শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎসংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসতে চান ব্যবসায়ীরা, মিলল ৫ প্রস্তাব ◈ ছয় মাস ধরে লোকচক্ষুর আড়ালে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি, বাড়ছে রহস্য ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচন: বিদ্রোহী ঠেকাতে কঠোর বিএনপি, প্রার্থী বাছাইয়ে জনপ্রিয়তা-সততায় নজর ◈ ইরান যুদ্ধে ছয় মাসে বদলে গেছে যে ৬ সমীকরণ ◈ পশ্চিমবঙ্গে শিগগিরই ক্ষমতায় ফিরবে তৃণমূল কংগ্রেস: মমতা ◈ নেপালের আকস্মিক বন্যা: বাংলাদেশে কতটা ঝুঁকি, জানালেন বিশেষজ্ঞরা ◈ শনিবার সকাল ৮টা থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না গাজীপুরের যেসব এলাকায় ◈ হরমুজ প্রণালীতে আটকা পড়েছে ৪০০ জাহাজ-ছয় হাজার নাবিক ◈ মক্কা চুক্তিসহ বাংলাদেশের সব ঘটনার ওপর নিবিড়ভাবে নজর রাখছে ভারত ◈ আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফিরতে হলে যে শর্ত মানতে হবে, জানালেন সোহেল তাজ

প্রকাশিত : ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:২০ সকাল
আপডেট : ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:২৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ছয় মাস ধরে লোকচক্ষুর আড়ালে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি, বাড়ছে রহস্য

ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের ছয় মাস পার হলেও ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনি এখনো সাধারণ মানুষের সামনে আসেননি। দেশের এই কঠিন সময়ে রাষ্ট্রপরিচালনার দায়িত্বে থাকলেও তিনি কোথায় আছেন বা কেমন আছেন, সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট তথ্য নেই। তার এই রহস্যময় অনুপস্থিতি দেশটির রাজনীতিতে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

চলতি বছরের শুরুতে বিমান হামলায় তার বাবা ও সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি প্রাণ হারান। ওই একই হামলায় মোজতবা নিজেও গুরুতর আহত হন বলে জানা যায়। 

বাবার মৃত্যুর পরপরই তাকে ইরানের নতুন প্রধান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে কোনো ছবি, ভিডিও বা অডিও বার্তায় তাকে দেখা বা শোনা যায়নি। কেবল সরকারি টিভিতে মাঝে মাঝে তার নামে লিখিত বার্তা পড়ে শোনানো হয়। এমনকি বাবার শেষকৃত্যের মতো বড় অনুষ্ঠানেও তিনি অনুপস্থিত ছিলেন।

ইরান সরকারের পক্ষের লোকজনের দাবি, নিরাপত্তার স্বার্থেই তাকে গোপন স্থানে রাখা হয়েছে। শত্রুপক্ষ যেন তার অবস্থান শনাক্ত করে আবার আক্রমণ করতে না পারে, তাই এই সতর্কতা। তাদের মতে, মোজতবা আড়াল থেকেই বিশ্বস্ত কর্মকর্তা ও সেনাবাহিনীর সহায়তায় দেশ পরিচালনা করছেন।

কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে নেতাকে দেখতে না পেয়ে সাধারণ মানুষ ও রাজনীতিবিদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। অর্থনৈতিক সংকট ও যুদ্ধের মুখে পড়ে দিশেহারা সাধারণ মানুষ নিশ্চিত হতে পারছেন না যে তাদের নেতা আদৌ সুস্থ আছেন কি না।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ বা শান্তির মতো বড় সিদ্ধান্ত নিতে ইরানের শীর্ষ নেতার উপস্থিত থাকা জরুরি। তিনি এভাবে আড়ালে থাকলে দেশের ভেতরে ক্ষমতার দ্বন্দ্বে বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে। চরম সংকটময় এই সময়ে ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রে নেতা না থাকা দেশটির ভবিষ্যতের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সূত্র: ইকোনমিক টাইমস্।

  • সর্বশেষ