শিরোনাম
◈ তিন লাল কার্ডের ম‌্যা‌চে নাপোলির জয় ◈ বাংলাদেশের প্রতি ভারতের শত্রুভাবাপন্ন নীতি এখনো বদলায়নি ◈ শেষ মুহূ‌র্তে ম‌্যান‌চেস্টার সি‌টি‌কে জয়ব‌ঞ্চিত কর‌লো চেল‌সি ◈ মাদুরোকে আটকের পর উত্তাল ভেনেজুয়েলা: রাজপথে নামার ডাক দিলেন ছেলে মাদুরো গেরা ◈ ভোররাতে ৫.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপলো সিলেট ◈ সীমান্তে ব্রিজ নির্মাণের চেষ্টা, বিজিবির বাধার মুখে নির্মাণাধীন ব্রিজ ফেলে পালাল বিএসএফ ◈ ২০২৬ সালে ভ্রমণের জন্য সেরা ২০ আন্তর্জাতিক গন্তব্য ◈ ১২ জানুয়ারি ঢাকায় আসছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ◈ গণভোটের প্রচারে সরকারের উদ্যোগ: জনগণকে জানাতে সকল বিভাগে বড় আয়োজন ◈ মোস্তাফিজের শেষ ওভারের ম্যাজিকে ঢাকাকে হারিয়ে রংপুরের শ্বাসরুদ্ধকর জয়

প্রকাশিত : ০৪ এপ্রিল, ২০২৪, ০৫:১৭ সকাল
আপডেট : ০৪ এপ্রিল, ২০২৪, ০৫:১৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শিল্পী হিসেবে কাজের সঠিক তৃপ্তি হুমায়ূন স্যারের কাজ থেকেই পেয়েছি 

ডা. এজাজুল ইসলাম

ডা. এজাজুল ইসলাম : তখন চাকরিতে আমি নতুন। সবে বিসিএস পাস করে জয়েন্ট করেছি পিজি হাসপাতালে। এরপরেই হুমায়ূন আহমেদ স্যারের ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ সিনেমার শুটিং। স্যারের সাথে আমার প্রথম ছবি। কী যে উত্তেজনা কাজ করছিলো তখন, বলে বোঝানো যাবে না। মাথার মধ্যে ওই ছবি ছাড়া অন্য  কোনো চিন্তা ই ছিল না। স্যার আমাকে কাস্ট করার পর হাসপাতাল থেকে ছুটি নিয়ে শুটিংয়ে যাই। গানের শুটিং করছি তখন হাসপাতাল থেকে খবর এলো, পরদিন মন্ত্রী মহোদয় হাসপাতালে আসতে পারেন। আমার ছুটির আবেদনে সমস্যা আছে। এটা নিজে এসে ঠিক করতে হবে। মন্ত্রী এসে দেখলে চাকরি নিয়ে টানাটানি পড়ে যাবে। কিন্তু আমি ‘অসম্ভব’ বলে এড়িয়ে গেলাম। 
জানালাম, সমস্যা থাকলে শুটিং শেষ করে এসে ঠিক করবো। কোনোভাবেই শুটিং ছেড়ে আসতে পারবো না। পরদিন খবর পাই, মন্ত্রী ঠিকই হাসপাতালে গিয়েছিলেন। আমাকে সাসপেন্ড করেছেন। শোনার পর আমার একটুও বিকার হয়নি। হাসপাতাল থেকে লোক এসে আমাকে বলেছিল, স্যার দ্রুত ক্ষমা চেয়ে আবেদন করেন। কিন্তু তারপরেও আমি শুটিং ছেড়ে যাইনি। এতে স্যার (হুমায়ূন আহমেদ) যদি রাগ করতেন। আমি বলে দিয়েছিলাম, ছবির কাজ শেষ হবে। তারপর যাবো। এতে আমার চাকরি থাকলে থাকবে, না থাকলে সাসপেন্ড হয়ে থাকবো। কোনো চিন্তা নেই। কারণ নিশ্চিত ছিলাম আমি চলে গেলে স্যার কষ্ট পাবেন। 

আমার চাকরির চেয়ে স্যারের কষ্টটা আমার কাছে বেশি ছিল। শেষ পর্যন্ত আমি যাইনি। ঠিকই ছিলাম। পরে অনেক চাকরি নিয়ে সমস্যা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত আবার চাকরিতে বহাল হই। স্যারের নাটকে অভিনয় করে যে তৃপ্তি পেতাম এখন কাজ করে ওই তৃপ্তি আর পাইনা। ৩ মাসে স্যারের একটা নাটক করে যে তৃপ্তি পেতাম আমি ফিল করি এখন ৩ বছরেও সেই তৃপ্তি পাইনি। শিল্পী হিসেবে কাজের সঠিক তৃপ্তি হুমায়ূন স্যারের কাজ থেকেই পেয়েছি। অন্যদের কাজ করে সেভাবে তৃপ্তিটা পাই না। এটা দুর্ভাগ্য আমার। কার্টেসি : চ্যানেল আই অনলাইন (ঈষৎ সংক্ষেপিত)। হুমায়ূনের ভুবন। ফেসবুক থেকে 

 
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়