শিরোনাম
◈ রফতানিতে ধাক্কা, কারখানায় আগুন: কতটা ক্ষতিগ্রস্ত পোশাকশিল্প? ◈ পর্যাপ্ত মজুতের পরও সার নিয়ে বিপাকে কৃষকরা ◈ সাজেকে ১৪ দিনের অবরোধে চরম খাদ্যসংকট, পর্যটন ও পরিবহন খাতে শতকোটি টাকার ক্ষতির শঙ্কা: সমাধান করবে কে? ◈ শ্রমিক আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত বল প্রয়োগ নয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ ◈ জিগাতলায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১৮৪ ফ্ল্যাট নির্মাণের উদ্যোগ ◈ গাছতলায় ফেলে যাওয়ার ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ, ৯৫ বছরের বাবাকে বাড়িতে নিলেন বড় ছেলে ◈ কিশোরগঞ্জে জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ছেলেকে ছুরিকাঘাত ◈ ১২ দেশে কর্মী পাঠাতে মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক, ছাড়পত্রে সরকারের কঠোর নির্দেশনা ◈ ৭ নভেম্বরের শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পায়ে হেঁটে মানিকমিয়া এভিনিউ পর্যন্ত যাবেন ◈ জানুয়া‌রি‌তে বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ?

প্রকাশিত : ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ০৬:৫৯ সকাল
আপডেট : ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ০৬:৫৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মাগরিবের আজানের সময় দরজা বন্ধ ও শিশুদের ঘরে রাখতে বলা হয়েছে কেন?

মাগরিবের আজানের সময় ঘরের দরজা-জানালা খোলা রাখলে মারাত্মক কিছু ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। মাগরিবের সময় দরজা জানালা বন্ধ করাকে অনেকে সামাজিক প্রথা বলে চালিয়ে দেয়। আসলে এটি কোন সামাজিক প্রথা নয়। এটি মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেশকিছু হাদিসের মধ্যে বলে গেছেন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আজ পর্যন্ত যা যা বলে গেছেন সেগুলো অবিশ্বাস করার কোন সুযোগ নেই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বলে যাওয়া বিভিন্ন হাদিসের মধ্যে উঠে এসেছে যে- মাগরিবের আজানের সময় যখন মসজিদের মাইকে মুয়াজ্জিনের কণ্ঠে আজানের ধ্বনি উচ্চারিত হয় তখন সেই শব্দ শয়তানদের খুবই বিচলিত করে ফেলে। সেই সময় শয়তান আশ্রয় খোঁজার জন্য এদিক ওদিক ছোটাছুটি করে এবং আশ্রয় খুঁজতে শুরু করে। তখন যদি কোন মুসলিমের ঘরের দরজা খোলা থাকে তারা তৎক্ষণাৎ সেখানে প্রবেশ করে। কারণ, আল্লাহর নাম নিয়ে বন্ধ করা দরজা শয়তান খুলতে পারে না।

এছাড়াও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাগরিবের আজান দেয়ার আগেই ছোট বাচ্চাদেরকে নিজ ঘরে ফেরত যেতে বলেছেন কেননা মাগরিবের আজানের পরে দিনের আলো ফুরিয়ে রাতের অন্ধকার শুরু হয় এবং রাতের অন্ধকারে জিনের চলাচল বেড়ে যায় এক্ষেত্রে সেই সকল শিশুরা অরক্ষিত হয়ে থাকে কেননা জিনেদের মধ্যে দুই প্রকার জিন থাকে- ভালো জিন এবং দুষ্ট জিন। দুষ্ট জিনরা সবসময় কোনো না কোনোভাবে মানবজাতির ক্ষতি করার জন্য উঠেপড়ে লাগে এক্ষেত্রে অবুঝ শিশুরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে।

  • সর্বশেষ