সংবিধান অনুযায়ী সংসদ আহ্বান করেছেন রাষ্ট্রপতি। এখানে সংস্কার পরিষদ বলতে কিছু নেই। জুলাই সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের বাস্তবায়নের কথা বলছে আগে সংশোধনী আনতে হবে।
রোববার (১৫ মার্চ) সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে অংশ নেয়ার আগে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, কোনো ‘সংস্কার পরিষদের’ অধিবেশন আহ্বান করেননি। আমরা এখন সাংবিধানিকভাবে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অংশ নিচ্ছি, অন্য কোনো ফোরামে নয়।
সংসদ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গত জুলাইয়ে আলোচিত ‘জাতীয় সনদ’-এর প্রসঙ্গও টেনে আনেন। তিনি বলেন, ওই সনদের আওতায় যে পরিষদের কথা বলা হচ্ছে, তার সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে ইতিমধ্যে দেশের উচ্চ আদালতে প্রশ্ন উঠেছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এই পরিষদের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে রিট করা হয়েছে এবং উচ্চ আদালত এ বিষয়ে রুল জারি করেছেন। বিষয়টি বর্তমানে বিচারাধীন থাকায় এটি নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই।
তিনি আরও জানান, কোনো বিশেষ রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রেক্ষাপটে কোনো পরিষদের কথা আসলেও যতক্ষণ পর্যন্ত তা আইনি কাঠামোয় যুক্ত না হচ্ছে, ততক্ষণ তার কোনো রাষ্ট্রীয় কার্যকারিতা থাকে না।
সালাহউদ্দিন আহমদ তার বক্তব্যে সংস্কার পরিষদ গঠনের আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন। তিনি বলেন, যদি গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে কোনো নতুন পরিষদ বা কাঠামো গঠন করতে হয়, তবে তার জন্য একটি নির্দিষ্ট সাংবিধানিক পথ অনুসরণ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সংসদে আলোচনা শেষে সংবিধান সংশোধন হলে তবেই সেটি সংবিধানে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হবে। এর বাইরে কোনো পন্থায় পরিষদ গঠন করা হলে তা অসাংবিধানিক হিসেবে গণ্য হবে।