শিরোনাম
◈ বুকিং ডটকমে ভুয়া তালিকা ও ফিশিং প্রতারণা ঠেকাতে ইইউর কড়া নির্দেশ, পেইড তালিকায় স্বচ্ছতার তাগিদ ◈ মানিকগঞ্জে গ্যাস অনুসন্ধানে নতুন কূপ খনন করবে বাপেক্স, সম্ভাবনা ঢাকায় গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর ◈ সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড নিয়ে যা জানালো মিশন ◈ দুবাই-শারজাহজুড়ে বাতাসে জ্বালানি তেলের গন্ধ, কারণ অনুসন্ধানে তদন্তে কর্তৃপক্ষ ◈ মক্কায় আকস্মিক বন্যায় ভেসে গেল ৩ শিশু, একজনের মৃত্যু, নিখোঁজ আরেকজন ◈ অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে মাসে ২০ দিন ডিজে পার্টি, সিসা সেবন, অশালীন নাচ ও উচ্চ শব্দে অতিষ্ঠ প্রতিবেশীরা(ভিডিও) ◈ ডিভি লটারি ২০২৭ নিবন্ধন নিয়ে নতুন জটিলতা, আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের আপিল ◈ ইরাকের কুর্দিস্তানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর, ভিসা ও রেসিডেন্সি জরিমানায় ৭৫% ছাড় ◈ নভেম্বর থেকে পিঠা-পুরি, ঝালমুড়ির দোকানসহ সব খাদ্য ব্যবসা লাইসেন্স বাধ্যতামূলক, না মানলে শাস্তি ◈ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপ শুরু ২১ জানুয়ারি, বাংলা‌দে‌শের প্রথম ম্যাচ আমিরাতের বিপক্ষে

প্রকাশিত : ০৬ জুন, ২০২৩, ০৬:২৬ বিকাল
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৩, ০৮:৩১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নারায়ণগঞ্জ আদালতে মামুনুল হক, ধর্ষণ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহন

অপু রহমান, নারায়ণগঞ্জ: হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হককে সোনারগাঁ থানায় ধর্ষণ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নারায়ণগঞ্জ আদালতে আনা হয়েছে।
 
মঙ্গলবার (৬ জুন) সকাল ১০টার সময় কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্য দিয়ে কাশিমপুর কারাগার থেকে তাকে নারায়ণগঞ্জের আদালতে আনা হয়। 
 
দুপুরে নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালতে সাক্ষ্যগ্রণ হয়।
 
মামুনুল হককে বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য মামলার বাদী জান্নাত আরা ঝর্ণার ছেলে চার্জশিটে ৩১ নম্বর সাক্ষী আব্দুর রহমানসহ দুজন সাক্ষী উপস্থিত হন। 
 
অন্য দুজন হলেন- চার্জশিটের ৩৩ নম্বর সাক্ষী সাংবাদিক এনামুল হক বিদ্যূৎ ও ৩৪ নম্বর সাক্ষী সাংবাদিক নুরনবী। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ২০ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। পরে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মামুনুল হককে কাশিমপুর কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। 
 
২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে অবস্থান করছিলেন মামুনুল হক। ওই সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এসে তাকে ঘেরাও করেন। পরে স্থানীয় হেফাজতের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এসে রিসোর্টে ব্যাপক ভাঙচুর করেন এবং তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যান। ঘটনার পর থেকেই মামুনুল হক মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় অবস্থান করে আসছিলেন। এসময় পুলিশ তাকে নজরদারির মধ্যে রাখে। এরপর ১৮ এপ্রিল মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মামুনুলকে। 
 
পরে এ ঘটনায় ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁ থানায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে বিয়ের  প্রলোভনে ধর্ষণ মামলা করেন ওই নারী। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ
 
প্রতিনিধি/জেএ/একে
  • সর্বশেষ