শিরোনাম
◈ সৌদি আরবের সংকটে শাহজালালে সরাসরি ও ট্রানজিটের ৮২ ফ্লাইটযাত্রায় বিঘ্ন, ভোগান্তিতে ১৩ হাজারের বেশি যাত্রী ◈ ২ দিন বন্ধের ঘোষণায় সংকট, বেশি দামেও মিলছে না এলপিজি সিলিন্ডার ◈ ৩৫ বছরের পর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ থাকছে না, জানালেন আইনমন্ত্রী ◈ ডিসি-এসপির সহায়তায় ৩০ ঘণ্টা পর মুক্ত হলেন চুয়েট উপাচার্য, ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান (ভিডিও) ◈ দুর্দান্ত লড়াই করে বাংলা‌দে‌শের বিরু‌দ্ধে ম্যাচ ড্র করলো আফগানিস্তান ◈ ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টকে কামড়, বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার হলিউড অভিনেত্রী ◈ বাংলাদেশে নতুন জঙ্গি সংগঠন ‘ইতেহাদুলউম্মাহ’, বিদেশি যোগসূত্র খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা (ভিডিও) ◈ নিউইয়র্কে অপ্রীতিকর ঘটনার পর এখন কেমন আছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, যা জানালেন লামিয়া মোর্শেদ ◈ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ: প্রথম শ্রেণিতে লটারি, দ্বিতীয়-নবম শ্রেণিতে লিখিত পরীক্ষা ◈ সংবিধান সংশোধনে বিরোধী দলকে আবারও আলোচনায় আসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ২৩ অক্টোবর, ২০২৫, ০৫:২৩ বিকাল
আপডেট : ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সৌম্য–সাইফের ঝড়ো শুরু, তবুও ব্যাটিংয়ে হতাশা বাংলাদেশের

‘উঠন্তি মুলো পত্তনেই চেনা যায়’—প্রবাদটা অনেকের ক্ষেত্রে মানানসই হলেও বাংলাদেশের সঙ্গে যায় না। তার প্রমাণ আজকের ব্যাটিং। উদ্বোধনী জুটিতে ১৭৬ রান করার পরেও যে ৩০০ রান করতে পারেনি বাংলাদেশ। সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২৯৭ রানের লক্ষ্য দিয়েছে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের দল।

বাংলাদেশের আজকের ইনিংসের শুরুটা দেখে অবশ্য বোঝার উপায় ছিল না এই মিরপুরেই প্রথম দুই ওয়ানডেতে রান তুলতে হাঁসফাঁস করেছেন ব্যাটাররা। কেননা পুরো পঞ্চাশ ওভার ব্যাটিং করে আগের দুই ম্যাচে কোনোরকমে দুই শ রান পার করেছিল। আর আজ উদ্বোধনী জুটিতেই ১৭৬ রান তোলেন দুই ওপেনার সৌম্য সরকার ও সাইফ হাসান। 

মিরপুরে বাংলাদেশের ওপেনিং জুটির যা সর্বোচ্চ।

আগের সর্বোচ্চ ছিল ১৫০। ২০১৪ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে করেছিলেন ইমরুল কায়েস ও এনামুল হক বিজয়। প্রতিপক্ষের বিপক্ষেও ওপেনিংয়ে সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ড হয়েছে। আগের জুটিতেও সৌম্য ছিলেন।

Advertisement

২০১৯ সালের ডাবলিনের ১৪৪ রানের জুটিতে বাঁহাতি ওপেনারের সঙ্গী ছিলেন সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল।
সবমিলিয়ে ওপেনিংয়ে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুটি। ২০২০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২৯২ রানের জুটি গড়েন তামিম ও লিটন দাস। আজ সুযোগ ছিল দ্বিতীয়বারের মতো উদ্বোধনী জুটিতে ২০০ রান করার। তবে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে সাইফ ৮০ রানে আউট হওয়ায় তা আর হয়নি।

ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডে ফিফটির ইনিংসটি সমান ৬ ছক্কা ও চারে সাজিয়েছেন তিনি।

সাইফের মতো আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন সৌম্যও। কেননা তারও তিন অঙ্ক স্পর্শ করা হয়নি। ২০২৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ক্যারিয়ারসেরা ১৬৯ রানের ইনিংস খেলার পর আজ চতুর্থ শতক পাওয়ার খুব কাছাকাছি ছিলেন বাঁহাতি ওপেনার। কিন্তু আকিল হোসেনের বলে তিনিও ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে বাউন্ডারিতে ধরা পড়েন। এতে ৭ চার ও ৪ ছক্কায় ৯১ রানের হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

দুই ওপেনারের রানের চাকা পরে সচল রাখতে পারেননি বাংলাদেশের অন্য ব্যাটাররা। কেননা সৌম্য যখন ফেরেন তখন দলীয় স্কোর ২৮.১ ওভারে ২ উইকেটে ১৮১ রান। কিন্তু ইনিংসে বাংলাদেশের স্কোর তিন শও হয়নি। ৮ উইকেটে ২৯৬ রানে থেমেছে। এই সংগ্রহটাও  হতো না যদি নুরুল হাসান সোহান (১৬*) ও মেহেদী হাসান মিরাজ (১৭) দুটি পনেরোউর্ধ্বো ইনিংস না খেলতেন। মাঝে ৪৪ রানের ইনিংস খেলেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত।

মাঝে ৮ রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট হারানোয় এই শঙ্কা দেখা দিয়েছিল। সেই যাই হোক শুরুর মতো শেষটা করতে পারেনি বাংলাদেশ। শেষ ১৩১ বলে মাত্র ১১৫ রান নিতে পেরেছে বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নিয়েছেন আকিল হোসেন।

 

  • সর্বশেষ