শিরোনাম
◈ পাহাড়ি অঞ্চলে সফল আর্লি ওয়ার্নিং মডেল: আগাম সতর্কবার্তায় কমছে প্রাণহানি, ভূমিধস মোকাবিলায় নতুন আশার আলো ◈ মার্কিন ভিসা আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল ‘পাবলিক’ রাখার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস ◈ মিথ্যা কাহিনি ও জাল কাগজে অ্যাসাইলাম, হাজারো আবেদন বাতিলের হুঁশিয়ারি ◈ ট্রাম্পের অকথ্য ভাষায় গালাগাল প্রসঙ্গে নেতানিয়াহুে এবার যা বললেন ◈ মধ্যপ্রাচ্যের যে ১৪ দেশে নতুন সতর্কতা জারি করল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বি‌শ্বের নেতৃত্ব নি‌য়ে যুক্তরাস্ট্র, রা‌শিয়া ও চী‌নের ম‌ধ্যে রশি টানাটানি ◈ বিশ্বকাপের প্রস্তু‌তি, ফ্রান্স‌কে হারা‌লো আইভ‌রি কোস্ট, স্পেনকে রুখে দিলো ইরাক ◈ ৩০০ ফিটে ঝটিকা মিছিলের অভিযোগে যুবলীগ নেতা আটক ◈ রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে আবারো তলিয়ে গেছে যাত্রীবাহী বাস (ভিডিও) ◈ নতুন সতর্কতায় ‘সুপার এল নিনো’, কোন সংকটে পড়তে পারে বিশ্ব?

প্রকাশিত : ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১২:২৬ দুপুর
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সব পথ বন্ধ ভারতের: মোদির জন্য বড় ধাক্কা, ড. ইউনূসের ‘না’!

দীর্ঘদিনের সীমান্ত সমস্যা, তিস্তা জলবণ্টন নিয়ে দ্বন্দ্ব এবং বাণিজ্যিক বৈষম্যের পর এবার ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ হলো। ড. মোহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ভারতের সঙ্গে অন্তত তিনটি স্থলবন্দর পুরোপুরি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়া এক স্থলবন্দর সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে।

নীলফামারির চিলাহাটি, চুয়াডাঙ্গার দৌলতগঞ্জ এবং রাঙ্গামাটির তেগামুখ স্থলবন্দর সম্পূর্ণ বন্ধ, আর হবিগঞ্জের বালা স্থলবন্দর সাময়িক স্থগিত থাকবে। প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সভাপতিত্বে ২৮ আগস্ট অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত নিছক প্রশাসনিক খরচ কমানোর কারণে নয়, বরং এটি একটি স্পষ্ট কূটনৈতিক বার্তা। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, বিশেষত মিজোরাম ও ত্রিপুরার জন্য এই বন্দরগুলো গুরুত্বপূর্ণ রুট। এখন বিকল্প রুট খুঁজতে গিয়ে ভারতের সময় ও খরচ অনেক বেড়ে যাবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি আরও কয়েকটি বন্দর বন্ধ হয়, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। কেবল অর্থনৈতিক ক্ষতি নয়, বরং ভারতের কূটনৈতিক প্রভাবও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

ড. ইউনূস সরকারের নতুন নীতি দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে বহুমুখী আন্তর্জাতিক সম্পর্ক স্থাপনের পথে অগ্রসর হচ্ছে। চীন, রাশিয়া, তুরস্ক, মধ্যপ্রাচ্য ও পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা হচ্ছে। পাশাপাশি পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ নতুন কৌশলগত বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মোদির জন্য এটি বড় ধাক্কা। ঘরোয়া রাজনৈতিক চাপের মধ্যেই প্রতিবেশী বাংলাদেশকে হাতছাড়া হওয়া ভারতের জন্য এক বড় কূটনৈতিক ব্যর্থতা হিসেবে ধরা যেতে পারে। বাংলাদেশের বার্তা স্পষ্ট: দেশের স্বার্থ আগে, ভারতের সুবিধা পরে। সূত্র: জনকণ্ঠ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়