শিরোনাম
◈ মাথাপিছু বরাদ্দ ৮ হাজার টাকা বাড়লেও বাড়ছে ঋণের দায় ◈ সস্তায় পেয়ে ৩৪ তলায় ফ্ল্যাট কিনেছিলেন, পরে জানলেন বাস্তবে কোনো অস্তিত্বই নেই ◈ বিসিবির প‌রিচালকরা কে কোন ক‌মি‌টির দায়িত্ব পে‌লেন ◈ নির্বাচনের আগে একটি দলকে ইসলামী ব্যাংক ১১ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পুশইন ঠেকাতে বেনাপোল সীমান্তে দেড়গুণ বাড়ানো হলো বিজিবি মোতায়েন ◈ ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, ব্যাংকটি বিএনপি সরকারের হাতেই সবচেয়ে নিরাপদ: অর্থমন্ত্রী ◈ কী থাকবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে যুক্ত হতে যাওয়া নতুন চার বিষয়ের মধ্যে? ◈ ২১ বছরের অপেক্ষার অবসান, নাহিদ-মোসাদ্দেকের দাপটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় ◈ এবার বাতিল হ‌লো ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা ‌বিশ্বকা‌পের টিকিটও ◈ ইউপি নির্বাচনকে ‘টেস্ট কেস’ ভাবছে সরকার, আ.লীগ নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ নিয়ে নতুন আলোচনা

প্রকাশিত : ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩২ রাত
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

আরও ১৭১ খেলোয়াড় ক্রীড়া কার্ড পেলেন

স্পোর্টস ডেস্ক : ‌দ্বিতীয় ধাপে আরও ১৭১ জন খেলোয়াড়ের হাতে ক্রীড়া কার্ড তুলে দেওয়া হয়েছে। রোববার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) মিলনায়তনে খেলোয়াড়দের হাতে কার্ড তুলে দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। পেশাগত স্বীকৃতির স্মারক হিসেবে ক্রীড়া কার্ডের পাশাপাশি খেলোয়াড়দের এক লাখ টাকা করে ভাতা প্রদান করা হয়  ।

ফুটবলে ১৮ জন পুরুষ ও ১৮ জন নারী, হকিতেও ১৮ জন করে নারী ও পুরুষ, ভলিবলে ১৪ জন, দাবায় ১১ জন, আর্চারিতে ১১ জন, হ্যান্ডবলে ১০ জন, ভারোত্তোলনে ১০ জন, জিমন্যাস্টিক্সে ৯ জন, সাঁতারে ৬ জন, শ্যুটিং ও টেবিল টেনিসে ৫ জন করে, উশু ও সাইক্লিংয়ে ৪ জন করে, জুডোতে ৩ জন, কিক বক্সিং, টেনিস ও বডি বিল্ডিংয়ে ২ জন করে এবং ট্রায়থলনে ১ জনসহ মোট ১৭১ জনকে ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হয়।

গত ৩০ মার্চ প্রথম পর্যায়ে ১২৯ জনকে এই কার্ড ও ভাতা প্রদান করা হয়েছিল। এখন পর্যন্ত মোট ৩০০ জন ক্রীড়াবিদ এই বিশেষ সুবিধার আওতায় আসলেন। সরকার পর্যায়ক্রমে মোট ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে এই কার্ড প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘ক্রীড়াকে একটি স্থায়ী ও মর্যাদাপূর্ণ পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করাই সরকারের মূল উদ্দেশ্য। কার্ডধারী প্রতিটি খেলোয়াড়কে বিশেষ বীমা সুবিধার আওতায় আনা হবে এবং মাঠের পারফরম্যান্স চলাকালীন বা ব্যক্তিগত জীবনে যেকোনো ইনজুরিতে তারা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চিকিৎসা সেবা লাভ করবেন।

প্রতিমন্ত্রী ব‌লেন, ‘খেলোয়াড়দের মান ধরে রাখতে প্রতি চার মাস অন্তর তাদের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করা হবে এবং সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতে নিয়মিত তালিকা নবায়নের মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়