শিরোনাম
◈ কৌশল আর সংগঠনে ভর করে বিজেপির সাফল্য: আলোচনায় ৬ নেতা ◈ ভোট গণনায় আসামে এগিয়ে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ◈ “জুলাই হত্যাকাণ্ডে বিচার বিলম্ব নিয়ে প্রশ্ন: প্রমাণ নেই, আটক ও জামিন সংকটে রাজনৈতিক স্বার্থের অভিযোগ সারা হোসেনের” ◈ পর্যটন খাতে বড় পরিকল্পনা, আসছে পূর্ণাঙ্গ মাস্টারপ্ল্যান : বিমানমন্ত্রী ◈ চ্যাম্পিয়ন আবাহনী পরাজয় দি‌য়ে শুরু কর‌লো ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ  ◈ বাংলা‌দেশ নারী ক্রিকেট দ‌লের অ‌ধিনায়ক জ্যোতি‌কে শা‌স্তি দি‌লো আইসি‌সি ◈ মমতার বিদায়ের ইঙ্গিত? বিজেপি জিতলে কে হতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী ◈ হাম ও উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বাড়ছেই, একদিনেই ১৭ শিশুর মৃত্যু ◈ দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে জটিলতা কমানোর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ মা‌য়ের সোনার গহনা আর বাবার ৪টা দোকান বেচে কার্তিক শর্মা হ‌লেন ক্রিকেটার

প্রকাশিত : ০৪ মে, ২০২৬, ০৭:১০ বিকাল
আপডেট : ০৪ মে, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সড়ক ও সেতুমন্ত্রী যে বার্তা দিলেন ঈদযাত্রা নিয়ে

ঈদে মহাসড়কগুলোতে সৃষ্ট যানজট সহনীয় করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রবি।

সোমবার (৪ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের পর এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

 সড়কমন্ত্রী বলেন, গত ঈদে চন্দ্রাতে চাপ ছিল। ঢাকা-সিলেট সড়ক নির্মাণাধীন সড়ক ব্যাপকহারে কাজ চলছে। তার মধ্যদিয়ে ঢাকা-সিলেট সড়কটি ভালো ম্যানেজমেন্ট করা সক্ষম হয়েছে। খুব বেশি যানজট হয়নি। ঢাকা-সিলেট সড়কে, ঢাকা-চিটাগাং ভালো ছিল। ঢাকা-খুলনা ভালো ছিল। ঢাকা-আরিচা ভালো ছিল। ঢাকা-রংপুরে ভালো ছিল।
 
চন্দ্রার যানজট নিয়ে তিনি বলেন, যমুনা সেতুতে প্রবেশপথটি একটু ন্যারো। ঈদের সময় গাড়ির চাপ ছিল বেশি, প্রতিদিন প্রায় ৫১ হাজার গাড়ি পার করতে হয়েছে যমুনা সেতু দিয়ে। তবে একেবারে স্থবির হয়নি, থেমে থেমে গিয়েছে। এবার আমরা চন্দ্রার ওই জায়গাটাতে বেশ কিছু দখল আছে, সেটি আরেকটু প্রশস্ত করা, আরেকটু শৃঙ্খলার সাথে যত ডাইভার্ট করা যায় সেই চেষ্টা চলছে। এছাড়া গতবার আরেকটা প্রবলেম আমার কাছে মনে হয়েছে যে বেশি ট্রাক, লরি, কাভার্ডভ্যানগুলো নিষেধ ছিল প্রথম চারদিন, কিন্তু তা সেটা মাঠ পর্যায়ে ওই অঞ্চলে কার্যকর করা যায়নি।
 
তবে ঈদুল আজহায় ঈদুল ফিতরের চেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এবার আরও একটু চ্যালেঞ্জ হবে, কারণ গরু বহনকারী প্রচুর ট্রাক আসবে। গতবার দেড় কোটি ছিল। ঢাকা থেকে ঢাকার বাইরে যাওয়ার যাত্রী আর এবার আড়াই কোটি হয়ে যাবে প্রায়। এক কোটি গরু মুভ করবে অর্থাৎ চ্যালেঞ্জটা আরও বেশি। যানবাহনের চাপ আরও বেশি হবে। সেজন্য আমরা কাজ করছি। সব প্রতিবন্ধকতা আছে, চ্যালেঞ্জ আছে, এটা আপনারাও জানেন, সমাধান একেবারে এখনই সেরকমও না। সামর্থ্যের মধ্যে শতভাগ কীভাবে সফল হওয়া যায় এই চেষ্টাতে আমাদের কোনো ঘাটতি নেই বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী।
  
ঈদুল আজহা উপলক্ষে সড়কে চাঁদাবাজির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সড়কে চাঁদাবাজি নিয়ে এর আগেও অনেকবার কথা বলেছি, আমি আবারও আপনাদের বলতে চাই, চাঁদাবাজির কোনো সুযোগ নেই। চাঁদাবাজি একটি অপরাধ, যারা চাঁদাবাজি করছে, তাদের নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আইনের আওতায় আনা হবে। ইতোপূর্বে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। আরও পর্যায়ক্রমে, যে বিচ্ছিন্ন যেগুলো আছে, সেগুলোকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনার একটি চেষ্টা আছে।
 
সড়কের উন্নয়ন বাজেট নিয়ে রবিউল আলম রবি বলেন, রাস্তার প্রশস্ত করার চাহিদা বাংলাদেশে আছে। এই দুই মাসে মেম্বার অব পার্লামেন্টের যে ডিও দিয়েছে তাতে ৩ লাখ কোটি টাকা লাগবে এই রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য। বাজেটে পাবেন আপনি সর্বোচ্চ হয়তো ৪০ হাজার কোটি টাকা। এটা আমার ধারণা। বিগতদিনের হিসাবে কথা বলে বলছি। এখন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমাদের একটা সিলেক্ট করে কাজ করতে হবে।
  
হাইওয়েতে থ্রি-হুইলার চলাচলের বিষয়ে তিনি বলেন, মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধ করার ইচ্ছা ও প্রচেষ্টা আমাদের আছে। তবে আমাদের হাইওয়েগুলো এখনো পুরোপুরি সুরক্ষিত (প্রটেক্টেড) নয়। আমরা এখনো হাইওয়েতে থ্রি-হুইলারের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ (রেস্ট্রিক্টেড) করতে পারিনি। এর প্রধান কারণ হলো, সড়কের যেকোনো জায়গা দিয়ে ছোটখাটো সংযোগ রাস্তা রয়েছে। যার ফলে এটা হয়ত নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। কিন্তু আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে এটা একটু নিয়ন্ত্রণ বেশি করা গিয়েছে। পর্যায়ক্রমে এটাকে কীভাবে করা যায়, সেই ব্যবস্থাগুলো নিয়ে কথা বলা হয়েছে। আশা করছি যে পর্যায়ক্রমে এটা নিয়ন্ত্রণ হবে। কারণ থ্রি হুইলার যেভাবে চলছে, সেটা চলতে পারে না।
 
ট্রেনের মধ্যে পাথর ছুড়ে মারা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, রোড সেফটির জন্য এটা খুবই ভয়ংকর এবং এই প্রাকটিসটা আছে। এটা বন্ধ করার জন্য আমরা ডিসিদের আরও তৎপর হতে বলেছি এবং আমাদের যারা আছেন বিশেষ করে, রেলওয়েতে যারা আছেন। রেলওয়ে পুলিশ, গার্ড রেলওয়েতে যারা আছেন নিরাপত্তা বাহিনী তাদের আরও তৎপর করছি। জনসচেতনতা বাড়ানো দরকার। দেখা গেল, খেলা করতে করতে বাচ্চারা গ্লাসে ডিল ছুঁয়ে মারছে। কে গ্লাসে লাগাতে পারে এই প্রচেষ্টাও আছে। ওই অঞ্চলে মানুষকে সচেতন করা, সজাগ করা সেটাও একটা অংশ সবভাবে চলছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়