বিশ্বকাপে মরক্কোর সঙ্গে ড্র করে মিশন শুরু করা ব্রাজিল ছন্দে ফিরতে খুব বেশি সময় নেয়নি। টানা দুই ম্যাচ জিতে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই পরের রাউন্ডে জায়গা করে নিয়েছে কার্লো আনচেলত্তির দল। আর এর পেছনে সামনে থেকেই নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। আসরের শুরু থেকেই দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন সেলেসাওদের এই ব্রাজিলিয়ান তারকা। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে তার একটি গোল বাতিল হওয়ায় হ্যাটট্রিকের সুযোগ হাতছাড়া করেন তিনি।
ম্যাচের ২২-তম মিনিটে স্কটিশ ডিফেন্ডার জ্যাক হেনড্রির কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে জালে বল পাঠান ভিনিসিয়াস। তবে ভিনির সেই গোল নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তিনি কি ফাউল করেছিলেন? ভিএআর-এর মাধ্যমে যাচাই করেন মেক্সিকান রেফারি সিজার ব়্যামোস।
পরে মনিটরে রেফারি দেখেন ভিনিসিয়াস পিছন থেকে পা বাড়িয়ে হেনরিকে ফেলে দিয়েছেন। ফলে গোলটি বাতিল করা হয়। রেফারির এই সিদ্ধান্ত ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। প্রিমিয়ার লিগের সাবেক রেফারি ড্যারেন ক্যান মনে করেন, কোনওভাবেই ফাউল ছিল না।
ক্যান বলেন, ‘এটি ফাউল ছিল না। ভিনিসিয়াস শুধু নিজের জায়গায় দাঁড়িয়ে ছিলেন, ডিফেন্ডার নিজেই তার গায়ে লাথি মেরে পড়ে গেছেন। স্কটল্যান্ড ভাগ্যবশত বেঁচে গেছে।’
গোল বাতিল হওয়ায় হতাশা লুকাননি ভিনিসিয়াসও। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, ‘গোলটি বাতিল হওয়ায় আফসোস লাগছে। ওটা হলে প্রথম হ্যাটট্রিকটা পেয়ে যেতাম। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দলের জয় এবং আমাদের ছন্দ ধরে রাখা।’
ভিনির জোড়া গোলের দিন ফুটবলবিশ্ব দেখল নেইমারের প্রত্যাবর্তন। আর নেইমার কী দেখলেন? ব্রাজিলের বিখ্যাত দশ নম্বর জার্সিধারী দেখলেন তিনি না থাকলেও ব্রাজিল জিততে পারে। তিনি রাজা-ই আছেন কিন্তু সিংহাসন চলে গেছে আরেকজনের হাতে।