স্পোর্টস ডেস্ক : বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দেশের একটি ইংরেজি দৈনিকের প্রকাশিত প্রতিবেদনের নোয়াখালী এক্সপ্রেসের সহকারী কোচ নিয়াজের বিরুদ্ধে ছলচাতুরির অভিযোগ তোলা হয়।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, নিয়াজ খান নিজেকে এশিয়া কাপে আফগানিস্তান জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন হিসেবে উপস্থাপন করেন। তবে বিষয়টি যাচাই করতে গেলে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (এসিবি) কর্মকর্তারা এমন কোনো সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেন। ---- সময়নিউজ
এই প্রসঙ্গে ক্রিকবাজকে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ইন্টেগ্রিটি ইউনিট বিষয়টি সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত এবং তারা কাজ করছে। বিষয়টি গোপনীয় হওয়ায় এর বেশি কিছু বলা সম্ভব নয়। তবে নিয়াজের চলাফেরা ও কার্যক্রম নিয়ে তারা নজর রাখছে।
বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের আইনি পরামর্শক ও লিগ্যাল টিমপ্রধান মাহিন এম রহমানও তদন্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শালের কাছ থেকে তিনি নিশ্চিত হয়েছেন যে বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
মাহিন বলেন, ‘আগের মৌসুমে নিয়াজ খান ঢাকা ক্যাপিটালসের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। এখানে আরও কিছু সংযোগ রয়েছে, তবে এ মুহূর্তে বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না।’
নিয়াজ খানের বিষয়টি নিয়ে বিসিবির আনুষ্ঠানিক অবস্থান আসার কয়েক ঘণ্টা আগেই বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের জানান, ইন্টেগ্রিটি ইস্যুতে কোনো ধরনের ছাড় দেবে না বিসিবি।
তিনি বলেন, ‘আমরা প্রতিটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখি। খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক পরিশোধ এবং টুর্নামেন্টের ইন্টেগ্রিটি— এই দুই বিষয়ে আমরা একচুলও ছাড় দিচ্ছি না। এই কারণেই ফ্র্যাঞ্চাইজি পাওয়ার পরও কিছু দল টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। এটা আমাদের জন্য বেদনাদায়ক হলেও, আমরা চাই বিপিএল যেন ফিক্সিং বা অনৈতিকতার অভিযোগ ছাড়াই সম্পন্ন হয়।
ইফতেখার রহমান জানান, অ্যালেক্স মার্শালের নেতৃত্বে একটি স্বাধীন ইন্টেগ্রিটি কমিটি কাজ করছে এবং ইতোমধ্যে একাধিক দলকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে— কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তি দলীয় পরিবেশে থাকতে পারবেন না। নিয়াজকে নিয়ে বিসিবি শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটাই এখন দেখার পালা।