শিরোনাম
◈ এক ক্লিকেই বিক্রি হচ্ছে আপনার অবস্থান: লোকেশন ডেটার কোটি ডলারের ব্যবসা ◈ রাজস্ব তহবিল থেকে টাকা নেয়ার অভিযোগের ব্যাখ্যা দিলেন আসিফ-হাসনাত ◈ ডিহাইড্রেশন দূর করে আখের রস, রমরমা ব্যবসা, জীবিকা খুঁজে পেয়েছেন শতাধিক শ্রমিক ◈ মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে জাহাঙ্গীর আলমকে যা বলেছিলেন জিয়াউর রহমান ◈ প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে ‘নূরজাহান বেগম’-এর বহুদিনের লালিত স্বপ্ন পূরণ হলো ◈ অভিষেককে 'চোর চোর' স্লোগান, শার্ট ছিঁড়ে ডিম-জুতা নিক্ষেপ ◈ বিশ্বের ইউরেনিয়াম বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে কোন দেশগুলো? ◈ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই শহীদ জিয়ার শিক্ষা, নেতাকর্মীদের প্রতি তারেক রহমানের আহ্বান ◈ বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গাফিলতি, আরও ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ ইরানের মাইন কৌশলে বদলে যাচ্ছে যুদ্ধের সমীকরণ, চাপে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত : ৩০ মে, ২০২৬, ১১:৩৭ রাত
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ১২:১৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাজস্ব তহবিল থেকে টাকা নেয়ার অভিযোগের ব্যাখ্যা দিলেন আসিফ-হাসনাত

কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া রাজস্বখাত থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া ১৫ কোটি ও দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন বলে যে অভিযোগ করেছেন, তা বিধি মোতাবেক দুই উপজেলার উন্নয়নে ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।

আজ শনিবার দুপুরে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রশাসক মোস্তাক মিয়া বলেন, ‘জেলা পরিষদের রাজস্বখাত থেকে মুরাদনগরের আসিফ মাহমুদ ১৫ কোটি টাকা নিয়েছেন। আর হাসনাত আবদুল্লাহ নিয়েছেন ১০ কোটি টাকা। এই হলো সমন্বয়কদের অবস্থা। তারা চেয়েছিলেন যে বাংলাদেশে বৈষম্যবিরোধী একটা সমন্বয়ের রাজনীতি, কিন্তু তাদের মধ্যে সেটা ছিল না।’  


এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেস্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া সমকালকে বলেন, ‘কোন্‌ অর্থ এডিপি আর কোনটি রাজস্ব- এটা জানতে হবে। আমি মন্ত্রণালয় থেকে সব উপজেলায় বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছি। কুমিল্লা জেলা পরিষদের মাধ্যমে মুরাদনগর ও দেবিদ্বারেও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এসব টাকা বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে বিধি মোতাবেক ব্যয় হয়েছে, যার নথি জেলা পরিষদে আছে।’
 
অন্যদিকে, সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ সমকালকে বলেন, ‘এই বরাদ্দ স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে দেওয়া বিশেষ বরাদ্দ, যেটা জেলা পরিষদের মাধ্যমে ব্যয় হয়েছে। দেবিদ্বারকে ১০ কোটি নয়, ৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, যেটা এডিপি প্রকল্পের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে। জেলা পরিষদের রাজস্বের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা নাই।’ তিনি আরও বলেন, ‘রাজস্ব খাত আর বিশেষ বরাদ্দ সম্পর্কে জ্ঞান থাকলে প্রশাসক এই কথা বলতেন না। আর উনি এমনভাবে বলেছেন- মনে হচ্ছে টাকা আমরা নিজেরা পকেটে নিয়ে গেছি। অথচ দেবিদ্বারের বিভিন্ন কাজে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’

রাতে জেলা পরিষদ প্রশাসক মোস্তাক মিয়া সমকালকে বলেন, ‘নিজস্ব রাজস্ব তহবিল আর এডিপির বিশেষ বরাদ্দ সবই সরকারি টাকা। দুই উপজেলায় বিশেষ বরাদ্দে নেওয়া প্রকল্পগুলো তদন্ত করা হবে। কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ উৎস: সমকাল।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়