ডেস্ক রিপোর্ট : নির্বাচন কমিশনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংস্থায় ১২ জন বিএনপি নেতা-কর্মীকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। অথচ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণ রোধ ও স্বাধীনতা বাড়ানোর কথা বলেছিলো দলটি।
১২টি প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের বিষয়টি নিয়ে সুশাসন বিশেষজ্ঞ ও নির্বাচন সংস্কার কমিশনের সদস্যরা সমালোচনা করেছেন। বিশেষ উদ্বেগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে নির্বাচন কমিশন, যার ওপর আগামী মাসগুলোতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব রয়েছে।
সমালোচকদের মতে, নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ে একজন বিএনপি কর্মীকে নিয়োগ কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তাছাড়া এটি নির্বাচনী সংস্কার কমিশনের সুপারিশের পরিপন্থী।
সুপারিশে বলা হয়েছিল যে, ইসি তার নিজস্ব কর্মকর্তাদের মধ্য থেকেই সচিব নিয়োগ করবে এবং তাদের জন্য একটি পৃথক 'নির্বাচন কমিশন সেবা' থাকবে।
যোগাযোগ করা হলে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ও সাবেক নির্বাচনী সংস্কার কমিশনের সদস্য জাহেদ উর রহমান এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এ ধরনের নিয়োগ ক্ষমতাসীন দলের ৩১-দফা কর্মসূচি ও নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতির লঙ্ঘন।
সূত্র : ডেইলি স্টার