শিরোনাম
◈ ট্রাম্পের নতুন শুল্ক ঘোষণার পর বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তির ভবিষ্যৎ কী? ◈ এয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর সময় জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ অবৈধ ভবন রোধে কড়া বার্তা, কুমিল্লায় গণপূর্তমন্ত্রীর ঘোষণা ◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ◈ বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করতেই হবে তারেক রহমানকে ◈ বর্ণবি‌দ্বে‌ষি মন্তব‌্য বন্ধ কর‌তে ফুটবলে নতুন আইন করতে যাচ্ছে ফিফা ◈ ফুটবলার সামিত সোমের ছবি পোস্ট করে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানালো ফিফা  ◈ ক্ষমতা হস্তান্তরের পর কোথায় আছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, কী করছেন এখন? ◈ ভয়ভীতি মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি করবো: তথ্যমন্ত্রী ◈ মাহদী হাসানের সঙ্গে দিল্লিতে ঠিক কী হয়েছিল?

প্রকাশিত : ০৪ অক্টোবর, ২০২২, ০৫:২২ বিকাল
আপডেট : ০৫ অক্টোবর, ২০২২, ০৩:৪৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী 

প্রধানমন্ত্রী

সালেহ্ বিপ্লব: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলার আবহমান ঐতিহ্য ধরে রেখে ভিন্ন মত এবং ধর্মকে সম্মান দেখাতে হবে। কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়া যাবে না। বাসস

শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে মঙ্গলবার বিকেলে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির অঙ্গনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন। বক্তব্যের শুরুতেই তিনি পঞ্চগড়ে মহালয়ায় যোগ দিতে যাওয়া সময় নৌকাডুবির ঘটনায় শোক ও সমবেদনা জানান।  

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একজন মানুষ যে ধর্মেরই হোক, অন্য কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে কেউ আঘাত দিতে পারবে না। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে কেউ কোনো কথা বলতে পারবে না। যেকোনো ধর্মের ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য।

তিনি বলেন, আমরা যদি বিশ্বাস করি এই বিশ্ব সৃষ্টিকর্তার তৈরি, আল্লাহর তৈরি, যে যেভাবেই ডাকে না কেন সেই শক্তির প্রতি; যারাই যেভাবে যতটুকু যার যার বিশ্বাস থেকে সে যেভাবে উদযাপন করে সেখানে সবাকেই সম্মান দেখানো উচিত, কেউ কাউকে ছোট করে দেখার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, আমাদের ইসলাম ধর্ম অনেক উদার। আমাদের ধর্মে নির্দেশ আছে, সব ধর্মকে সম্মান দেখাতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সব সময় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আমরা জানি, কখনো কখনো কিছু কিছু ঘটনা ঘটে। কিন্তু আপনারা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন, আমাদের সরকার সব সময় এ ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন। যে কোনো ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা চাই এই দেশে যারা বসবাস করে বা যারা বাংলাদেশের নাগরিক; সে যে ধর্মেরই হোক যার যার ধর্ম সবাই স্বাধীনভাবে পালন করবে। আমরা কিন্তু প্রত্যেকটা উৎসবই ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলে কিন্তু উদযাপন করি। যে কারণে বলি ধর্ম যার যার উৎসব সবার। সব উৎসবে কিন্তু আমরা সম্মিলিতভাবে উদযাপন করে থাকি, সেটাই হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় একটা বিষয়। সেখানে আমাদের সবচেয়ে বড় সার্থকতা। বাংলাদেশে এই চেতনা আমরা ধরে রাখতে পেরেছি। সম্পাদনা: খালিদ আহমেদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়