শিরোনাম
◈ তুচ্ছ ঘটনায় বারবার সংঘর্ষে ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ ◈ পাথর নিক্ষেপ ঠেকাতে কক্সবাজারগামী ট্রেনে বসছে সিসি ক্যামেরা ◈ গোয়েন্দা নথিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য: পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা নাকচ করেনি সৌদি ◈ দফায় দফায় হামলা, ধ্বংসস্তূপ থেকে যেভাবে বেঁচে ফিরলেন মোজতবা খামেনি ◈ ডিমের বাজারে অস্বাভাবিক দাম ও কৃত্রিম সংকট নিয়ে কড়া বার্তা বাণিজ্যমন্ত্রীর, ব্যবসায়ীদের যা বললেন ◈ জার্মানিতে দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য ৬ লাখ ৫০ হাজার চাকরি, আবেদন করতে পারবেন যারা ◈ আকাশসীমার জটিলতা কাটল, ১ অক্টোবর থেকে আসছে রূপপুরের ইউরেনিয়াম ◈ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যেকোনো হামলার জন্য প্রস্তুত: পাকিস্তানকে রাজনাথ সিংয়ের কড়া বার্তা ◈ এবার লাইভে এসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কড়া বার্তা দিলেন সালমান মুক্তাদির! (ভিডিও) ◈ অর্থনৈতিক দৃশ্যপট বদলে যাবে: ৩৯৬ কোটিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে নতুন গতি, দূরত্ব কমবে ৪০ কিলোমিটার

প্রকাশিত : ০৭ মে, ২০২৬, ০৭:২৫ বিকাল
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিপিএলে ফিক্সিংয়ের অভিযোগে ক্রিকেটারসহ ৫ জনকে সাজা

বিপিএলে ফিক্সিংয়ের সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগে পাঁচজন ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে শাস্তি দিয়েছে বিসিবি। সংবাদ সম্মেলনে পাঁচজনকে সাজা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বোর্ড প্রধান তামিম ইকবাল খান।

ফিক্সিংয়ের ঘটনা এবং তদন্তের সময়ে বোর্ডে ছিলেন না তামিম ইকবাল। তবে দায়িত্ব পাওয়ার পরের ঘটনা বলতে গিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তামিম বলেছেন, ‘আমি প্রশ্ন করেছি আমাদের কাছে কি যথেষ্ট প্রমাণ আছে? আমি উত্তর পেয়েছি। আমি বলেছি এক্সিকিউট করেন।’

পাঁচ ব্যক্তির মধ্যে আছেন একজন ক্রিকেটার - অমিত মজুমদার। বিসিবির প্রেস বিজ্ঞপ্তিটি পাঠকদের বোঝার সুবিধার্থে বাংলায় অনুবাদ করে দেওয়া হলো -

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আইসিসির অংশগ্রহণকারীদের জন্য প্রণীত দুর্নীতি দমন বিধিমালা (ICC Anti-Corruption Code for Participants)-এর বিভিন্ন ধারা ভঙ্গের অভিযোগে কয়েকজন খেলোয়াড়, দলীয় কর্মকর্তা, ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে।

advertisement

এই অভিযোগগুলো এসেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের (BCBIU) তদন্তের ভিত্তিতে। তদন্তে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ টি-টোয়েন্টির (বিপিএল) ১২তম আসরকে ঘিরে কথিত দুর্নীতিমূলক কার্যকলাপ, বেটিং, তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্তে বাধা দেওয়ার বিষয়গুলো উঠে আসে।

তদন্তে বেটিং-সংক্রান্ত কার্যকলাপ, দুর্নীতির প্রস্তাব, কোডের ৪.৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জারি করা ডিমান্ড নোটিশ মেনে চলতে ব্যর্থতা, গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ গোপন বা মুছে ফেলা এবং নির্ধারিত দুর্নীতি দমন কর্মকর্তাকে (DACO) সহযোগিতা না করার অভিযোগ পাওয়া যায়।

অভিযুক্তরা হলেন :

মো. লাবলুর রহমান (টিম ম্যানেজার)

ধারা ২.৪.৬ – যথাযথ কারণ ছাড়া কোড অনুযায়ী সম্ভাব্য দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডের তদন্তে DACO-কে সহযোগিতা না করা বা অস্বীকৃতি জানানো, যার মধ্যে ৪.৩ অনুচ্ছেদের অধীনে জারি করা ডিমান্ড নোটিশ মানতে ব্যর্থতাও অন্তর্ভুক্ত।

ধারা ২.৪.৭ – সম্ভাব্য দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডের তদন্তে বাধা দেওয়া বা বিলম্ব ঘটানো, যার মধ্যে প্রাসঙ্গিক তথ্য ও যোগাযোগ গোপন, মুছে ফেলা বা ধ্বংস করা অন্তর্ভুক্ত।

মো. তৌহিদুল হক তৌহিদ (ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ-মালিক)

ধারা ২.৪.৬ – যথাযথ কারণ ছাড়া DACO পরিচালিত তদন্তে সহযোগিতা না করা বা অস্বীকৃতি জানানো, যার মধ্যে ডিমান্ড নোটিশ মেনে চলতে ব্যর্থতাও রয়েছে।

ধারা ২.৪.৭ – তদন্তে বাধা দেওয়া বা বিলম্ব ঘটানো, যার মধ্যে প্রাসঙ্গিক যোগাযোগ ও তথ্য গোপন, মুছে ফেলা বা ধ্বংস করা অন্তর্ভুক্ত।

অমিত মজুমদার (দেশি ক্রিকেটার)

ধারা ২.২.১ – ক্রিকেট ম্যাচের ফলাফল, অগ্রগতি, পরিচালনা বা অন্য যেকোনো বিষয়ে বাজি ধরা, বাজি গ্রহণ করা বা বেটিংয়ে অংশ নেওয়া।

রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী (টিম ম্যানেজার) ধারা ২.২.১ – ক্রিকেট ম্যাচের ফলাফল, অগ্রগতি, পরিচালনা বা অন্য যেকোনো বিষয়ে বাজি ধরা, বাজি গ্রহণ করা বা বেটিংয়ে অংশ নেওয়া। অভিযুক্তদের সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং অভিযোগপত্র পাওয়ার পর থেকে তাদের অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আপাতত বিসিবি আর কোনো মন্তব্য করবে না।

এছাড়া, বিসিবি “BCB Excluded Person Policy” অনুযায়ী সামিনুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি নিষেধাজ্ঞা আদেশ জারি করেছে। বিপিএলের ৯ম, ১০ম ও ১১তম আসরসহ একাধিক আসরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কথিত দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডের তদন্তের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তদন্তে তার বিরুদ্ধে বেটিং-সংক্রান্ত কার্যকলাপ, খেলোয়াড় ও এজেন্টদের কাছে দুর্নীতির প্রস্তাব দেওয়া, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বেটিং এবং দুর্নীতি চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা এবং ক্রিকেট ম্যাচে দুর্নীতিমূলক কার্যকলাপ সহজতর করার অভিযোগ পাওয়া যায়। নিষেধাজ্ঞা আদেশ জারির আগে পাঠানো নোটিশের পর সামিনুর রহমান নীতিমালা অনুযায়ী জবাব দেওয়ার অধিকার ত্যাগ করেন এবং এই নিষেধাজ্ঞা মেনে নেন।’ উৎস: কালবেলা।

 

  • সর্বশেষ