দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারকে সাধুবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রল পাম্প মালিক সমিতি।
শনিবার (১৯ এপ্রিল) রাতে এক বার্তায় এ তথ্য জানান বাংলাদেশ পেট্রল পাম্প মালিক সমিতির সদস্য সচিব মীর আহসান উদ্দিন পারভেজ।
তিনি জানান, বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির সঙ্গে দেশের বাজারে দাম সমন্বয় করায় সরকারকে সাধুবাদ জানচ্ছি। এর ফলে জ্বালানি তেলের মজুত প্রবণতা কমবে, বিক্রিতে আরও স্বচ্ছতা আসবে বলে আমরা মনে করি।
এর আগে শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের দাম বাড়িয়েছে সরকার।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই মূল্য সমন্বয়ের কথা জানানো হয়। নতুন নির্ধারিত এই দাম রোববার (১৯ এপ্রিল) থেকে সারা দেশে কার্যকর হবে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরিফ সাদেক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন দফায় প্রতি লিটার জ্বালানি তেলের দাম ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অকটেন প্রতি লিটারে ২০ টাকা বেড়ে নতুন দাম হয়েছে ১৪০ টাকা, পেট্রল প্রতি লিটার পেট্রলে ১৯ টাকা বেড়ে নতুন দাম হয়েছে ১৩৫ টাকা, কেরোসিন প্রতি লিটারে ১৮ টাকা বেড়ে নতুন দাম হয়েছে ১৩০ টাকা, ডিজেল প্রতি লিটারে ১৫ টাকা বেড়ে নতুন দাম হয়েছে ১১৫ টাকা।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নতুন এই দাম কার্যকর হওয়ার ফলে রোববার থেকে দেশের সকল ফিলিং স্টেশন ও পরিবেশক পর্যায়ে এই নির্ধারিত মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রি করতে হবে।
এর আগে গত ৩১ মার্চ মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে এপ্রিল মাসের জন্য ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এ ছাড়া কেরোসিন ১১২ টাকা, পেট্রল ১১৬ টাকা এবং অকটেন ১২০ টাকা লিটার দরে বিক্রি হয়ে আসছিল। তারও আগে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুই দফায় ২ টাকা করে জ্বালানি তেলের দাম কমানো হয়েছিল। তবে বিশ্ববাজারের পরিস্থিতির কারণে এবার বড় অংকের মূল্যবৃদ্ধির পথে হাঁটল সরকার।