ত্বকের সুরক্ষায় অনেকেই সানস্ক্রিন ব্যবহার করে থাকে। যদিও মেয়েদের তুলনায় ছেলেরা এর ব্যবহার কিছুটা কমই করে থাকে। কিন্তু ত্বকের যত্নে সানস্ক্রিনের গুরুত্ব অপরিহার্য। শীতকাল হোক বা গরমকাল, রোদকে উপেক্ষা করে দৈনন্দিন কাজে বাইরে বের হতেই হয়। শরীর চাঙ্গা রাখতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময়ে ব্যাগে পানির বোতল, ছাতা, রুমাল, সানগ্লাস রাখতেই হবে। অনেকেই চিকিৎসকের পরামর্শে এই কাজটি করে থাকে।
কিন্তু শরীরের যত্ন নিলেও ত্বকের প্রতি অবহেলা করছেন না তো? শীত-গ্রীষ্ম হোক কিংবা বর্ষা, ব্যাগে সানস্ক্রিন রাখার ক্ষেত্রে ভুলে গেলে কিন্তু চলবে না। সারা বছর বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় প্রসাধনী ব্যবহার করুন আর নাই করুন, সানস্ক্রিন মাখতেই হবে।
মানুষের ত্বকের জন্য সানস্ক্রিন কতটা জরুরি? এ বিষয়ে চিকিৎসকের মতামত, সানস্ক্রিন অনেকেই ব্যবহার করেন না। অথচ ত্বক ভাল রাখার ক্ষেত্রে এই প্রসাধনীটি ব্যবহার করা ভীষণ জরুরি। কেবল মেয়েদেরই নয়, ছেলেদেরও মেনে চলতে হবে এই নিয়ম। সানস্ক্রিন কেবল ট্যান পড়ার হাত থেকেই রেহাই দেয়, এমন নয়। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ইউভিএ এবং ইউভিবি-র ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে রক্ষা করাই কিন্তু সানস্ক্রিনের মূল কাজ। সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে ত্বকের ক্যানসারের ঝুঁকি কমে, এছাড়া ত্বকে অকালে বয়সের ছাপও পড়ে না।
সাধারণত অনেকেই বাইরে যাওয়ার সময় খুব ভাল করে সানস্ক্রিন মেখে নেন। এরপর আর ব্যবহার করেন না। সারাদিন আর ব্যবহারের প্রয়োজনও বোধ করেন না। কিন্তু একবার মাখার পর সানস্ক্রিন ঠিক কতক্ষণ কাজ করে সেটা কি জানেন? এ প্রসঙ্গে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের মতামত, একবার সানস্ক্রিন মাখার পর তা মাত্র দুই ঘণ্টা ঠিকঠাকভাবে কাজ করে। তার পরেই সানস্ক্রিন গলতে শুরু করে, এর কার্যকারিতাও কমে যায়। খুব ভাল হয়, যদি প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর সানস্ক্রিন মাখা যায়। তবে বাইরে বের হওয়ার পর এমনটা অনেক সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাই ব্যাগে সানস্ক্রিন নিয়ে চলাই ভাল। যেন বারবার মুখ ধোয়া সম্ভব না হলে সময় পেলে সানস্ক্রিনের উপরেই আবার সানস্ক্রিন মেখে নেওয়া যায়।