শিরোনাম
◈ শান্তিপূর্ণ সমাধানের চেষ্টায় ব্যর্থ হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লাঠিপেটা ও বল প্রয়োগ করে: আইএসপিআর ◈ নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে এনসিপির বিক্ষোভ (ভিডিও) ◈ পল্টনে ফের র.ক্তা.ক্ত সংঘর্ষ: হলুদ হেলমেটধারীরা কারা?" ◈ মার্কিন শুল্ক ইস্যুতে বাংলাদেশ নিয়ে যা বললেন ভারতীয় সাংবাদিক ◈ ‘প্ল্যান-বি হলো জাতীয় পার্টির ওপর ভর করে লীগকে ফেরানো’ ◈ নুর আশঙ্কাজনক, বাঁচবে কি মরবে জানি না : রাশেদ খাঁন (ভিডিও) ◈ ভূমি মালিকদের জন্য বড় সুখবর: মাত্র ২৪ ঘন্টায় খতিয়ানের ভূল সংশোধনের সরকারি নির্দেশনা, জানুন কিভাবে ◈ ঢাকায় জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষ, সেনা মোতায়েন ◈ সংঘের নিয়মে মোদির অবসর? বয়স বিতর্কে মোহন ভাগবতের স্পষ্ট জবাব ◈ খালেদা জিয়া সরকারে থাকাকালে দেশের টাকা বিদেশে পাঠাননি: চান্দিনায় মাহমুদুর রহমান মান্না

প্রকাশিত : ২৭ জুলাই, ২০২২, ১০:২৫ দুপুর
আপডেট : ২৭ জুলাই, ২০২২, ১০:২৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দুর্দান্ত মেধাবী ও গুণী তরুণ সজীব ওয়াজেদ জয়

সজীব ওয়াজেদ জয়

 দীপক চৌধুরী: সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন আজ, বুধবার। ৫২তম জন্মদিন। তিনি বাংলাদেশের গর্ব। তারুণ্যের প্রতিকৃতি। বঙ্গবন্ধু  শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর সুযোগ্য কন্যা  শেখ হাসিনা এ দুজনের স্বপ্ন বাস্তায়নে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার  নেপথ্য কারিগর হিসেবে কাজ করছেন পরিশ্রমী,  মেধাবী ও পরিচ্ছন্ন জীবন-জীবিকার অধিকারী কম্পিউটার বিজ্ঞানী সজীব ওয়াজেদ জয়।

ডিজিটাল বাংলাদেশের নেপথ্য নায়ক এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিখাতে ঘটে যাওয়া বিপ্লবের স্থপতি সজীব ওয়াজেদ। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্বে আছেন জয়। ২০০৭ সালে জয় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক  ফোরাম কর্তৃক গ্লোবাল লিডার অব দ্য ওয়ার্ল্ড হিসেবে নির্বাচিত হন। 
 
সজীব ওয়াজেদ জয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু  শেখ মুজিবুর রহমানের  দৌহিত্র এবং প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা ও  দেশের পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার পুত্র। তিনি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই জন্ম গ্রহণ করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর জয়ের নাম রাখেন তার নানা  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালে  বেতবুনিয়ায় ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় জাতির পিতার  দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠান।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হওয়ার সময় মা ও বাবার সঙ্গে জার্মানিতে ছিলেন জয়। পরে মায়ের সঙ্গে রাজনৈতিক আশ্রয়ে ভারতে চলে যান তিনি। তার শৈশব ও কৈশোর কাটে ভারতে। সেখানকার নৈনিতালের সেন্ট জোসেফ কলেজে  লেখাপড়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব  টেক্সাস অ্যাট আর্লিংটন  থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক করেন তিনি। পরে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোকপ্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০২ সালের ২৬ অক্টোবর ক্রিস্টিন ওভারমায়ারকে বিয়ে করেন সজীব ওয়াজেদ জয়। তাদের একটি  মেয়ে সন্তান আছে।

জয় সক্রিয় রাজনীতিতে নাম লেখান ২০১০ সালে। ঐ বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিতৃভূমি রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য পদ দেওয়া হয় তাকে, যার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে আসেন তিনি। লেখাপড়া করা অবস্থায় রাজনীতির প্রতি অনুরক্ত হলেও সরাসরি রাজনীতিতে তিনি আগে ছিলেন না।  ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার বিষয়টি নিয়ে আসেন। পর্দার অন্তরালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে থেকে গোটা  দেশে তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লব ঘটান এই তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ। বর্তমানে দলীয় ঘরানা ছাড়াও তথ্যপ্রযুক্তি, রাজনীতি, সামাজিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ, তরুণ উদ্যোক্তা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন জয়।

বিশেষ করে  দেশের তরুণদের দেশপ্রেমে উজ্জীবিত করে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে আত্মনিয়োগ করার  ক্ষেত্রে বিভিন্ন কর্মসূচি ও পদক্ষেপ নিচ্ছেন তিনি। বর্তমানে  বেশিরভাগ সময়েই  দেশের বাইরে অবস্থান করতে থাকা সজীব ওয়াজেদ জয় বাংলাদেশের রাজনীতি ও সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে  ফেসবুকে মতামত ব্যক্ত করে থাকেন। 

দেশের আইসিটি খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষাগত  যোগ্যতা আর পেশাগত কাজের অভিজ্ঞতা এই দু’য়ের মিশেলেই দেশের আইসিটি খাতের এমন তড়িৎ উন্নতিতে সফল নেতৃত্ব দিতে  পেরেছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। জয়ের মা অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নতুন জগৎ সৃষ্টি করেছেন। তিনি কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন, তরুণদের ভরসা শেখ হাসিনা। এই লড়াকুজাতি  চেয়েছিলো দেশকে গড়ে তুলবার এক অপ্রতিরোধ্য লিডারশিপ দরকার। বঙ্গবন্ধুকে হারানোর পর এ জাতি মারাত্মক বিপদে ছিল। সেই দিনগুলোর কথা  মানুষের মন থেকে মুছে যায়নি। তাঁর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনাকে  পেয়ে গেছে বাঙালি। এটা প্রমাণ হয়ে গেছে যে, দিনমজুর, শ্রমিক, কৃষক, শিক্ষক- শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, চিকিৎসকসহ সকল শ্রেণির   জনগণের আস্থার জায়গা করে নিয়েছেন দেশরত্ন শেখ হাসিনা। আসলে মূল কথা হচ্ছে, এই সোনার দেশটি বিনির্মাণে গর্বিত নেতা আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

লেখক : উপসম্পাদক, আমাদের অর্থনীতি, সিনিয়র সাংবাদিক, কলামিস্ট  ও কথাসাহিত্যিক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়