শিরোনাম
◈ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫০ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা ◈ ঢাকার যানজট কমাতে ২০ বছরের মহাপরিকল্পনা, বাস্তবায়নেই যত শঙ্কা ◈ বিদ্যুৎসংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসতে চান ব্যবসায়ীরা, মিলল ৫ প্রস্তাব ◈ ছয় মাস ধরে লোকচক্ষুর আড়ালে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি, বাড়ছে রহস্য ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচন: বিদ্রোহী ঠেকাতে কঠোর বিএনপি, প্রার্থী বাছাইয়ে জনপ্রিয়তা-সততায় নজর ◈ ইরান যুদ্ধে ছয় মাসে বদলে গেছে যে ৬ সমীকরণ ◈ পশ্চিমবঙ্গে শিগগিরই ক্ষমতায় ফিরবে তৃণমূল কংগ্রেস: মমতা ◈ নেপালের আকস্মিক বন্যা: বাংলাদেশে কতটা ঝুঁকি, জানালেন বিশেষজ্ঞরা ◈ শনিবার সকাল ৮টা থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না গাজীপুরের যেসব এলাকায় ◈ হরমুজ প্রণালীতে আটকা পড়েছে ৪০০ জাহাজ-ছয় হাজার নাবিক

প্রকাশিত : ১৫ মার্চ, ২০২৬, ০৮:১২ রাত
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আইএমএফ-বিশ্বব্যাংক থেকে তেলের জন্য অর্থ যোগানের চেষ্টা করবো: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দে সরকার কোনো কার্পণ্য করবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। সেই সঙ্গে তিনি বলেছেন, এজন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ যোগানের চেষ্টা করা হবে।

রোববার (১৫ মার্চ) সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের অর্থের যোগান নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা থেকে ঋণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ড. তিতুমীর জানান, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এ মুহূর্তে সরকারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রয়োজনীয় অর্থের যোগান দিতে বিভিন্ন খাত থেকে ব্যয় কমিয়ে জ্বালানি কেনার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাগুলোর কাছ থেকেও স্বল্প সুদে ঋণ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘জ্বালানি তেলের অর্থ যোগানের জন্য আমরা যে কোনো জায়গা থেকেই চেষ্টা করবো। সেটা আইএমএফ, এডিবি বা বিশ্বব্যাংক যেখান থেকেই হোক না কেন। আমরা চেষ্টা করছি যত কম সুদে ঋণ নেওয়া যায়।’

জ্বালানির নতুন উৎস খুঁজে পেতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা।

সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির বিষয়ে তিনি বলেন, সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচিতে কোনো ধরনের রাজনীতিকরণ করা হয়নি। একইভাবে কৃষকদের জন্য দেওয়া ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণেও কোনো রাজনৈতিক প্রভাব থাকবে না। যে যোগ্য, সেই কৃষক কার্ড পাবেন। আগে এসব ক্ষেত্রে রাজনীতিকরণ করা হতো, কিন্তু এখন তা করা হবে না।

করব্যবস্থার প্রসঙ্গ তুলে ড. তিতুমীর বলেন, দেশের কর-জিডিপি অনুপাত এখনো অনেক কম, যা বিশ্বের মধ্যে অন্যতম নিম্ন। অর্থনীতির স্বার্থে এ হার বাড়ানো প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। উৎস: জাগোনিউজ24

 

  • সর্বশেষ