শিরোনাম
◈ উচ্চ শিক্ষায় বিদেশযাত্রার ক্ষেত্রে টাকার বি‌নিম‌য়ে ভুয়া ব্যাংক স্টেটমেন্টের জমজমাট ব্যবসা! ◈ ভেনিসে বাঁধনের ওপর হামলা: জড়িতদের ছাড় নয়, কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা সরকারের ◈ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের সরকারি ভ্রমণ ব্যয়ে নতুন নির্দেশনা, বিল দাখিলে মানতে হবে ৭ শর্ত ◈ শাহজালাল বিমানবন্দরে পণ্য চুরি: ভারতের একটি কারাগারে বন্দি আমদানিকারক, নেপথ্যে কারা? (ভিডিও) ◈ হারানো সরকারি অস্ত্রের তথ্য দিলেই  মিলবে পুরস্কার ◈ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ ◈ আ.লীগের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আস্ফালন মেনে নেওয়া যায় না: রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ◈ বাজার স্থিতিশীল রাখতে সুগন্ধি চাল রপ্তানির কোটা ৫০ শতাংশ কমাল সরকার ◈ সড়ক দুর্ঘটনায় সৌদি আরবে ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু ◈ বদলাচ্ছে না শাহজালাল বিমানবন্দরের নাম, ১৬ ডিসেম্বর চালু হচ্ছে থার্ড টার্মিনাল

প্রকাশিত : ২৯ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:৪৪ দুপুর
আপডেট : ০৫ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পেয়ারা ‘সুপারফ্রুট’ হলেও কাদের জন্য বাড়তি সতর্ক থাকা জরুরি?

পেয়ারা একদিকে যেমন সুস্বাদু, অন্যদিকে তেমনই পুষ্টিতে ভরপুর। কম ক্যালোরি, প্রচুর ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি সব মিলিয়ে এই ফলটিকে বলা হয় ‘সুপারফ্রুট’। কাঁচা, পাকা, চাটনি, জ্যাম নানা রূপে খাওয়া যায় পেয়ারা। শুধু ফলই নয়, এর পাতা পর্যন্ত শরীরের জন্য উপকারী বলে গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে। নিয়মিত পেয়ারা বা পেয়ারা পাতার নির্যাস খেলে হজমশক্তি ভালো হয়, হৃদস্বাস্থ্য উন্নত হয়, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে।

কিন্তু সবার শরীর একরকম নয় এ ফলের কিছু উপাদান অনেকের জন্য বিরূপ প্রতিক্রিয়াও তৈরি করতে পারে। তাই প্রশ্নটা জরুরি কারা পেয়ারা খেতে গিয়ে বাড়তি সতর্ক থাকবেন?

পেয়ারাতে কী আছে?

এক পরিবেশন পেয়ারায় থাকে মাত্র ১১২ ক্যালোরি, প্রায় ২৩ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট এবং প্রায় ৯ গ্রাম ফাইবার। ফ্যাট থাকে মাত্র ১.৬ গ্রাম, আর প্রোটিন থাকে প্রায় ৪ গ্রাম যা অনেক ফলের তুলনায় বেশি।

এতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, বিটা ক্যারোটিন এবং ফোলেট। কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের কারণে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও এই ফলটি অনেক ক্ষেত্রে উপকারী।

কারা পেয়ারা খেতে সতর্ক থাকবেন?

১. যাদের পেট ফোলার সমস্যা আছে

পেয়ারায় প্রচুর ভিটামিন সি এবং ফ্রুক্টোজ থাকে। শরীর একসঙ্গে এর অতিরিক্ত অংশ শোষণ করতে না পারলে পেট ফাঁপা, গ্যাস ও অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। প্রায় ৪০% মানুষ ফ্রুক্টোজ–ম্যালঅ্যাবজর্পশন সমস্যায় ভোগেন ফলে অন্ত্রে ফ্রুক্টোজ জমে গিয়ে পাকস্থলীতে অস্বস্তি তৈরি হয়।
বিশেষ করে যাঁরা পেয়ারা খেয়ে সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়েন, তাঁদের ক্ষেত্রে সমস্যা বেশি দেখা যায়।

২. ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম (আইবিএস) রয়েছে যাদের

ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য কমালেও অতিরিক্ত পেয়ারা খেলে ডায়রিয়া, ব্যথা ও পেট মোচড়ানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। আইবিএস রোগীদের তাই পরিমাণে নিয়ন্ত্রণ রেখে পেয়ারা খাওয়া উচিত।

৩. ডায়াবেটিস রোগী

কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স থাকায় পেয়ারা নিরাপদ মনে হলেও, ১০০ গ্রাম পেয়ারায় প্রায় ৯ গ্রাম প্রাকৃতিক চিনি থাকে। অতিরিক্ত খেলে রক্তশর্করা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি আছে। তাই ডায়াবেটিস রোগীরা পেয়ারার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখবেন এবং খাওয়ার পর ব্লাড সুগার পর্যবেক্ষণ করবেন।

কখন ও কতটা পেয়ারা খাওয়া ভালো?

দিনে একবার পরিমিত পরিমাণে পেয়ারা খাওয়া অধিকাংশ মানুষের জন্য উপকারী। খাবারের মধ্যবর্তী সময়ে বা ব্যায়ামের আগে–পরে খেলে বাড়তি শক্তি মেলে। তবে রাতে পেয়ারা বা ঠান্ডা প্রকৃতির ফল খাওয়া অনেকের ক্ষেত্রে সর্দি–কাশি বাড়াতে পারে তাই রাতে না খেলেই ভালো।

পেয়ারা পুষ্টিতে ভরপুর তবে শরীরের সঙ্গে মানানসই কি না, সেটি বুঝে খাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

সূত্র: জনকণ্ঠ

  • সর্বশেষ