শিরোনাম
◈ প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্ট ৬৬ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ: ডপলার রিসার্চের জরিপ ◈ ৪ দিন খাবার ও পানি ছাড়া সাগরে ভাসছিলেন ৩০০ মার্কিন সেনা, অতঃপর... ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এমপিদের ভোটদান নিয়ে ইসির ৯ নির্দেশনা ◈ ১৩ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন ◈ মিয়ানমারের বিবৃতি কি রোহিঙ্গা সংকট আরও জটিল করে তুলল? ◈ সাশ্রয়ী দামে স্মার্টফোন দিতে সরকারের নতুন পরিকল্পনা ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের বৈঠক ◈ নবম পে স্কেলের গেজেট কবে, যা জানা গেল ◈ ভারত স্বার্থ-শর্ত ছাড়া আমন্ত্রণ জানালে স্বাগত জানাবে বাংলাদেশ: রিজভী ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অভ্যস্ত নয় ইসি, তবে প্রক্রিয়ায় কোনো গ্যাপ থাকবে না: সিইসি

প্রকাশিত : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:৪১ বিকাল
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:২৫ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কলকাতায় আগুনে নিহতদের মরদেহ দ্রুত দেশে আনা হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশিদের লাশ শনাক্তকরণ ও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত জানা গেছে, ওই হোটেলে পাঁচজন বাংলাদেশী ছিলেন এবং স্থানীয় পুলিশ তাদের শনাক্ত করতে পেরেছে।

তিনি বলেন, কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার সার্বক্ষণিকভাবে বিষয়টির খোঁজখবর রাখছেন। তিনি ঘটনাস্থলের হোটেল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন এবং নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের সাথে যোগাযোগ রাখছেন।

নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের চারজন রয়েছেন বলেও জানান শামা ওবায়েদ।

তিনি বলেন, কলকাতায় বাংলাদেশের মিশন ইতোমধ্যে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সাথে বাংলাদেশে যোগাযোগ করেছে। নিহতদের শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব মরদেহগুলো দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কলকাতার মিশন কাজ করছে।

লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার খরচ সরকার বহন করবে কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিহতদের পরিবার যদি লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার খরচ বহন করতে না পারে, তাহলে সরকার অবশ্যই বিষয়টি দেখবে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাত ২টার দিকে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ফ্রি স্কুল স্ট্রিটে ওই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এয়ার কন্ডিশনার বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করেছে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআই জানিয়েছে, নিহত বাংলাদেশিরা চিকিৎসার জন্য কলকাতায় গিয়েছিলেন।

কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে, হোটেলটিতে অগ্নিনিরাপত্তার মৌলিক ব্যবস্থা ছিল না। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। হোটেলের মালিক ও কর্মীদের খোঁজা হচ্ছে। তারা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দি‌য়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জা‌নায়, এ যাবৎ এ অগ্নিকাণ্ডে মোট নয়জন মারা গিয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশি বলে স্থানীয় পুলিশ তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে। এরা হলো, সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমীন এবং তাদের ছেলে শর্ণশিষ দত্ত নিহত হয়েছেন। এছাড়া দেবাশীষের শ্বশুর আকরাম আলীও ভয়াবহ এ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। নিহত অপর বাংলাদেশির নাম আহমেদ বাবু। তার বাড়ি সাভারের আমিনবাজার বেগুনবাড়িতে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়