শিরোনাম
◈ জামায়াতের বিরোধিতা করতে বিএন‌পি নির্বাচনী প্রচারণায় মুক্তিযুদ্ধকেই কেন সামনে আনছে? ◈ বিশ্বকাপের আগে একাধিক পরিবর্তন ক্রিকেটের নিয়মে ◈ ক্যান্টনমেন্টে ব্যক্তিগত অস্ত্র বা গানম্যান নেওয়ার বিধান কী? ◈ মধ্যরাতে তিন গ্রামের সংঘর্ষ, আহত পুলিশসহ ১৫ ◈ চট্টগ্রাম বন্দর বন্ধে রপ্তানি সংকট: কর্মবিরতিতে আটকা ১৩ হাজার কনটেইনার, ঝুঁকিতে ৬৬ কোটি ডলারের বাণিজ্য ◈ আওয়ামী লীগ দুর্গের ২৮ আসন এবার বিএনপির জয়ের পাল্লা ভারী ◈ নিউক্যাসলকে হারিয়ে ম্যানচেস্টার সিটি লিগ কা‌পের ফাইনালে ◈ অ‌স্ট্রেলিয়ান প‌্যাট কা‌মিন্স বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার আশায় ◈ ‘খেলার মাঠে রাজনীতি নয়’: বাংলাদেশের পক্ষে সংহতি জানিয়ে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করেছি : পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ◈ নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের তাণ্ডব: এক গ্রামেই ১৬২ জনকে হত্যা, পুড়িয়ে দেওয়া হলো রাজপ্রাসাদ

প্রকাশিত : ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৬:২০ সকাল
আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বডি ক্যামেরার ভিডিও ফাঁস হওয়া নিয়ে যা বললেন সায়ের

ঢাকা-১৭ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. এস এম খালিদুজ্জামান সম্প্রতি রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় গানম্যান নিয়ে প্রবেশের সময় সেনা সদস্যদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান। এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের প্রথমে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশ করেন।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর জামায়াত প্রার্থীর এমন আচারণের সমালোচনা করেন অনেকে।

অন্যদিকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর বডি ক্যামেরার গোপন ভিডিও কিভাবে ফাঁস হয়ে গেল? এমন প্রশ্ন করেছেন অনেক রাজনীতিবিদ।

বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। তিনি এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, আগে যেভাবে পুলিশের আভ্যন্তরীণ রেডিও বার্তা ফাঁস হতো, সেনানিবাসের এমপি চেকপোস্টের ভিডিওটাও সেভাবেই ফাঁস হয়েছে। পার্থক্য হলো তখন এসব যাদের কাছে হালাল বলে মনে হতো, তাদের কাছে এখন একই ধরনের গোপন তথ্য ফাঁস হারাম বলে মনে হচ্ছে।

তথ‍্য কিন্তু ঠিকই আছে, খালি হালালটা হারাম হইয়া গেছে আরকি।

এর সঙ্গে তিনি ২০২৩ সালের ২৯ অক্টোবর একটি পুরনো ভিডিও পোস্ট শেয়ার করেন। যার ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, গতকাল বিএনপির মহাসমাবেশে দায়িত্ব পালন করেছেন নিরাপত্তা সংস্থার এমন একজন সদস্যের বয়ানে সংঘর্ষের নেপথ্যে। তীব্র সংঘর্ষের সময়ে পুলিশের আইজি (কলসাইন ভিক্টর ৬) এর পক্ষ থেকে বার বার জানতে চাওয়া হয় কাকরাইল চার্চ ও মন্দিরে হামলার ‘সঠিক তথ্য’ জানানোর জন্য।

বলা হয় সর্বোচ্চ মহল থেকে জানতে চাওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে পুলিশ কর্মকর্তারা সেসব স্থাপনা পরিদর্শন করে নিশ্চিত করেন সেখানে কোনো ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেনি। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়