিল মাত্র একটি। অন্যদিকে ২০ শতাংশ বল দখলে রাখা প্যারাগুয়ে দুটি শট নিলেও একটিও লক্ষ্যে রাখতে পারেনি। ফলে প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য সমতায়।
বিরতির পরও একের পর এক আক্রমণ চালায় ফ্রান্স। তবে এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে ও সতীর্থদের আক্রমণ বারবার আটকে দেয় প্যারাগুয়ের দৃঢ় রক্ষণ।
গোলের খোঁজে ম্যাচের ৬১ মিনিটে প্রথম পরিবর্তন আনেন ফরাসি কোচ দিদিয়ের দেশম। ব্র্যাডলি বারকোলার বদলে মাঠে নামেন দেজিরে দুয়ে। বদলি হিসেবে নেমেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন তিনি।
ড্রিবল করে বক্সে ঢুকে পড়ার সময় দুয়েকে ফেলে দেন প্যারাগুয়ের এক ডিফেন্ডার। প্রথমে খেলা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিলেও পরে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) দেখে সিদ্ধান্ত বদলান ম্যাচ রেফারি এবং ফ্রান্সকে পেনাল্টি দেন।
স্পটকিক থেকে কোনো ভুল করেননি কিলিয়ান এমবাপ্পে। জোরালো শটে বল জালে পাঠিয়ে ম্যাচের ৭০ মিনিটে ফ্রান্সকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি। এটি চলতি বিশ্বকাপে এমবাপ্পের সপ্তম গোল।
এর আগে প্রথমার্ধের ৩৬তম মিনিটে প্যারাগুয়ের বক্সের বাইরে ফাউলের শিকার হয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান এমবাপ্পে। এ সময় আন্দ্রেস কুবাসকে হালকাভাবে ধাক্কা দিলে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। তবে রেফারি দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং কাউকে কার্ড দেখাননি।
'