শিরোনাম
◈ তাবলিগের শীর্ষ মুরুব্বি মাওলানা ফারুকের ইন্তেকাল ◈ আরও ১৭১ খেলোয়াড় ক্রীড়া কার্ড পেলেন ◈ ওয়াশিংটনের দাবিকে ‘অবাস্তব’ আখ্যা, আলোচনায় না যাওয়ার ঘোষণা ইরানের ◈ যে জেলায় আগের দামেই মিলছে জ্বালানি তেল! ◈ ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন শেয়ার করায় গ্রেফতারের পর কারাগারে, সংসদে হাসনাত ও চিফ হুইপের মধ্যে বিতর্ক ◈ জোট শরিকরা সংরক্ষিত নারী আসনে কে কতটি পেল জামায়াত থেকে ◈ বিদ্যুৎ খাতে ৫২ হাজার কোটি টাকা বকেয়া, ঋণের বোঝা দেড় লাখ কোটি: সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী ◈ বাসে ৬৪ শতাংশ, লঞ্চ ভাড়া দেড়গুণ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব ◈ ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনার জন্য ইসলামাবাদে পৌঁছাল মার্কিন দল ◈ সোমবার বগুড়ায় যাত্রা, ‘ই-বেইল বন্ড’ চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:১৭ রাত
আপডেট : ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন শেয়ার করায় গ্রেফতারের পর কারাগারে, সংসদে হাসনাত ও চিফ হুইপের মধ্যে বিতর্ক

বিবিসি নিউজ বাংলা: বাংলাদেশের সরকারি দলের চিফ হুইপকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন পোস্ট করা বা শেয়ার করার অভিযোগে একজন ফেসবুক ব্যবহারকারীকে গ্রেফতার করার ঘটনায় নিয়ে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে বিতর্ক হয়েছে।

হাসান নাসিমকে শুক্রবার গ্রেফতার করে ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশ। শনিবার তাকে আদালতে হাজির করে পুলিশ রিমান্ড চাইলেও আদালত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

অভিযোগ রয়েছে, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির একটি কথাকে উধ্বৃত করে এ এম হাসান নাসিম নামের ওই ব্যক্তি ফেসবুকের একটি পাতায় পোস্ট শেয়ার করেছিল। ওই পাতায় বেশ কিছুদিন ধরেই মি. মনি ও বিএনপি, ছাত্রদলের নানা কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করা হয়েছিল।

রোববার বিরোধী দলের নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ সংসদ অধিবেশনে এই প্রসঙ্গ তোলেন।

শেখ হাসিনার আমলে কটূক্তির জন্য গ্রেফতার করা হতো উল্লেখ করে, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের যে ধারায় এ এম হাসান নাসিমকে গ্রেফতার করা হয়েছে সেটির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মি. আব্দুল্লাহ।

তবে এর জবাবে সরকার দলীয় চীফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি দাবি করেন, নির্বাচনের আগে থেকেই ওই পাতা থেকে তার উপর সাইবার হামলা চালানো হচ্ছিল। সংসদে এর সপক্ষে তিনি কিছু নথিপত্রও তুলে ধরেন।

বাংলাদেশের মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, অতীতে সাইবার নিরাপত্তার কথা বলে যেসব আইনে সামাজিক মাধ্যমে করা পোস্টের জের ধরে মামলা বা গ্রেফতার করা হতো, তারা এখন আবার সেই ধরনের প্রবণতা দেখতে পাচ্ছেন, যা আশঙ্কাজনক বলে তারা বর্ণনা করছেন।

কার্টুন শেয়ারে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের মামলা

"সাগর থেকে ৩টা তিমি মাছ নিয়ে এসেছি, ২টা হাঙর আসতেছে ইনশাআল্লাহ, সবার দাওয়াত চিফ হুইপ" এই লেখা সংবলিত একটি কার্টুন গত ১০ই এপ্রিল পাথরঘাটা ডট কম নামের একটি ফেসবুক পেইজে প্রকাশিত হয়।

এতে যে কার্টুনটি আঁকা, তাতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান সংসদে বসে আছেন।

চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি ট্রেতে করে হাঙর, তিমি পরিবেশন করছেন তাদের।

উল্লেখ্য, এর আগে, চিফ হুইপ মি. মনি জাতীয় সংসদ অধিবেশন চলাকালীন সময়ে সংসদ সদস্যদের দুপুরের খাবার থাকার কথা জানান। তখন একজন খাবারের মেন্যু জানতে চাইলে তিনি স্যাটায়ার বা মজা করে মেন্যুতে তিমি ও হাঙর থাকার কথা বলেন।

সেই বক্তব্য ঘিরেই কার্টুনটি তৈরি করা হয়েছিল।

এছাড়া ওই ফেসবুক পাতায় বিভিন্ন সময় বরগুনার পাথরঘাটা কেন্দ্রিক বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদলের সমালোচনামূলক নানা পোস্ট দিতে দেখা গেছে। পাথরঘাটা কেন্দ্রিক নানা ধরনের অনিয়মের সমালোচনাও রয়েছে ওই পাতায়।

বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম মনি পাথরঘাটা, বামনা, বেতাগী নিয়ে বরগুনা-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির বাড়িও পাথরঘাটায়।

নজরুল ইসলাম নামের একজন ব্যক্তি 'চিফ হুইপের একনিষ্ঠ কর্মী' হিসেবে পরিচয় উল্লেখ করে ১৮ই এপ্রিল গুলশান থানায় একটি করেছেন।

তিনি মামলার এজাহারে দুইটি লিঙ্কের কথা উল্লেখ করে লিখেছেন, চিফ হুইপ মহোদয়কে ব্ল্যাকমেইলিং করার উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের লিঙ্ক ব্যবহার করা হয়েছে। একইসঙ্গে, সেখানে একটি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরের কথা মামলায় উল্লেখ করে দাবি করা হয়েছে, যে 'অজ্ঞাতনামা আসামির হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে চিফ হুইপের নম্বরে অন্যায়ভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন পোস্টের স্ক্রিনশট পাঠাতে থাকে'।

কিন্ত, মামলাটির এজাহারে কোনো বেআইনি সুবিধা দেওয়ার বা কোন কাজ সম্পাদনে চিফ হুইপকে বাধ্য করা হয়েছে সেটির কোনো বিবরণ নেই।

একইসঙ্গে ব্ল্যাকমেইলিং করে টাকা বা কোন সুবিধা চাওয়া হয়েছে সেটিও উল্লেখ করা হয়নি।

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ২৫ ও ২৭ এই দুইটি ধারায় করা মামলায় হাসান নাসিমকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

সাইবার সুরক্ষা আইনের ২৫ ধারা অনুযায়ী, 'ব্ল্যাকমেলিং' অর্থ এমন হুমকি বা ভীতি, যার মাধ্যমে অন্য কোনো ব্যক্তিকে বেআইনি সুবিধা প্রদান বা চাহিত কাজ করতে বাধ্য করা হয়।

২৭ ধারার কথা উল্লেখ করেন আইনজীবীরা বলেন, এই ধারার অধীনে সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ডিজিটাল নিরাপত্তা ভঙ্গ করে রাষ্ট্রের অখণ্ডতা, নিরাপত্তা এবং সার্বভৌমত্ব হুমকিতে ফেলা।

গ্রেফতার নিয়ে সংসদে তর্ক-বিতর্ক

কার্টুন পোস্ট করায় গ্রেফতার করার ঘটনা নিয়ে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্ন তুলেছেন এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, "কিন্তু মাননীয় স্পিকার, দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে, এই কার্টুনটি শেয়ার করার কারণে.... মাননীয় চিফ হুইপ মহোদয়ের এক কর্মী মামলা করেছে ২৫ ধারায়। এই ধারায় রয়েছে, যৌন নির্যাতন করা হইলে তাইলে এই ধারায় মামলা হবে, কিন্তু মাননীয় হুইপ মহোদয়ের যে মিমটি শেয়ার করা হয়েছে সেখানে কোথায় যৌন নির্যাতন করা হয়েছে?"

তিনি উল্লেখ করেন, ওই ব্যক্তি একটি মিম শেয়ার করেছে। যে কথা চিফ হুইপ সংসদে বলেছিলেন।

একইসঙ্গে, এই মামলার ২৭ ধারা জামিনযোগ্য হলেও গ্রেফতারকৃত মি. নাসিমকে রিমান্ড না দিলেও জামিন দেওয়া হয়নি বরং কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

"এই ধরনের মামলায় এই অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে বিরোধী দলীয় মতকে দমন ও নিপীড়নের জন্য গ্রেফতার করা হচ্ছে এবং জামিনও দেওয়া হচ্ছে না। এখানে সাইবার নিরাপত্তা আইন যেটা এই সংসদেই পাস করা হয়েছে, সেখানে কটূক্তির জন্য বা রাজনৈতিক স্যাটায়ারের জন্য আমাদের মামলা করার কোনো বিধান নাই" বলেন মি. আব্দুল্লাহ।

বিরোধী দলীয় নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহর বক্তব্যের পরে সরকারি চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি জানান, এ বিষয়টি সংসদে উঠতে পারে তা তিনি জানেন তাই পূর্বের সকল কাগজপত্রসহ ফাইল নিয়ে এসেছেন।

এ সময় হাতে থাকা একটি ফাইল তুলে ধরেন তিনি। মি. মনি সংসদ অধিবেশনে জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে থেকেই সাইবার হামলার শিকার হচ্ছেন।

নির্বাচনের আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং রিটার্নিং কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করেছেন।

আইনশৃঙ্খলা কমিটির মিটিংয়েও বিষয়টি বলেছিলেন বলে জানান তিনি।

হাতে থাকা কাগজপত্র দেখিয়ে চিফ হুইপ বলেন, "এগুলা সবই রিসিভ করা কপি। এইসব দেওয়ার পরেও একচুয়ালি কোনো সুরাহা করতে পারিনি, এটা আমরা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মিটিংয়েও আমরা বলেছি।''

"যারা ফেইক আইডি দিয়ে এটা করে তাদের বের করে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসেন বা কোনো একটা ব্যবস্থা করেন। কিন্তু ফাইনালি নির্বাচনের আগে আমরা করতে পারি নাই" বলেন মি. মনি।

মি. নাসিমকে গ্রেফতার করার কথা শনিবার সংবাদপত্রে দেখেছেন বলে সংসদ অধিবেশনে জানান নুরুল ইসলাম মনি।

"মাননীয় স্পিকার আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে আপনাকে পরিষ্কার করে বলতে চাই, কার্টুন আমার ব্যাপারে আঁকার কারনে কাউকে যদি গ্রেফতার করা হয় তাকে ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি আপনার মাধ্যমে এই সংসদে। কিন্তু ওই ভদ্রলোক এখন পর্যন্ত আমরা জানি না এই সমস্ত সাইবার কার্যক্রমের সাথে জড়িত কি না? আমি জানি না" বলেন চিফ হুইপ।

একইসঙ্গে বিরোধী দল হোক বা সরকারি দল- সকলের স্বার্থেই কুৎসা রটানো বা কূরুচিপূর্ণ বক্তব্য ছড়ানো যে কোনো ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান চিফ হুইপ।

মি. হাসান নামে এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, ম্যানপাওয়ার এক্সপোর্ট, অর্থপাচারসহ নানা বিষয়ে জড়িত।

"এসব ইনফরমেশনও কতখানি সঠিক কি না তা আমি জানি নাই। আমার কথা হলো এই ভদ্রলোক যদি সেই ভদ্রলোক হয় যিনি সাইবার কার্যক্রমের সাথে জড়িত হয় তাহলে আমি মনে করি এটা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা উচিত সরকারের এবং এটা পর্যালোচনা করা উচিত এটা সঠিক কি না?" বলেন মি. মনি।

তিনি আরো বলেন, "আর যদি সঠিক হয় আমি মনে করি এটা আইনের আওতায় আনা উচিত। যদি সঠিক না হয় তার ব্যাপারে ব্যক্তির ব্যাপারে আমার কোনো অভিযোগ নাই।"

'এমন গ্রেফতার মানুষের আকাঙ্খিত পরিবর্তনকে প্রশ্নের মুখে ফেলছে'

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০০৬ সালের তথ্য প্রযুক্তি আইন রহিত করে ২০১৮ সালে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন প্রণয়ন করা হয়।

এই আইনটি হওয়ার পর থেকেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়া আগ পর্যন্ত গত কয়েক বছরে সাংবাদিক, রাজনীতিক, সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীসহ অনেকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ফলে এসব আইনের বেশ কিছু ধারা নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছেন মানবাধিকার কর্মীরা। কারণ সেসময় এই আইনে গ্রেফতার, হয়রানির একাধিক অভিযোগ শোনা গেছে। বিশেষ করে শেখ পরিবার, মন্ত্রী, সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে সমালোচনার কারণে মামলার একাধিক অভিযোগ উঠেছিল।

কার্টুনিস্ট কিশোর আহমেদ এবং লেখক মুশতাক আহমেদকে গ্রেফতার নিয়ে সেসময় ব্যাপক সমালোচনা হয়। পরে কারাগারেই মারা যান মুশতাক আহমেদ।

সমালোচনার মুখে পরে সেটি পরিবর্তন করে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ প্রণীত হয়।

এতে কিছু ধারা বাতিল, সাজার পরিমাণ কমানো, মিথ্যা মামলা দায়ের করলে সেটি অপরাধ বিবেচনা করে শাস্তির বিধান করা হয় এতে।

একইসাথে অ-জামিনযোগ্য ধারা ১৪ টি থেকে কমিয়ে চারটি করা হয়।

কিন্তু পুলিশের কাছে বিনা পরোয়ানায় তল্লাশি ও গ্রেফতারের ক্ষমতা রাখায় এই আইনেও মানবাধিকার লঙ্ঘনের সুযোগ থাকার কথা জানায় মানবাধিকার কর্মীরা।

পরে সমালোচিত এই আইনটিও বাতিল করা হয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ বাতিল করে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ প্রণয়ণ করা হয়। সেই সময় বলা হয়েছিল মতপ্রকাশের জের ধরে আর কাউকে গ্রেফতার বা হয়রানি করা হবে না।

সরকার গঠনের আগে বিভিন্ন সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছিলেন, তাকে নিয়ে আঁকা ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন ও মিম তিনিও উপভোগ করেন।

কিন্তু সরকার গঠনের প্রায় মাস দু'য়েক পরেই হাস্যরসাত্মক কার্টুন আঁকা বা ফেসবুকে প্রকাশ বা শেয়ার করার ঘটনায় অন্তত দুইজনকে কারাগারে যেতে হয়েছে।

সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী কাজী জাহেদ ইকবাল বলছেন, এমন পরিস্থিতি জনমনে আশঙ্কা তৈরি করছে।

"বেসিকেলি যেই পরিবর্তনের আকাঙ্খা নিয়ে মানুষ পরিবর্তনটা (গণ অভ্যুত্থান) করেছে সেই পরিবর্তনটা প্রশ্নের মুখে পড়ছে। আইনটার যথাযথ ব্যবহার হচ্ছে না এবং জনমনে আশঙ্কা তৈরি করছে" বলেন মি.ইকবাল।

"সাইবার অধ্যাদেশটিকে এমনভাবে ব্যবহার ও পরিবর্তন করা দরকার যাতে এটি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়" বলেন সুপ্রিমকোর্টের এই আইনজীবী।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়