শিরোনাম
◈ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ: প্রথম শ্রেণিতে লটারি, দ্বিতীয়-নবম শ্রেণিতে লিখিত পরীক্ষা ◈ সংবিধান সংশোধনে বিরোধী দলকে আবারও আলোচনায় আসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ◈ বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে দরপত্রের নথি কিনেছে ৩ বিদেশি কোম্পানি ◈ জমি জটিলতায় দুই বছরেও খনন হয়নি সিলেটের ২ গ্যাস কূপ, ঝুঁকিতে ৫৬ বিসিএফ গ্যাস উৎপাদন! ◈ ঢাকা-কুমিল্লা উড়াল রেলপথে ব্যয় ৮৪ হাজার কোটি টাকা, কমবে চট্টগ্রামের দূরত্ব ◈ এসএসসিতে দুই বিষয়ে ফেল করলেই ১৫ দিনের মধ্যে আবার পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী ◈ হামলার ভয়ে এক প্রাসাদ থেকে অন্য প্রাসাদে ছুটছেন সৌদি যুবরাজ ◈ জা‌র্সিতে থাকা সৌদি আরবের পতাকায় চুমু খেলেন ক্রিশ্চিয়া‌নো রোনালদো  ◈ সৌদি-হুথি সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বড় অর্থনৈতিক সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশ ◈ বগুড়ায় ক্লাসে শাসন করায় শিক্ষককে লাঠিপেটা, সেই সপ্তম শ্রেণির ছাত্রকে স্থায়ী টিসি

প্রকাশিত : ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:২৫ দুপুর
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

স্কুলজীবনে দিনে ১২ ঘণ্টা অনুশীলন করতাম, ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসাই সাফল্যের মন্ত্র: শচীন টেন্ডুলকা‌র

স্পোর্টস ডেস্ক : ভারতীয় ক্রিকেট কেন, গোটা বিশ্ব ক্রিকেটের কাছেই তিনি আইডল। ক্রিকেট জীবনে প্রচুর রেকর্ড গড়েছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেঞ্চুরির সেঞ্চুরি রয়েছে। তবে এসব কিছুই সহজে আসেনি। তার পিছনে রয়েছে কঠোর পরিশ্রম আর গভীর অধ্যবসায়।

তিনি শচীন টেন্ডুলকার। এক অনুষ্ঠানে গিয়ে ক্রিকেটারদের সাফল্যের মন্ত্রটা জানিয়ে দিয়ে এলেন। শচীন বলেন, “আমি ক্রিকেট শুরু করি তার কারণ এই খেলাটাকে প্রচণ্ড ভালোবাসতাম। অসম্ভব প্যাশনেট ছিলাম। ---- সংবাদপ্রতি‌দিন

বলতে পারেন ক্রিকেটের প্রতি পাগল ছিলাম। সব সময় দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখতাম। আর নিজেকে সেভাবেই তৈরি করেছিলাম। আমার জীবনে অনেকগুলো অধ্যায় আছে।একটা সময় যখন স্কুল ক্রিকেট খেলতাম, তখন দিনে ১২ ঘণ্টা মাঠে পড়ে থাকতাম। 

প্র্যাকটিস করতাম, নিজেকে প্রস্তুত করতাম। তারপর একটা সময় গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে টানা ৫৫ দিন ওইভাবেই প্র্যাকটিস করে যেতাম। সেটা করতে গিয়ে অসুস্থও হয়ে পড়েছিলাম।

Advertisement

আসল কথা হল আপনার মধ্যে যদি সেই প্যাশন না থাকে, সেই আগুন না থাকে, তাহলে কখনওই সাফল্য আসবে না। 

উন্নতির জন্য, এগিয়ে যাওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম দরকার, সঠিক পরিকল্পনা দরকার। সেই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত করার জন্য সঠিক গাইডেন্সের দরকার। সঙ্গে অবশ্যই শৃঙ্খলাপরায়ণ হতে হবে।

শচীনকে প্রত্যেকটা মুহূর্তে প্রত্যাশার চাপ নিয়ে খেলতে হত। শচীনের কথায়, “মনে রাখতে হবে প্রত্যাশার চাপটা কেন থাকছে। কারণ, কোনও ক্রিকেটার অতীতে ভালো পারফর্ম করেছে বলেই তাঁর উপর প্রত্যাশার চাপ থাকে। আর ক্রিকেটারদের এই চাপ কীভাবে সামলাতে হয়, সেটাও জানতে হবে। দু’ভাবে ব্যাপারটা দেখা যায়। 

এক, আপনি প্রত্যাশার চাপের জন্য আরও চাপে পড়লেন। দুই, আপনি ভাবলেন যে অতীতে ভালো পারফর্ম করেছেন বলেই এই চাপটা রয়েছে। সেটাই আপনাকে আরও ভালো খেলতে উদ্বুদ্ধ করবে। 

প্রত্যেকটা ক্রিকেটারদের উদ্দেশ্যে একটাই কথা বলব, কারও সঙ্গে লড়াইতে যেও না। কারও সঙ্গের নিজের তুলনা করো না। শুধু মাঠে নেমে নিজের সেরাটা উজাড় করে দাও। নিজে কী করতে পারো, শুধু সেটাই ভাবো

  • সর্বশেষ