শিরোনাম
◈ ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক এগিয়ে নিতে দ্রুতই আলোচনা: দীনেশ ত্রিবেদী ◈ আসিয়ান কাপ থেকে আগেই বাংলা‌দে‌শের বিদায়, এবার ইন্দোনেশিয়া ম্যাচে সান্ত্বনার লড়াই  ◈ অভিবাসীদের তৃতীয় দেশে পাঠাতে পারবে ট্রাম্প প্রশাসন, সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি ◈ গঙ্গা পানি চুক্তি কারিগরি আলোচনা চলছে: ভারত ◈ মিরপুরে ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে সংঘর্ষ, তিনটি গাড়িতে আগুন (ভিডিও) ◈ অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজির ঘাটতি নেই, আসছে ১৯ কার্গো: পেট্রোবাংলা ◈ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না: চিফ হুইপ ◈ কৃষি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ও জনসেবায় ড্রোনে এগোচ্ছে ভারত, উচ্চ দাম ও জটিলতায় পিছিয়ে বাংলাদেশ! ◈ রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ৪০১ জন গ্রেপ্তার, অস্ত্র-মাদক উদ্ধার ◈ কী লাগবে টিসিবির কার্ড পেতে, কারা পাবেন

প্রকাশিত : ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৪৯ দুপুর
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

বিসিবিতে ঘন ঘন রদবদল দেখে ‌ফিল সিমন্স বললেন, এসব দে‌খে এখন আর অবাক হই না 

স্পোর্টস ডেস্ক : এক বছরে তিনজন বস। যেকোনো মানুষের জন্য এটা বিরক্তিকর হওয়ার কথা। কিন্তু ফিল সিমন্স প্রেস কনফারেন্সে বসে হাসছেন — একদম নির্ভার।

নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে মিরপুরে সাংবাদিকরা যখন বোর্ডের ঘন ঘন সভাপতি বদলের বিষয়টা তুললেন, তখন এই ৬৩ বছর বয়সী ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান কোচ বললেন — "জীবনে কোনো কিছুই আমাকে আর অবাক করে না। এর সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো সম্পর্ক নেই, এটা জীবন নিয়েই আমার উপলব্ধি।"

আমি এতটাই চড়াই-উতরাইয়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছি যে আমি জানি, প্রতিদিন কত কিছু ঘটে যেতে পারে, তাই কোনো কিছুতেই আমি আর বিস্মিত হই না। ফারুক আহমেদ, আমিনুল ইসলাম, তারপর তামিম ইকবাল — সিমন্স বাংলাদেশে আসার পর থেকে বিসিবির শীর্ষে একের পর এক মুখ বদলেছে। কিন্তু কোচিং স্টাফের রুটিনে নাকি একটুও ফাটল ধরেনি।

"একটা সিরিজের প্রস্তুতির জন্য আমরা যেভাবে দলকে তৈরি করি বা যে পরিশ্রম করি, সেখানে কোনো পার্থক্য গড়ে দেয়নি এটা। কোচিং গ্রুপ হিসেবেও আমাদের কাজের ধরনে এটি কোনো প্রভাব ফেলেনি।"

advertisement

৭ এপ্রিল সকালে আমিনুল ছিলেন চেয়ারে, বিকেলেই তামিম। অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মাঝে জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা তখন ক্যাম্পে।

সিমন্সের চোখে সেই টানাপোড়েনের কোনো ছাপ দলের উপর পড়েনি —
"আমরা কী করছি বা কীভাবে অনুশীলন করছি, তাতে এটা কোনো প্রভাব ফেলেনি। যেভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছিল, ঠিক সেভাবেই সব শেষ হয়েছে। আর যদি খেলোয়াড়দের ওপর প্রভাবের কথা জিজ্ঞাসা করেন, তবে তা তাদেরকেই জিজ্ঞাসা করতে হবে।

কারণ, আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনো মানসিক প্রভাব দেখতে পাচ্ছি না। তারা সব কাজ ঠিকঠাক করেছে, বরাবরের মতোই কঠোর পরিশ্রম করেছে এবং কেউ কেউ তো স্বাভাবিকের চেয়েও বেশি খেটেছে। সিরিজের প্রস্তুতির জন্য যা যা প্রয়োজন, তার সবই তারা করে যাচ্ছে।"

প্রেস কনফারেন্সের বেশিরভাগ সময় বোর্ড-রাজনীতিতে কেটে যাওয়ায় একটু পরেই সিমন্স নিজেই থামিয়ে দিলেন — "ক্রিকেটের প্রশ্নে ফিরে যাi।"

সেই ক্রিকেট শুরু শুক্রবার থেকে। মিরপুরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে দিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ শুরু। প্রথম দুটো শের-ই-বাংলায়, শেষটা চট্টগ্রামে — তিনটিই সকাল এগারোটায়। পরে তিন ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজও আছে।

  • সর্বশেষ