শিরোনাম
◈ আমি গু.লি করিনি আমাকে গু.লি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এএসআই (ভিডিও) ◈ সংসদে ১২টি বিল পাস ◈ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইন, ৩ দিন অফলাইনে ক্লাস: শিক্ষামন্ত্রী ◈ যুদ্ধের প্রভাবে টিকে থাকার লড়াইয়ে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা! ◈ আবাসন খাতে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ চায় রিহ্যাব, এনবিআরের ‘না’ ◈ চাহিদা মেটাতে ১১ কার্গো এলএনজি আমদানি করছে সরকার ◈ গত দুদিনে দুবার দাম বাড়ার পর আজ আবার কমেছে স্বর্ণের দাম! ◈ এডহক ক‌মি‌টির সদস‌্যদের ম‌ধ্যে বণ্টন হলো বিসিবির স্ট্যান্ডিং কমিটি, কে পেলেন কোন দায়িত্ব ◈ বাংলা‌দেশ-ভারত সম্প‌র্কে অস্ব‌স্তির কারণ হ‌তে পা‌রে আওয়ামী লীগ! ◈ বিদেশি তারকাদের তুলোধোনা, আই‌পিএ‌লে দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সু‌নিল গাভাস্কার

প্রকাশিত : ০৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৮ দুপুর
আপডেট : ০৯ এপ্রিল, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শজনে নাকি লাজনা—দেখতে প্রায় একই হলেও খাওয়ার আগে জেনে নিন আসল পার্থক্য

উদ্ভিদবিদ ও গবেষক জিনিয়া নাসরিন বলেন, ‘শজনেকে যেমন কোথাও শজিনা বা মরিঙ্গা হিসেবে ডাকা হয়, অঞ্চলভেদে লাজনাকেও রাইখঞ্জন বা বহুপল্লভা বলে চেনেন কেউ কেউ। দেখতে প্রায় একই রকম হলেও এদের পার্থক্য আছে।’

প্রধান পার্থক্যগুলো

গাছের উচ্চতা ও গঠনগত পার্থক্য

শজনে: দেশি শজনেগাছ সোজা ও লম্বা হয়, যা প্রায় ১০-১২ মিটার বা তারও বেশি উঁচু হতে পারে। এর ডালপালাও ওপরের দিকে বিস্তৃত হতে থাকে।

লাজনা: এটি মূলত একটি ঝোপালো বা বামন প্রজাতির গাছ। এর উচ্চতা সাধারণত ৪-৬ মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। ফলে এর রক্ষণাবেক্ষণ এবং ফল সংগ্রহ করা অনেক সহজ।

কাণ্ড ও ডালপালার বৈশিষ্ট্য

শজনে: শজনের কাণ্ড শক্ত, বাকল বা ছাল কিছুটা মসৃণ ও পাতলা হয়। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে এটি বেশ মজবুত কাষ্ঠলগাছে পরিণত হয়। শজনের ডাল কেটে মাটিতে পুঁতে দিলেই নতুন গাছ জন্মে। শজনের চাষ হয় সাধারণত ডাল রোপণের মাধ্যমে।

লাজনা: লাজনার কাণ্ড কিছুটা নরম ও মোটা হয়। খুব দ্রুত বাড়ে কিন্তু সাধারণত শজনের মতো অতটা শক্তপোক্ত হয় না। শজনের মতো লাজনাগাছও ডাল থেকে চারা করা যায়। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বীজ থেকে চাষ করা হয় লাজনা।

ফুল ও ফলনের সময়

শজনে: শজনে মৌসুমি ফলনের গাছ। বছরে একবার (বসন্তের শেষ দিকে) ফুল আসে এবং একবারই ফল (ডাঁটা) দেয়। ফুলের রং সাদাটে বা অফ হোয়াইট। গাছে ফুল আসার সময় সব পাতা ঝরে যায়। ফুল থেকে ফল হয়েও তা পাতাশূন্য গাছেই ঝুলতে থাকে।  

লাজনা: বারোমাসি জাত হিসেবে পরিচিত। বছরে কমপক্ষে দুইবার (ক্ষেত্রবিশেষে সারা বছর) ফুল ও ফল দেয়। লাজনাগাছের ফুল সাজনার ফুলের চেয়ে আকারে ছোট হয়। এর রং গাঢ় ঘিয়ে।

লাজনা ফুলের পাপড়িতে লাল রঙের দাগ দেখা যায়, যা শজনের ফুলে থাকে না। ফুল এলেও লাজনাগাছের পাতা ঝরে না বললেই চলে। গাছে সারা বছরই পাতার দেখা পাওয়া যায়।

লাজনা রোপণের মাত্র ৬-৮ মাসের মধ্যেই এতে ফলন আসতে শুরু করে। যেখানে শজনে গাছ রোপণের পর ২ বছরের মতো সময় লাগে ফলন আসতে।

ডাঁটার স্বাদ ও আকার

শজনে: এর ডাঁটা কিছুটা চিকন, পাতলা এবং লম্বায় এক ফুটেরও বেশি হয়। শজনের ডাঁটা অনেক বেশি আঁশযুক্ত ও সুস্বাদু। ডাঁটা শুরু থেকে পোক্ত হওয়া পর্যন্ত একদম সবুজ সতেজ থাকে। ডাঁটাও হয় সোজা গড়নের।

লাজনা: লাজনার ডাঁটাগুলো বেশ খাটো এবং মাংসল হয়। অনেকের মতে, শজনের তুলনায় লাজনা কিছুটা কম সুস্বাদু। কখনো কখনো লাজনা কিছুটা তেতো স্বাদ টের পাওয়া যায়।

ডাঁটার রং কিছুটা ধূসর–সবুজ, তুলনামূলক মোটা আর হালকা বাঁকা গড়নের। ডাঁটার ভেতরের অংশ নরম হলেও বাইরের চামড়া বেশ শক্ত হয়।

তবে দুটিরই ঔষধি গুণ অনেক। বসন্তের বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্ত রাখে শজনে ও লাজনা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়