শিরোনাম

প্রকাশিত : ০৪ অক্টোবর, ২০২২, ০৫:২৮ সকাল
আপডেট : ০৪ অক্টোবর, ২০২২, ০৫:২৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নারী চিকিৎসকের কাটপিস  বক্তব্য এবং কয়েকটি জিজ্ঞাসা

জাহিদুর রহমান

জাহিদুর রহমান: আমি একজন চিকিৎসক, প্রতি মাসে বেতন বাবত আমার ব্যাংক একাউন্টে যত টাকা জমা হয়, আমি তার সবটাই খরচ করে ফেলি বা ঢেলে দিই। অনেক সময় মাস শেষ হওয়ার আগেই দিই। আপনাদের কারো ক্ষেত্রে কি এমন হয় না? আমিও আপনাদের অনেকের মতো নোংরা পরিবেশ, দরদাম করার ঝামেলা, গরম এবং ধুলোবালি থেকে রেহাই পেতে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত সুপারশপ থেকে কেনাকাটা করি। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমারও মাসিক খরচ বেড়ে গিয়েছে। তবে মোটামুটি ভালো অংকের বেতন পাই বলে স্বাভাবিকভাবেই এই বাড়তি খরচের চাপ নিম্ন আয়ের অনেকের তুলনায় আমার ক্ষেত্রে কম। এই কথাগুলোর মধ্যে দোষ কোথায়? 
যেসব চিকিৎসক, বিশেষ করে জুনিওররা সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া জনৈক নারী চিকিৎসকের কাটপিস বক্তব্য দেখে মর্মাহত হয়েছেন, তারা দয়া করে বিষয়টি অন্য আঙ্গিকে দেখার চেষ্টা করুন। আপনি যে পেশায় এসেছেন, তাতে দুর্নীতি না করেও স্বচ্ছলভাবে জীবনযাপন করতে পারবেন। আমি ভাইরাল হওয়া নারী চিকিৎসককে চিনি না। কিন্তু বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, তিনি সহজ সরল। মনে যা এসেছে বলে দিয়েছেন। তদন্ত করেও উনার বিশাল ব্যাংক একাউন্ট আবিস্কার করতে পারবেন না। বরং দেখা যাবে তিনি আমাদের অনেকের চাইতে নিয়মিত কর পরিশোধ করেন। পুরো রিপোর্ট দেখে থাকলে খুব কম সংখ্যক মানুষই হয়তো উনার বক্তব্যের সাথে দ্বিমত পোষণ করবেন। 
যে বা যারা দেশ টিভির একটি রিপোর্ট বিকৃত করে ভিডিও ক্লিপটি অনলাইনে আপলোড করেছেন তাদের প্রতি তীব্র ঘৃণা জানিয়ে রাখলাম। আপনাদের ক্ষণিকের মজা নেওয়া কারো ব্যক্তিগত জীবনকে অতিষ্ট করে তুলতে পারে, মহৎ কোনো পেশায় জড়িত মানুষদের অসম্মান করতে পারে, এক পেশার মানুষের সাথে অন্য পেশার মানুষের দূরত্ব সৃষ্টি করতে পারে। যেদিন নিজে ভিকটিম হবেন, সেদিন হয়তো বুঝবেন। হাজার হাজার লাইক, কমেন্ট, শেয়ার, কোনো কিছুই সেদিন আপনার ভোগান্তি কমাতে পারবে না। ফেসবুক থেকে 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়