শিরোনাম
◈ ব্যবসায়ী থেকে তিন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী: কে এই শেখ রবিউল আলম? ◈ গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী ◈ সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি পদে আলোচনায় যেসব বিএনপি নেত্রী ◈ ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, জানা গেল কে কোন দায়িত্বে? ◈ ফুটবল বিশ্বকাপ দেখতে আবেদন পড়েছে ৫০ কো‌টি ৮০ লাখ ◈ শেখ হাসিনা কি নেতাকর্মী‌দের ৩২ নম্ব‌রে যাতায়ত ও আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলার নির্দেশ দিয়েছেন?  ◈ দুই মাস পর ভারতীয় নাগরিকদের ভিসা দেওয়া শুরু করল বাংলাদেশ ◈ রমজানে নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে না, আশ্বাস দিলেন ধর্মমন্ত্রী ◈ এলডিসি উত্তরণ: তিন বছর স্থগিত চেয়ে জাতিসংঘে চিঠি দিলো বাংলাদেশ ◈ অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ের বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে এখনো বিতর্ক কেন?

প্রকাশিত : ০৬ অক্টোবর, ২০২২, ০৭:৩৯ বিকাল
আপডেট : ০৬ অক্টোবর, ২০২২, ০৭:৩৯ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ধুমপান ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করতে হবে: ডেপুটি স্পিকার

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু

মনিরুল ইসলাম: জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু বলেছেন, যত্রতত্র ধুমপান নিয়ন্ত্রণ করা অত্যাবশ্যক। বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিতাষ্ঠান, হাসপাতালের সন্নিকটে মাদক ও তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় কেন্দ্র নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের এলডি হলে ‘বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফোরাম ফর হেলথ এন্ড ওয়েলবিং’ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশন আয়োজিত নবনির্বাচিত ডেপুটি স্পিকার ও ফোরামের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শামসুল হক টুকুর সংবর্ধনা প্রদান ও ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তামাকের প্রভাব থেকে বাঁচতে সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলো দ্রুত পাস করা জরুরী।
 
তিনি বলেন, ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ বাস্তবায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যে ঘোষণা, তা বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি। আমি নিজেও তামাক-বিরোধী নানান কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত আছি। 

তিনি আরও বলেন, ফোরামের সংসদ সদস্যবৃন্দ বিদ্যমান তামাক আইনের যেসব সংশোধনী প্রস্তাবনা করেছেন, তাতে আমি একমত। বিশেষ করে ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান বাতিল ও ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করা খুবই জরুরী। তামাক ও মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। সুস্থ্য মানব সম্পদ গড়ে তোলা অতীব জরুরী। সকল রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে, পেশাজীবীদের এগিয়ে আসতে হবে। 

এসময় তিনি যুবসমাজকে ধুমপান ও মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান।ধুমপান ও মাদকের ভয়াবহতা জনসমাজে তুলে ধরতে সচেতন মহলের প্রতিও আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানের সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ মোঃ হাবিবে মিল্লাত এমপি বলেন, ‘বাংলাদেশের অসুস্থতাজনিত মোট মৃত্যুর ৬৭ শতাংশের জন্য দায়ী অসংক্রামক রোগব্যাধি। যার অন্যমত কারণ তামাক। পার্লামেন্টারি ফোরামের মাধ্যমে আমরা তামাক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কাজ করছি। 

অনুষ্ঠানে অন্যান্য সংসদ সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- আরমা দত্ত, ডাঃ সামিল উদ্দিন আহম্মেদ শিমুল, শবনম জাহান, সৈয়দা রওশন আরা মান্নান, অ্যাড. খোদেজা নাসরিন আক্তার হোসেন, মেজর জেনারেল (অবঃ) নাসির উদ্দিন আহমেদ, শিরীন আহমেদ প্রমুখ। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়