শিরোনাম
◈ মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে বহু চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশের অর্থনীতি ◈ ঈদযাত্রায় নতুন লঞ্চ সার্ভিস চালু হবে কবে, জানালো সরকার ◈ বিদেশে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশি কোম্পানি, দেশে বাড়তে পারে বেকারত্ব ◈ শুল্ক বৈষম্যে বেনাপোল ছেড়ে ভোমরা বন্দরে ঝুঁকছেন ব্যবসায়ীরা ◈ মার্চের ১১ দিনেই রেমিট্যান্স এলো ১৯২ কোটি ডলার ◈ নাহিদের আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করলেন বিএনপির কাইয়ুম ◈ ডিসেম্বরে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে রূপপুরের ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ◈ মুক্তিযোদ্ধাদের দেখানো পথেই হাঁটছে সেনাবাহিনী: সেনাপ্রধান ◈ ২ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দফতর বণ্টন, গেজেট প্রকাশ ◈ ভারতের পতাকা অবমাননা করায় ‌ক্রিকেটার হার্দিক পা‌ন্ডিয়ার বিরুদ্ধে মামলা! 

প্রকাশিত : ২০ জুন, ২০২৩, ০৯:২২ রাত
আপডেট : ২১ জুন, ২০২৩, ০৪:২৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জলবায়ু পরিবর্তন সারা বিশ্বের জন্য অস্তিত্বের সংকট: সংসদে সাবের হোসেন চৌধুরী 

মনিরুল ইসলাম: ঢাকা - ৯ আসনের সংসদ সদস্য ও  প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশেষ দূত সাবের হোসেন চৌধুরী জাতীয় সংসদে বলেছেন,জলবায়ু পরিবর্তন সারা বিশ্বের জন্য অস্তিত্বের সংকট। এটা এখন দৃশ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং সংকট। বাংলাদেশ আগামীতে কতটা এগোতে পারবে, সেটা নির্ভর করবে জলবায়ুর বিষয়টি আমরা কীভাবে মোকাবিলা করছি, তার ওপর। নতুন অর্থবছরের (২০২৩-২৪) বাজেটে ৩৭ হাজার কোটি টাকার একটি বরাদ্দ রয়েছে। ২৫টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ যে কাজ করবে, সেটা আমরা পর্যবেক্ষণ করবো। মানুষের জীবন ও জীবিকার সুরক্ষা অতীতে কোনও সরকার করেনি।

মঙ্গলবার (২০ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।তিনি বলেন, জিডিপির ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে চাইলে জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুর দিকে অবশ্যই নজর দিতে হবে। ‘জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতির কারণে বর্তমানে আমরা জিডিপির ২ শতাংশ হারাচ্ছি। এভাবে চলতে থাকলে ২০৫০ সাল নাগাদ আমরা ৯ শতাংশ হারাবো।’

জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তিনি  বলেন, ‘আজ  থেকে ১৩ বছর আগে ২০১০ সালে যখন জলবায়ু নিয়ে কেউ সেভাবে কথা বলতেন না, তখন বাংলাদেশ নিজস্ব অর্থায়নে ‘ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ড’ গঠন করেছে। এভাবে প্রতিটি নীতিতে আমাদের অবদান রয়েছে।

আমরা এত বছর লড়াই করছি কপ-২৭ (লস অ্যান্ড ড্যামেজ) নিয়ে, সেটার বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি আমরা পেয়েছি। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ বড় ভূমিকা রেখেছে। জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে যেসব উন্নয়নশীল দেশ রয়েছে, তাদের নেতৃত্ব আমরা বিশ্ব পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত করেছি। আমরা যে টেকসই উন্নয়নের কথা বলি, এটা কিন্তু ভাবতে হবে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে।

অর্থমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘তামাক নিয়ে প্রতি বছর বাজেটের সময় আমি কথা বলি, কিন্তু কোনও উত্তর পাই না। বাংলাদেশে এক লাখ ৬১ হাজার মানুষ প্রতি বছর মৃত্যুবরণ করে তামাকের কারণে। এই তামাকপণ্য যারা তৈরি করে, প্রতি বছর কেন তাদের বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়।

তিনি  বলেন, করারোপের ফলে বাজেটের পর অনেক পণ্যের দাম বাড়ে। আমাদের অর্থমন্ত্রী তামাকপণ্যের দাম নিজেই বাড়িয়ে দেন। এর মাধ্যমে তিনি তামাক কোম্পানিকে মুনাফা করার সুযোগ করে দিচ্ছেন। এটা কী কথা। তামাকের ওপর কর আরোপ করতে চাইলে এমনভাবে করতে হবে, যেন তার পুরোটাই সরকার পায়।

তিনি  আরও বলেন, আমরা তামাক থেকে রাজস্ব পাই ২২ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু এর পেছনে খরচ হয় ৩০ হাজার কোটি টাকা। তামাকের ওপর আরোপিত সারচার্জ থেকে তিন শত কোটি টাকা আসে। এরমধ্যে মাত্র ৯ কোটি টাকা ব্যয় হয় তামাক নিয়ন্ত্রণে। সম্পাদনা: শামসুল হক বসুনিয়া

এমআই/এসএইচবি/এসবি২

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়