শিরোনাম
◈ নুসরাত হত্যা মামলায় ১৬ আসামির ডেথ রেফারেন্সের রায় আজ ◈ দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ৮ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস ◈ দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতুসহ পাঁচ বছরে ৫০০ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের ◈ তারেক রহমানের সফর অনিশ্চিত, কোন পথে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক? ◈ বাংলা কিউআরে দৈনিক লেনদেনে বড় লাফ ◈ ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি বিক্রির বিজ্ঞাপন হ্যাকারদের, ডলার দাবি ◈ হাদি হত্যাকাণ্ড: পরিকল্পনা থেকে দেশত্যাগ, তদন্তে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ অতিরিক্ত আইজিপি হলেন পাঁচ কর্মকর্তা ◈ জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ চিনিতে লোকসান গুনেও অ্যালকোহলে ১৬৫ কোটি টাকা মুনাফা কেরুর

প্রকাশিত : ২০ মে, ২০২৬, ০৮:২৬ রাত
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অনিয়মিত ঘুমে বাড়ছে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি

পর্যাপ্ত ঘুম কেবল ক্লান্তিই দূর করে না, বরং হৃদযন্ত্রের সুরক্ষায় এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে শুধু ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানোই যথেষ্ট নয়; ঘুম নিয়মিত না হওয়া, রাতে দেরি করে ঘুমানো এবং প্রয়োজনের তুলনায় কম বা বেশি ঘুমানো হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকসহ অন্যান্য হৃদরোগের বড় ঝুঁকি তৈরি করে থাকে। সে কারণে সুস্থ হৃদযন্ত্রের জন্য ঘুমের সময়সূচিতে অনিয়ম বা ‘স্লিপ ইরেগুলারিটি’ হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। 

প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং পর্যাপ্ত গভীর ঘুম নিশ্চিত করা ভীষণ জরুরি। কারণ প্রতিদিন ৬-৮ ঘণ্টা ঘুমাচ্ছেন। ঘুমের দৈর্ঘ্য নিয়ে কোনো আপস পছন্দ নয় আপনার। কিন্তু তবু শরীরের প্রদাহ কমছে না, ক্লান্তি জমে রয়েছে এবং উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন। আসলে ঘুমের দৈর্ঘ্যে নয়, ভুল থেকে যাচ্ছে ঘুমের সময়ে। আর সেখান থেকেই হার্টের মতো অঙ্গে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে। ঘুমের নির্দিষ্ট সময় না থাকা মানে, আপনার শরীরের ওপর অত্যাচার করার সমান।

রাত জেগে সিরিজ দেখা। একদিন রাত ১০টায় ঘুমান তো আরেক দিন রাত ২টায়— এখনকার ব্যস্ত জীবনে অনিয়মিত ঘুম যেন খুব সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকেই ভাবেন, ঘুমের সময় একটু এদিক-সেদিক হওয়ায় বড় কোনো ক্ষতি হয় না। কিন্তু তা ঠিক নয়। এ বিষয়ে চিকিৎসকরা বলেন, এ অভ্যাসই নীরবে ক্ষতি করতে পারে আপনার হৃদযন্ত্র।

অনিয়মিত ঘুমের সময়সূচি খুবই ক্ষতিকারক। প্রতিদিন আলাদা সময়ে শুতে যাওয়া এবং ওঠার অভ্যাস শরীরের সার্কাডিয়ান রিদম বা প্রাকৃতিক জৈবঘড়ির ভারসাম্যকে নষ্ট করে দেয়। এ ছন্দই আসলে নিয়ন্ত্রণ করে হৃৎস্পন্দন, রক্তচাপ ও হরমোন ক্ষরণকে। আর সেই ছন্দেই যদি পতন ঘটে, তাহলে তার প্রভাব আপনার শরীরে পড়বেই। 

ঘুমের সময় নিয়মিত বদলাতে থাকলে শরীরে কর্টিসল বা স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা বাড়তে পারে। রক্তচাপ রাতে স্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ার কথা, কিন্তু এই অনিয়মের ফলে তা-ও বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে হার্ট ও রক্তনালির ওপর চাপ বাড়তে থাকে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, ঘুমের সময় নির্দিষ্ট করবেন কোন উপায়ে—

১. প্রথমে ঘুমের সময়টি নির্দিষ্ট করুন। কখন ঘুমাতে যাবেন, কখন উঠবেন এবং সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা করে নিন নিজের কাজের ভিত্তিতে।

২. ঘুমাতে যাওয়ার জন্যও অভ্যাস তৈরি করুন। অনেক সময় ঘড়ি এগিয়ে যায়, আপনি শুতেও ভুলে যান সিনেমা কিংবা বইয়ের বদৌলতে অথবা কাজের চাপে। সে ক্ষেত্রে ঘড়িতে রিমাইন্ডার দিতে পারেন। যখনই আপনার ফোন আপনাকে ঘুমাতে যাওয়ার কথা মনে করাবে, আপনাকে যে কোনো ডিভাইস বা বই ছেড়ে শুয়ে পড়তে হবে। ঘুম না এলেও বিশ্রামের আবহ তৈরি করা দরকার। ঠিক তেমনি ঘুম থেকে ওঠার জন্য আপনার ঘড়িতে অ্যালার্ম দিয়ে রাখুন।

৩. ঘুমানোর প্রায় ৩০ মিনিট আগেই ফোন বা ল্যাপটপের স্ক্রিন থেকে চোখকে দূরে রাখুন। নয়তো ব্লু-লাইট মেলাটোনিন উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

৪. সন্ধ্যার পর ক্যাফিন সেবনের পরিমাণ কমানো দরকার। তাহলে ধীরে ধীরে ঘুমের সময় এগিয়ে আসতে পারে। ঘুমে ব্যাঘাত ঘটার ঝুঁকি কমতে পারে।

সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ