শিরোনাম
◈ ফাঁকা আসনে প্রার্থী ও যৌথ ইশতেহার চূড়ান্তের পথে ১০ দলীয় জোট ◈ যুক্তরাষ্ট্রকে অনায়াসেই হারাল বাংলাদেশ ◈ ওমরাহ পালনে ইচ্ছুকদের জন্য বড় দুঃসংবাদ ◈ রোহিঙ্গা সংকট: আদালতের রায় নয়, প্রত্যাবাসনই বড় চ্যালেঞ্জ ◈ পার্টি নিষিদ্ধ, ব্যক্তি নয়: লতিফ সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে ইসি মাছউদ ◈ আফ্রিকা কাপ অব নেশন্স ফাইনাল রাতে মুখোমুখি মরক্কো ও সেনেগাল ◈ মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে জুলাই যোদ্ধাদের জন্য আরেকটি ডিপার্টমেন্ট তৈরি করা হবে : তারেক রহমান ◈ প্রার্থী বা এজেন্টদের দেওয়া খাবার খেতে পারবে না পুলিশ: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ◈ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে যে তিন অভিযোগে ঘেরাও কর্মসূচি পালন করছে ছাত্রদল ◈ অন্তর্বর্তী সরকা‌রের আমলেও কেনো হলো না সাগর-রুনি হত্যার বিচার

প্রকাশিত : ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ০২:৩৭ দুপুর
আপডেট : ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৪:০৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রোহিঙ্গা সংকট: আদালতের রায় নয়, প্রত্যাবাসনই বড় চ্যালেঞ্জ

আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো গণহত্যার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে চালানো অভিযানকে বৈধ বলে দাবি করেছে মিয়ানমার। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এবার মিয়ানমার পার পাবে না, কারণ তাদের সব অপরাধ ডকুমেন্টেড। তবে মামলায় জয়ী হওয়ার চেয়ে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন তারা।

২০১৭ সালের আগস্টে রোহিঙ্গা বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ এনে রাখাইনে অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। ভয়াবহ সেই অভিযানে গণহত্যা, যৌন নির্যাতন, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়ার অভিযোগ ওঠে।

জাতিসংঘের তদন্তে সামরিক বাহিনীর এই আগ্রাসনকে জাতিগত নির্মূল হিসেবে অভিহিত করা হয়। ওই অভিযানে ১০ হাজার আরাকান বাসিন্দা নিহত হন বলে সংস্থাটির তদন্তে প্রকাশ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গণহত্যার অভিযোগ এনে ২০১৯ সালে মিয়ারমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করে আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া।
 
আন্তর্জাতিক আদালত আইসিজিতে চলছে মামলার শুনানি। চলতি সপ্তাহে আনিত গণহত্যার অভিযোগ নাকচ করে মিয়ারমারের প্রতিনিধি ক্লো ক্লো হ্লাইংয়ের দাবি, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযান গণহত্যা নয় বরং ওইটা ছিল সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে বৈধ অভিযান।
  
মিয়ারমারের এই দাবি মিথ্যা উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, আন্তর্জাতিক আদালতে এরইমধ্যে মিয়ারমারের গণহত্যা প্রমাণিত হয়েছে। এবার আর অস্বীকার করে পার পাবে না। মিয়ানমারে গণহত্যার সব দালিলিক প্রমাণ রয়েছে আন্তর্জাতিক আদালতের কাছে।
 
তবে মামলায় জয়ী হওয়ার চেয়ে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন এই বিশ্লেষক। এজন্য বিচারের পাশাপাশি প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মিয়ানমারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ফেরত নেয়ার ব্যাপারে তামাদো বা আরাকান আর্মি, এদের সঙ্গে আজ না হয় কাল বসেতই হবে। আদালতে বিচারটাও চলতে থাকবে, একইভাবে আরও কিছু করা যায় কি না, যার মাধ্যমে মিয়ানমার মনে করবে সমাধানে যাওয়া যায়।
 
জাতিগত নিধনের শিকার হয়ে বর্তমানে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে ১০ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়