শিরোনাম
◈ আইসিসির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে যা জানাল বিসিবি ◈ নিয়মভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার পক্ষে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ◈ ‘ব্লাডি সিটিজেন’ বিতর্কে ইসির নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে ক্ষোভ হাসনাত আব্দুল্লাহর (ভিডিও) ◈ গুম-খুনের শিকার পরিবারের সদস্যদের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান (ভিডিও) ◈ আইনশৃঙ্খলা জোরদার: ৩৩০ সন্ত্রাসীর চট্টগ্রামে প্রবেশ ও অবস্থান নিষিদ্ধ, গণবিজ্ঞপ্তি জারি ◈ ঢাকা ক‌্যা‌পিটাল‌সের বিদায়, ‌বি‌পিএ‌লের প্লে-অফে রংপুর রাইডার্স  ◈ ইসরায়েলি সমর্থকদের মা‌ঠে ঢুক‌তে না দেয়ায় চাকরি হারালেন ব্রিটিশ পুলিশ কর্মকর্তা ◈ আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা বাংলাদেশের ভিসা পাননি ◈ তামিম ইকবাল, বিসিবি ও কোয়াব ত্রিমুখী সংকটের নেপথ্যে রাজনীতি  ◈ চট্টগ্রামে জুলাইযোদ্ধা হাসনাত আবদুল্লাহর ওপর সশস্ত্র হামলা

প্রকাশিত : ১৭ জুলাই, ২০২৪, ০৪:১৬ সকাল
আপডেট : ০৮ মে, ২০২৫, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সরকারও চাচ্ছে কোটা বাতিল হোক

শুভ কামাল

শুভ কামাল: ভাই বিপ্লব করার আগে বুঝুন কী নিয়ে বিপ্লব করছেন। আমি কোটা সংস্কার এখন কোন পর্যায়ে আছে তার সরল ব্যাখা দিচ্ছি। আগে বুঝুন। পরে আন্দোলন করুন। সরকার ২০১৮ সালে পরিপত্র জারি করে কোটা বাতিল করেছিল। পরে একজন আদালতে মামলা করে দেয় সরকারের বিরুদ্ধে এই কোটা বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। পৃথিবীর সব দেশেই সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা যায়, এটা প্রয়োজন চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স থাকার জন্য। তার মানে সরকারই এখন আসামী। সরকার ও কোটা আন্দোলনকারীদের মতো চাচ্ছে কোটা বাতিল হোক, তারা বাতিল করেছিলও। কিন্তু বাতিল করার পরে তারা আদালতে আটকে আছে। তার মানে আন্দোলনকারী আর সরকার এখন একই পক্ষ। 
যাই হোক জুন মাসে হাইকোর্ট বলল কোটা থাকবে, কারণ সভ্য দেশে কোটা থাকেই পিছিয়ে পরা জনগোষ্ঠীকে ব্যালেন্স করার জন্য। কিন্তু সরকার চাইলে এর সংস্কার করতে পারবে সংসদে। এখন সংসদে এইটা সংস্কার করার আগে কোর্ট থেকে নিষ্পত্তি করা প্রয়োজন। তাই সরকার আবার এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলো আপিলেট ডিভিশনে। তার শুনানির ডেট পরেছে আগস্ট মাসে। দেখুন এই মামলায় বিবাদী কিন্তু সরকার। মানে সরকারও চাচ্ছে কোটা বাতিল হোক। তাহলে আন্দোলনটা আসলে ঠিক কার বিরুদ্ধে? আদালতে রায় ফাইনাল হলে পরে সরকার এইটা সংসদে তুলে সংস্কার করবে। এখন মামলা চলার মাঝখানে আইন পরিবর্তন করলে আদালত অবমাননা হবে না? এইভাবে যদি আদালতের রায়ের মাঝখানে আইন সংস্কার করার সংস্কৃতি চালু হয় তবে কি বিচার বিভাগ আর এক্সিকিউটিভ বিভাগের মাঝে ক্ষমতার কোনো চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স থাকবে?

তাই বারবার বলছি, আগে বুঝুন কীসের জন্য, আর কার বিরুদ্ধে আন্দোলন করছেন। আমি তো কোটা বাতিলের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলাম, এখন কেন এই রাজাকার আন্দোলনকে সাপোর্ট দিচ্ছি না বুঝতে পারছেন? যেহেতু সরকারই চায় কোটা বাতিল করতে, তাই এটা বাতিল হবেই। আদালতে না হলে সংসদে বাতিল হবে। কিন্তু যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় হতে হবে না? আচ্ছা, আমার কথায় দ্বিমত থাকলে আপনারা বলেন সরকার কভিাবে এই মুহূর্তে কোটা বাতিল করবে। আগে তো পরিপত্র জারি করে বাতিল করেছিল। এখন কীভাবে করবে? আদালতের রায়ের মাঝেই সংসদে বাতিল করবে? হে মেধাবী , আপনি যদি বলেন এখনি সংসদে বাতিল করতে হবে আপিলেট ডিভিশনের রায়ের আগে, তাহলে ভবিষ্যতে নির্বাহী বিভাগ আর বিচার বিভাগের চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স কীভাবে বজায় থাকবে আর এর সুদূর প্রসারী ইমপ্লিকেশন কী হবে একটা দেশের ওপর, সেটাও বর্ণনা করবেন। ১৫-০৭-২৪। ফেসবুক থেকে 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়