শিরোনাম
◈ মগবাজার পেয়ারাবাগে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও চার লেন রেলপথের কাজ চলতে বাধা নেই ◈ মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস ◈ ইসরায়েলে ইনটেলের সেমিকন্ডাক্টর কারখানায় বিস্ফোরণ, ছড়িয়ে পড়েছে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ◈ স্কুলে ভর্তিতে বয়স নির্ধারণ, কোন শ্রেণিতে কত বছর হতে হবে যা জানাগেল ◈ কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব, সেক্রেটারির গাড়ি ভাঙচুর-হামলা ◈ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দুদিন ঘরবাড়ি পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ইতালি, বাংলাদেশে গড়তে চায় এমআরও হাব ◈ রাশিয়ার পর বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ খাতে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের নজর ◈ বুক কাঁপছে আতঙ্কে, তবু থামছে না জীবিকার লড়াই : জীবিকার টানে সৌদি ফিরছেন প্রবাসীরা ◈ রাত গভীর হলেই বাড়ে বিদ্যুতের চাহিদা, ৩ হাজার মেগাওয়াট যাচ্ছে কোথায়?

প্রকাশিত : ০৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৮:১২ রাত
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এবার ট্রাইব্যুনালে বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন জয়

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যাকাণ্ডে সহায়তার অভিযোগ এবার ট্রাইব্যুনালে বিচারের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আন্দোলন চলাকালে ইন্টারনেট বন্ধ করে সংগঠিতভাবে হত্যাকাণ্ডে সহায়তা করা হয় জানিয়ে প্রসিকিউশন বলছে, এ অভিযোগে শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধ তদন্ত শেষ হয়েছে।

এ ছাড়া আরেক মামলায় আনিসুল হক, সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করতে যাচ্ছে প্রসিকিউশন। এই দুজনের বিরুদ্ধে আন্দোলন দমনে কারফিউ জারি করে আন্দোলনকারীদের শেষ করে দেয়াসহ সকল হত্যাকাণ্ডের পরামর্শ দেয়ার প্রমাণ মিলেছে। সব ঠিক থাকলে বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) অথবা আগামী সপ্তাহে দুই মামলায় জয় ও পলক এবং আনিসুল ও সালমানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করবে প্রসিকিউশন। 

অভিযোগ রয়েছে, চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের হঠাৎ হঠাৎ বন্ধ করা হতো ইন্টারনেট সেবা। ১৭ জুলাই মধ্যরাত থেকে ২৮ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ ছিল মোবাইল ইন্টারনেট। এ ছাড়া ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপসহ ইন্টারনেটভিত্তিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো বন্ধ ছিল ১৩ দিন; যা স্বাভাবিক হয় ৫ আগস্ট দুপুর থেকে। যার ফলে সাধারণ মানুষ এবং আন্দোলনকারীরা যোগাযোগে অসুবিধায় পড়ে। মূলত, এটি ছিল একটি উদ্দেশ্যমূলক পদক্ষেপ। 

 

  • সর্বশেষ