খালি থাকা ৪৭টি আসনে দু’একদিনের মধ্যেই প্রার্থিতা চূড়ান্ত করবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোট। রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে মগবাজারস্থ দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
তিনি জানান, ইসলামী আন্দোলন জোটে না আসায় ফাঁকা থাকা ৪৭ আসনে আজ-কালকের মধ্যেই ১০ দলের প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা হবে। এছাড়া ১০ দলের সমন্বিত নির্বাচনি ইশতেহারের বিষয়েও ভাবা হচ্ছে।
জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, আগামী ২২ জানুয়ারি ঢাকা থেকে ১০ দলের নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা শুরু হবে। ফেব্রুয়ারির ১০ তারিখের মধ্যেই প্রচার-প্রচারণা শেষ হবে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন ছাড়া জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটে থাকা ১০ দলের চূড়ান্ত আসন ভাগাভাগির বিষয়ে জানানো হয়। ওইদিন সংবাদ সম্মেলনে আসন ভাগাভাগির বিষয়ে জানান জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, মোট ২৫৩ আসনে ১০ দলের সমঝোতা চূড়ান্ত হয়েছে। এরমধ্যে নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১৭৯ আসন থেকে লড়বে। পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০ আসনে লড়বে। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি, খেলাফত মজলিস ১০টি ও এলডিপি ৭টি আসনে লড়বে।
অন্যদিকে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৭টি, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ৩টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) ২টি ও নেজাম ইসলাম পার্টি ২টি আসনে লড়বে।
তবে ১০ দলের চূড়ান্ত আসন সমঝোতার পরদিন শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে জোট থেকে বেরিয়ে এককভাবে নির্বাচনের ঘোষণা দেয় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সংবাদ সম্মেলনে দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান জানান, ১১ দলের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেবে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলের কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবে না, এককভাবে ২৬৮ আসনে নির্বাচন করবে।
এছাড়াও সেদিনের সংবাদ সম্মেলনে বাকি ৩২টি আসনে দলের নীতি-আদর্শের সঙ্গে মিল থাকা সৎ ও যোগ্য প্রার্থীদের সমর্থন দেয়া হবে বলেও জানায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।