গাজায় নিহত শেষ জিম্মি রন গিভিলির দেহাবশেষ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন ইসরাইলি বিক্ষোভকারীরা। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার পেছনে থাকা ব্যর্থতাগুলো তদন্তে একটি রাষ্ট্রীয় কমিশন গঠনেরও আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
তেল আবিবের হাবিমা স্কয়ারে অনুষ্ঠিত সাপ্তাহিক মূল সরকারবিরোধী বিক্ষোভে হাজারো মানুষ অংশ নেন বলে হিব্রু গণমাধ্যম ও বিক্ষোভ আয়োজকদের বরাত দিয়ে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে টাইমস অব ইসরাইল।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের ঘটনা তদন্তে রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠনে সরকারের অস্বীকৃতির প্রতিবাদে বিভিন্ন স্লোগান-সংবলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে জড়ো হন বিক্ষোভকারীরা।
জানা গেছে, রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠনের পরিবর্তে ক্ষমতাসীন জোট রাজনৈতিকভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত একটি তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিচ্ছে। বিক্ষোভকারীরা সরকারের বিচারিক সংস্কার পরিকল্পনারও বিরোধিতা করেন। আদালতের ক্ষমতা খর্ব করাই এর লক্ষ্য করে অভিযোগ তাদের।
এদিকে, বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে এদিন ভাষণ দেন সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও ইসরাইলি সেনাবাহিনীর (আইডিএফ) প্রধান মোশে ইয়ালোন। তিনি চলতি সপ্তাহে ইরানে সংঘটিত ব্যাপক সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে দেশটির ‘কর্তৃত্ববাদী শাসন’র সঙ্গে ইসরাইল সরকারের তুলনা করেন, যেখানে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।
ইয়ালোনকে উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেট বলছে, ‘ইসরাইলের সামনে কোনো বাহ্যিক অস্তিত্বগত হুমকি নেই, কিন্তু অভ্যন্তরীণ হুমকি আছে।’
চরম ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রীকে ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, ‘বেন-গভির দেখছেন যে সেখানে (ইরানে) কীভাবে শাসকগোষ্ঠী বিক্ষোভকারীদের মোকাবিলা করছে এবং এতে সে ঈর্ষান্বিত।’
এছাড়া গিভিলি পরিবারের নিজ শহর মেইতারেও একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল