শিরোনাম
◈ বারণ করলে উল্টো হুমকি দেন যাত্রীদের স্বজনরা : শাহজালাল বিমানবন্দরে শৃঙ্খলা ফেরাতে অসহায় প্রশাসন ◈ তিস্তা প্রকল্প ও লালমনিরহাট বিমানঘাঁটি ইস্যুতে নড়েচড়ে বসেছে দিল্লি ◈ নারী কাবাডিতে নেপালের বিরু‌দ্ধে বাংলাদেশের উড়ন্ত সূচনা, জাইমা রহমানের উচ্ছ্বাসে ভাসল স্টেডিয়াম ◈ খেতাবপ্রাপ্ত ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতার নতুন হার নির্ধারণ ◈ দীর্ঘ ৪৪ বছরের পলাতক জীবন, যেভাবে ধরা পড়লেন জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার পলাতক আসামি মোজাফফর ◈ জ্বালানি আমদানি কমাতে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা ◈ চাকরির নামে মানবপাচার, কম্বোডিয়ায় সাইবার দাসত্বের শিকার বাংলাদেশিরা ◈ শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স খুলতেই বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ ভিসার নামে ৫০ কোটি টাকা প্রতারণা, শত শত শিক্ষার্থীর স্বপ্নভঙ্গ ◈ বন্যাদুর্গতদের পাশে সরকার, সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১২ জুন, ২০২৪, ১০:৫১ রাত
আপডেট : ১২ জুন, ২০২৪, ১০:৫১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাজেটে মুদ্রাস্ফীতি টেনে ধরা হয়েছে, এটা জনবান্ধবমুখী: তথ্য ও সম্প্রচার  প্রতিমন্ত্রী

মনিরুল ইসলাম: [২] তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত জাতীয় সংসদে  বলেছেন, বাজেটে সাধারণ মানুষের জন্য সহায়তার হার বাড়ানো হয়েছে।  

[৩] বুধবার  রাতে জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

[৪] তিনি বলেন, । বাজেটে সাধারণ মানুষের জন্য সহায়তার হার বাড়ানো হয়েছে, শিক্ষা স্বাস্থ্য খাতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাজেটে যাদের আয় যত বেশি তাদের করারোপ বেশি এবং যাদের আয় কম তাদের কর কম করা হয়েছে। করের আওতা বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।প্রতি বছর বাজেট ১২-১৪ শতাংশ বাড়ে, কিন্তু এবার আমরা দেখলাম প্রধানমন্ত্রী-অর্থমন্ত্রী বাজেট ৬ শতাংশ বাড়িয়েছেন। এর কারণ সঞ্চয়মুখী পদক্ষেপ নেওয়া।

[৫] প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০২১-২২ এবং ২৩ সালে শুধুমাত্র জ্বালানি খাতে সরকারকে অতিরিক্ত সাড়ে ১৪ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে হয়েছে। করোনা যদি না আসতো, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ যদি না হতো, তাহলে এ জ্বালানি বাবদ যে সাড়ে ১৪ বিলিয়ন ডলার তা কিন্তু আমাদের রিজার্ভে থাকতো। কোভিড আসার আগে শেখ হাসিনা সরকার ধারাবাহিকভাবে যে উন্নয়ন ঘটিয়েছেন সে সময় অর্থনীতি যে ভালো অবস্থানে ছিল যার ফলে আমরা কিন্তু কোভিডের পর এ অতিরিক্ত খরচ সামলাতে সক্ষম হয়েছি।

[৬] তথ্য প্রতিমন্ত্রী বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের তৈরি মিথের কথা উল্লেখ করে বলেন, এ বাজেট নিয়ে তারা বলেন ‘ঋণ করে ঘি খাওয়ার’ মতো বিষয়। কিন্তু তা নয়, এ বাজেটে ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি রাখা হয়েছে সেটি বিদেশি ও দেশি উৎস থেকে ঋণ করা হবে, সেটি কিন্তু আমাদের জিডিপির ৪ দশমিক ৬ শতাংশ। ৫ শতাংশের মধ্যে যদি থাকে তাহলে কিন্তু তা বিলো স্ট্যান্ডার্ড। আমেরিকা কিন্তু জিডিপির ৬ শতাংশের ওপরে ঋণ করছে। আমাদের ঋণ সহনীয় মাত্রায় আছে।

[৭] তিনি বলেন, ২০০৮-০৯ সালে ৩৮ বিলিয়ন ডলার, এখন বাড়তে বাড়তে ১৪৯ বিলিয়ন ডলার হয়ে গেছে। ২০০৮-০৯ সালে জিডিপিও আকার ছিল ১১০ বিলিয়ন ডলার। এখন ১৪৯ বিলিয়ন ডলার ঋণ, আর ৪২০ বিলিয়ন ডলার জিডিপির আকার। ৪২০ বিলিয়ন ডলার জিডিপি থাকা সত্তেও যদি এ ঋণ আমরা না করি তাহলে উন্নয়ন থেকে জনগণকে বঞ্চিত করা হবে।

[৮] খেলাপি ঋণের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের বিরোধী দলের এমপিরা বলেন,  খেলাপি ঋণ ছিল ২০ হাজার ৯৮ কোটি টাকা। তারা বলছেন, এখন তা হয়ে গেছে ১ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকা, দুটোই সত্যি কথা। কিন্তু এখন যেটা বলা হলো না-সেটা হলো তখন কত টাকা ঋণ ডিসবাসমেন্ট হয়েছিল আর এখন কত টাকা হয়েছে? সেটা কিন্তু বলা হলো না।

[৯] তিনি বলেন,খেলাপি ঋণ ছিল ২০ হাজার ৯৮ কোটি টাকা, তখন ঋণ ডিসবাসমেন্ট ছিল ১ লাখ ৫২ হাজার ১৫৭ হাজার কোটি টাকা। তখন খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১৩ শতাংশের ওপরে ছিল। কিন্তু এখন যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ তার বিপরীতে ঋণ ডিসবাসমেন্টের পরিমাণ ১১ শতাংশের নিচে। সম্পাদনা: সমর চক্রবর্তী

এসবি২

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়