শিরোনাম
◈ বিশ্বের ১১৪ দেশের স্কুলে মোবাইল নিষিদ্ধ, বাংলাদেশে কী হবে? ◈ মালয়েশিয়ার হালাল মেলায় বড় সাফল্য, ২০ লাখ ডলারের অর্ডার পেল বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ◈ কয়লাভিত্তিক প্রকল্পে চীনের ‘না’, ঝুলে আছে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট ◈ মুক্তিপণ থেকে প্রতিশোধ, নানামুখী কারণে বাড়ছে অপহরণ ◈ অনিশ্চিত অজিত দোভালের ঢাকা সফর ◈ বাংলাদেশের পাটপণ্যে নতুন শুল্ক বসাল ভারত, বাড়ল রপ্তানি চ্যালেঞ্জ! ◈ বিদেশে বাংলাদেশি মিশনে এমপিদের সফর-সভা নিয়ে নতুন নির্দেশনা ◈ ইথানলের উৎপাদন বাড়লেও নেই চাহিদা, ৭০০ কোটি লিটার উদ্বৃত্ত নিয়ে বিপাকে ভারত ◈ শি জিনপিং-ট্রাম্প বৈঠক: ৩০ বিলিয়ন ডলারের শুল্ক কমানোসহ ৮ সমঝোতা! ◈ বার বার বিমান বাংলাদেশে স্বর্ণের চালান ও কর্মীসহ আটক: ‘স্বর্ণের খনি’ হয়ে উঠছে উড়োজাহাজ?

প্রকাশিত : ০৩ মে, ২০২৬, ১১:২৫ দুপুর
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

আইপিএল শেষে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়ম পর্যালোচনায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড

স্পোর্টস‌ ডেস্ক:  ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে বহুল আলোচিত ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়ম নিয়ে আবার চর্চা শুরু হয়েছে। ২০২৬ মওশুম শেষে এই নিয়ম পর্যালোচনা করবে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড। বিসিসিআই  সচিব দেবজিৎ সইকিয়া জানিয়েছেন, গত দুই বছর ধরেই এই নিয়ম নিয়ে আলোচনা চলছে।

২০২৩ সালে আইপিএলে চালু হওয়া ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার অনুযায়ী, কোনও দল ম্যাচ চলাকালীন একজন খেলোয়াড়কে বদলে অন্য একজনকে নামাতে পারে। এর ফলে দলগুলি প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাটিং বা বোলিং শক্তি বাড়িয়ে নিতে পারছে। অনেক ক্ষেত্রেই দলগুলি অতিরিক্ত ব্যাটার খেলিয়ে পরে তাঁকে বদলে বোলার নামাচ্ছে, যার ফলে ব্যাটিং আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে। --- আজকাল

এই নিয়ম চালুর পর থেকেই আইপিএলে বড় স্কোরের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২৫০-র বেশি রান এখন প্রায় নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। চলতি মরশুমে পাঞ্জাব কিংস বনাম দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচে দিল্লি ২৬৪ রান করেও ম্যাচ হেরে যায়। পাঞ্জাব কিংস ১৯ ওভারের আগেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে, যা টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করার রেকর্ড।

এছাড়া মুম্বই ইন্ডিয়ান্সও নিজেদের মাঠে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ২৪৪ রান করেও হার স্বীকার করে। প্রতিপক্ষ দল মাত্র ১৮.৪ ওভারেই লক্ষ্য পূরণ করে ফেলে।

advertisement

তবে এই নিয়মের ফলে অলরাউন্ডারদের ভূমিকা কমে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। কারণ দলগুলি এখন বিশেষজ্ঞ ব্যাটার বা বোলার ব্যবহারেই বেশি ঝুঁকছে। সমালোচকদের মতে, এই প্রবণতা ভবিষ্যতে ভারতীয় জাতীয় দলের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, কারণ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এই ধরনের নিয়ম নেই।

যদিও এই সমালোচনার মধ্যে বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সইকিয়া জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত কোনও দল আনুষ্ঠানিকভাবে এই নিয়মের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানায়নি।

তিনি বলেন, কখনও কম স্কোর, কখনও ২৬০ রান তাড়া করা হচ্ছে। দর্শকরা উপভোগ করছেন। এটা একেবারে কমপ্লিট  প্যাকেজ।

তিনি আরও বলেন, ''মরশুম চলাকালীন কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। টুর্নামেন্ট শেষে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে। যদি দলগুলির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়, তবেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। 
চলতি আইপিএলের ফাইনাল ৩১ মে। এরপরই এই গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে বিসিসিআই।

  • সর্বশেষ