শিরোনাম
◈ ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড কিউবা, ২০ লাখ মানুষ বিদ্যুৎহীন ফ্লোরিডায় ◈ বিএনপি যতই আন্দোলন করুক তত্ত্বাবধায়ক আর ফিরবে না: আইনমন্ত্রী ◈ পুলিশের গুলিতে মানুষের মৃত্যু অনাকাঙ্খিত, নিশ্চয়ই সব ঘটনার তদন্ত হবে: বিদায়ী আইজিপি ◈ সুচি ও অর্থনৈতিক উপদেষ্টার ৩ বছর করে কারাদণ্ড ◈ র‌্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হবে না, সংস্কার আনলে বিবেচনা করবে যুক্তরাষ্ট্র: রাষ্ট্রদূত ◈ রোহিঙ্গাদের নিয়ে বিদ্বেষমূলক প্রচারণা, ফেসবুককে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ◈ মার্কিন নাগরিকদের অবিলম্বে রাশিয়া ত্যাগের আহ্বান ◈ নাইকো দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ৮ নভেম্বর ◈ ডিম আমদানি নয়, মনিটরিং জোরদার করা হবে: কৃষিমন্ত্রী ◈ যুক্তরাষ্ট্র ক্রিকেট বোর্ডের সদস্য হলেন বাংলাদেশের নওশের প্রিন্স

প্রকাশিত : ১১ আগস্ট, ২০২২, ১১:০৭ রাত
আপডেট : ১২ আগস্ট, ২০২২, ১২:১৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নৌপরিবহন ব্যবস্থা উন্নয়নের প্রথম পথপ্রদর্শক বঙ্গবন্ধু

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

সালেহ্ বিপ্লব: নৌ পথের উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর অবদান প্রসঙ্গে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধু বুঝতে পেরেছিলেন, মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত পাকিস্তানের রেখে যাওয়া ‘খনক’ নামের একটি মাত্র ড্রেজার দিয়ে বিশাল আয়তনের অভ্যন্তরীণ নৌপথের নিয়মিত পলি অপসারণ ও নদী খনন সম্ভব নয়। বঙ্গবন্ধু তার সংক্ষিপ্ত শাসনামলে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের জন্য দু’দফায় নেদারল্যান্ডস থেকে সাতটি উন্নতমানের ড্রেজার সংগ্রহ করেছিলেন। যে গুলো এখনও বিআইডব্লিউটিএ’র বহরে যুক্ত ও সচল রয়েছে। বাসস

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু উপলব্ধি করেছিলেন, নদীমাতৃক কৃষিপ্রধান ও প্রাকৃতিক মৎস্যনির্ভর প্রিয় মাতৃভূমিকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে আত্মনির্ভরশীল করতে অমূল্য জলসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার অনস্বীকার্য। সে জন্য নদ-নদী সচল রাখা, নৌ পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও উন্মুক্ত জলসম্পদ রক্ষা করা আবশ্যক। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনসহ নানা ঝুঁকি মোকাবেলায় শত ব্যস্ততা ও প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি নদী খননে মনোযোগী ছিলেন।

বঙ্গবন্ধু সরকারের আমলে নেদারল্যান্ডস থেকে আনা জলযান বা ড্রেজারগুলো হলো- ডেল্টা-১, ডেল্টা-২, ড্রেজার-১৩৫, ড্রেজার-১৩৬, ড্রেজার-১৩৭, ড্রেজার-১৩৮ ও ড্রেজার-১৩৯। এর মধ্যে প্রথম দুটি ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধুকে শুভেচ্ছাস্বরূপ দিয়েছিল নেদারল্যান্ডস। অন্য পাঁচটি ১৯৭৫ সালে সে দেশ থেকে ক্রয় করা হয়েছিল।

জাতির পিতা বাংলাদেশের অনন্য প্রাকৃতিক সম্পদ সুন্দরবনকে নিয়েও ভাবতেন-এমনটি উল্লেখ রয়েছে সাংবাদিক আশীষ কুমার দে’র লেখা বই ‘নদী রক্ষা ও নৌখাতের উন্নয়ন: বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা’তে। তাঁর লিখিত বইয়ে বঙ্গবন্ধুর অবদান সম্পর্কে বেশ ধারণা পাওয়া যায়। দূরদর্শী নেতা বঙ্গবন্ধু সুন্দরবনের ভবিষ্যত নিয়ে উদগ্রীব ছিলেন। যেহেতু আন্তর্জাতিক সমুদ্রবন্দর মংলার সঙ্গে শিল্প ও বন্দরনগরী খুলনাসহ দেশের অন্যান্য স্থানের নৌ যোগাযোগ অপরিহার্য ছিল।

বঙ্গবন্ধু তাঁর উপলব্ধি থেকে মংলা বন্দর ও খুলনার মধ্যে বিকল্প নৌপথ সৃষ্টির উপায় খুঁজতে থাকেন। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে সেখানকার পরিস্থিতি সরজমিন পরিদর্শনে ছুটে যান তৎকালীন নৌ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী জেনারেল আতাউল গণি (এম এ জি) ওসমানী, যিনি ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি। ঢাকায় রাষ্ট্রীয় দপ্তরে বসে ওসমানীকে পাঠিয়েই দায়িত্ব শেষ করেননি বঙ্গবন্ধু। বিকল্প নৌপথ খুঁজতে পরবর্তী সময়ে নিজেও ছুটে গিয়েছিলেন মংলায়।

বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন (বিএসসি) প্রতিষ্ঠা করেন। এটি রাষ্ট্রায়াত্ত একটি বাণিজ্যিক সংস্থা। সংস্থাটির মূল কাজ এর নিজস্ব বহরে থাকা সমুদ্রগামী জাহাজ পরিচালনা করা। সমুদ্রপথে বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি এবং বাংলাদেশ থেকে বিদেশে রপ্তানির ক্ষেত্রে বিএসসি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সে সব পণ্যের একটি বড় অংশ এই সংস্থার জাহাজগুলোতে পরিবহন হয়ে থাকে। এসব কারণে বিশ্বের বিভিন্ন সমুদ্র বন্দরে এখন বিএসসির মালিকানাধীন বাংলাদেশী পতাকাবাহী জাহাজ দেখা যায়। সম্পাদনা: খালিদ আহমেদ

  • সর্বশেষ