শিরোনাম
◈ দুবাইয়ে বেনজীর গ্রেফতার, এটি বাংলাদেশ পুলিশের একটি ঐতিহাসিক সাফল্য : সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গ্রেপ্তার ◈ বিশ্বের ধনীতমদের একজন, বিলাসবহুল প্রাসাদ নয়, ছোট্ট ঘরেই থাকেন ইলন মাস্ক, কারণ কী? ◈ দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ এখন বাংলাদেশ, বিশ্বের সবচেয়ে কম শান্তিপূর্ণ দেশ রাশিয়া ◈ ‘অত্যন্ত শক্তিশালী’ এআই মডেল নিয়ে সতর্ক যুক্তরাষ্ট্র, চ্যাটজিপিটির প্রতিদ্বন্দ্বী ‘ক্লড ফেবল ৫’ স্থগিত, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন! ◈ বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর, অবসর-পরবর্তী আর্থিক নিরাপত্তা জোরদার করতে পাবেন পেনশন! ◈ চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে বিএসএফের ১১ জনের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ করল বিজিবি ◈ গণমাধ্যম এখন বিজনেস হাউসের প্রতিনিধি হয়ে গেছে: মির্জা ফখরুল ◈ আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ছে, সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন কত? যা জানাগেল ◈ এবার পরিবর্তন হচ্ছে যে উপজেলার নাম

প্রকাশিত : ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:১৯ বিকাল
আপডেট : ০১ জুন, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নির্বাচন জামায়াত–এনসিপির অধীনে হচ্ছে, তাদের মিলেই সরকার গঠিত: জিএম কাদের

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও রংপুর-৩ আসনের প্রার্থী জিএম কাদের বলেন, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি মিলে সরকার গঠন হয়েছে। এখন তাদের অধীনেই নির্বাচন হচ্ছে। বর্তমান সরকার জামায়াত ও এনসিপির সঙ্গে মিলে নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করছে। এতে করে নির্বাচন ব্যবস্থায় কোন নিরপেক্ষতা থাকছে না। তাই নিরপেক্ষ নির্বাচন আশাও করা যাচ্ছে না।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) নগরীর সেনপাড়াস্থ পৈত্রিক বাড়ি স্কাইভিউতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, “সরকার, এনসিপি ও জামায়াত মিলে নির্বাচনের ব্যবস্থাপনা করছে। এতে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হচ্ছে না। অনেক প্রার্থী এলাকায় যেতে পারছেন না, অনেকে জেলখানা থেকে নির্বাচন করছেন এবং অনেকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।”

জিএম কাদের বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির পক্ষে মানুষের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। জাতীয় পার্টি দেশ বাঁচাতে এগিয়ে এসেছে। দেশের মঙ্গলের জন্য মানুষ লাঙল মার্কায় ভোট দিতে উদগ্রীব হয়ে আছে। জনগণের উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ব্যাপক সাড়াতে আমি উজ্জীবিত হয়েছি।

জিএম কাদের বলেন, বিগত দিনে কোন দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়নি। বর্তমান সরকারকে ছাত্র-সমন্বয়করা নিয়োগ দিয়েছে। সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় ছাত্র-সমন্বয়করা দল গঠন করে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। আবার ছাত্র-সমন্বয়কদের অভিভাবক দাবী করেছে জামায়াত। তাই সরকার, এনসিপি, জামায়াতসহ তিনটি দল মিলে নির্বাচন পরিচালনা করছে। এছাড়া সকল দল ও মানুষের অংশগ্রহণ না থাকায় নির্বাচনে অবাধ হচ্ছে না। সকলের জন্য সমান সুযোগ না থাকায় নির্বাচনকে সুষ্ঠু বলা যাবে না। আমাদের অনেক প্রার্থী এলাকায় যেতে পারছে না, অনেকে জেলখানা থেকে নির্বাচন করছে। আবার অনেকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।

জিএম কাদের আরও বলেন, “সরকার গণভোটে হ্যাঁ জয়ী করতে সরকারি অর্থ ও কর্মচারী ব্যবহার করছে। যারা এর বিপক্ষে কথা বলছে তাদের ফ্যাসিবাদের দোসর বলা হচ্ছে। গণভোটে ‘না’ ভোটের প্রচার করলে যদি স্বৈরাচারের দোসর হয়, তবে যারা ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে বলছেন তারা নাৎসিবাদের দোসর। সংসদের স্বাধীনতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে এবং গণভোটে না-কে জয়ী করতে সচেষ্ট হতে হবে।”

তিনি বলেন, সরকার গণভোটে হ্যাঁ-কে জয়ী করার চেষ্টা করছে। সরকারী অর্থ, সরকারী কর্মচারী দিয়ে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। যারা এর বিপক্ষে বলছে তারা ফ্যাসিবাদের দোসর এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ করছে বলা হচ্ছে। তারা গণভোটে হ্যাঁ-কে জয়ী করে বলবে জনগণ আমাকে ম্যান্ডেট দিয়েছে সংস্কার সম্পন্ন করতে। এই সংস্কার সম্পন্ন করতে তাদের ছয় মাস, ছয় বছর বা ষাট বছরও লাগতে পারে। ততদিন তারা ক্ষমতায় থাকবে এবং সংসদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব নষ্ট হয়ে যাবে। সংসদ সদস্যদের তাদের কথা মত চলতে হবে। যে কোনভাবে গণভোটে না-কে পাস করাতে হবে।

গণভোটে ‘না’ ভোটের প্রচার করলে যদি স্বৈরাচারের দোসর হয়, তবে যারা ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে বলছেন তারা নাৎসিবাদের দোসর বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের।

তিনি বলেন, অর্ন্তবর্তী সরকার গত দেড় বছরে দেশকে ধ্বংসের দাঁড়প্রান্তে নিয়ে গেছে। দেশে চাকুরী নেই, নিরাপত্তা নেই, কাজ নেই। আমাদের গর্বের দেশ ধ্বংস হয়ে গেছে। এ থেকে উত্তোরণে আমাদের সকলকে কাজ করতে হবে।

সূত্র: ইত্তেফাক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়