শিরোনাম
◈ চট্টগ্রামে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনকালে দুর্ঘটনায় ২ সেনাসদস্য নিহত, আহত ১ ◈ বিআরটিএর অনুমতি ছাড়া স্লিপার বাস চালানো যাবে না: হাইকোর্ট ◈ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে ইসি প্রস্তুত : সিইসি ◈ পলিথিন-প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ ডেঙ্গুর প্রকোপ সেপ্টেম্বরের শেষে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ◈ দুর্গাপূজায় বাংলাদেশ থেকে ইলিশ চায় ভারত, রপ্তানির বিষয়ে ইতিবাচক সরকার ◈ ১০০ ডলার ছুঁইছুঁই তেলের দাম, বাড়তে পারে আরও ◈ বাঁধনের ওপর হামলার খবর ইতালীয় গণমাধ্যমগুলোতে, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ◈ আফ্রিকায় আশ্রয় চেয়ে আবেদন ৬০ হাজার বাংলাদেশির ◈ মার্কিন এফ-৩৫: আকাশের আধিপত্য নাকি প্রযুক্তিগত ত্রুটির বোঝা?

প্রকাশিত : ১৪ নভেম্বর, ২০২৫, ০৯:৩৯ সকাল
আপডেট : ৩১ জুলাই, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত হচ্ছেন ঢাবি ভিসি ড. নিয়াজ আহমেদ খান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার ১৫ মাস পর আবারও সুখবর পাচ্ছেন ড. নিয়াজ আহমেদ খান। ডেনমার্কে বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হতে চলেছেন তিনি। 

শুধু তিনিই নন, অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান উপদেষ্টার এসডিজি বিষয়ক দূত লামিয়া মোর্শেদ, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক বিশেষ দূত লুতফে সিদ্দিকী ও তার বোন হুসনা সিদ্দিকীকেও রাষ্ট্রদূত বানাতে চায় বলে জানা গেছে। 

এদের মধ্যে ঢাবি ভিসিকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া প্রায় শেষ। তাকে গ্রহণের জন্য ইতোমধ্যেই কোপেনহেগেনে একটি চিঠি পাঠিয়েছে সরকার। এখন শুধু ক্লিয়ারেন্স পেতে হবে তাকে। তাহলেই ডেনমার্কে বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত বনে যাবেন ড. নিয়াজ আহমেদ খান। এই ক্লিয়ারেন্স পেতে ১ থেকে ৩ মাসের মতো সময় লাগতে পারে বলে জানা গেছে।

কোপেনহেগেন ছাড়াও বিভিন্ন দূতাবাসে শিগগিরই রাষ্ট্রদূত বা হাইকমিশনার পদ শূন্য হতে চলেছে বাংলাদেশের। তালিকাটিতে আছে- সিঙ্গাপুর, হেগ, থিম্পু, ইয়াঙ্গুন এবং তেহরান। আলোচনায় থাকা বাকি তিনজন লুতফে সিদ্দিকী সিঙ্গাপুর ও হুসনা সিদ্দিকীর চাওয়া হেগে রাষ্ট্রদূত পদটি। এদিকে লামিয়া মোর্শেদ ইউরোপের কোনো দেশে রাষ্ট্রদূত হতে চাইলেও আপাতত আর কোনো দেশে পদ খালি নেই।  

তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এটা জানা গেছে যে, ওই সব স্টেশন নিয়ে আলোচনা চললেও এখনও কোনো ফাইলওয়ার্ক শুরু হয়নি।

তাদের এই রাষ্ট্রদূত হওয়ার তালিকায় চলে আসায় একাধিক বিষয়ে সমালোচনা হচ্ছে। লুতফে ও হুসনা সিদ্দিকীর বাবা আবু ইয়াহইয়া বুরহানুল ইসলাম সিদ্দিকী শেখ হাসিনার আগের আমলে পুলিশের আইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। 

এদিকে সরকারের বিবেচনায় এমন ব্যক্তিবর্গের রাষ্ট্রদূদ হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার ফলে কপাল পুড়ছে পেশাদার কূটনীতিকদের। সব মানদণ্ড পূরণ করে বেশ কিছু কূটনীতিক এখন অপেক্ষায় ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পোস্টিংয়ের। এমন সময়ে তাদের ডিঙিয়ে রাষ্ট্রদূত হতে চলেছেন কূটনীতিতে ক্যারিয়ার না গড়া ব্যক্তিরা।

সূত্র: যুগান্তর 

  • সর্বশেষ