শিরোনাম
◈ এক বছরে নতুন করে দরিদ্র বেড়েছে প্রায় ২১ লাখ বাংলাদেশি, চাকরি হারাচ্ছেন নারীরা ◈ সরকারি কলেজের বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের বদলি-পদায়ন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত, জারি নতুন নির্দেশনা ◈ প্রতিটি শিশুর প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সৃজনশীলতার সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে জোর করে পদত্যাগে স্বাক্ষরের অভিযোগ ◈ ভিসা আবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য না দিলে অযোগ্য হতে পারেন: মার্কিন দূতাবাস ◈ ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টে নতুন নির্দেশনা, জেনে নিন বুকিংয়ের নিয়ম ◈ খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মেট্রোরেল লাইনে কুকুর ঢুকে বন্ধ ট্রেন চলাচল, পরে স্বাভাবিক ◈ ২০২৭ সাল থেকে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে ৪ নতুন বিষয়: শিক্ষামন্ত্রী ◈ হঠাৎ দিল্লি গেছেন দীনেশ ত্রিবেদী

প্রকাশিত : ০৫ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:৪৪ রাত
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নামাজের প্রথম রাকাতে সুরা নাস পড়লে কী করবেন? ব্যাখ্যা দিলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

নামাজ আদায়ের সময় সুরা পাঠের ধারাবাহিকতা নিয়ে অনেকের মধ্যেই প্রশ্ন থাকে। বিশেষ করে ভুলবশত বা অসাবধানতায় যদি প্রথম রাকাতেই শেষ সুরা ‘নাস’ পড়ে ফেলা হয়, তখন পরবর্তী রাকাতে কী করা উচিত—এ নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকে।

সম্প্রতি এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ।

এক অনুসারীর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যদি কেউ প্রথম রাকাতে সুরা ফাতিহার পর ভুলবশত বা এমনকি ইচ্ছাকৃতভাবেও সুরা নাস পড়ে ফেলেন, তাহলে দ্বিতীয় রাকাতে কী পড়বেন—এটাই মূল প্রশ্ন। কারণ সুরা নাস কুরআনের শেষ সুরা, এর পরে আর কোনো সুরা নেই।

এ প্রসঙ্গে শায়খ আহমাদুল্লাহ ব্যাখ্যা করেন, কুরআনের সুরাগুলোর ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নামাজ পড়া সুন্নাহ। অর্থাৎ সাধারণভাবে আগে সুরা ফালাক পড়লে পরে সুরা নাস পড়া উচিত। কিন্তু যদি উল্টো হয়ে যায়, অর্থাৎ প্রথম রাকাতেই সুরা নাস পড়ে ফেলা হয়, তাহলে দ্বিতীয় রাকাতে আবারও সুরা নাস পড়াই উত্তম।

Advertisement

তিনি আরও বলেন, এতে কোনো গুনাহ হবে না—বিশেষ করে যদি এটি অনিচ্ছাকৃতভাবে ঘটে। তবে কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে এমন করেন, তাহলে তা মাকরুহ (অপছন্দনীয়) হবে। তবু নামাজ আদায় হয়ে যাবে, যদিও তা কিছুটা ত্রুটিপূর্ণ হিসেবে গণ্য হবে।

শায়খ আহমাদুল্লাহর মতে, দ্বিতীয় রাকাতে সুরা নাস না পড়ে অন্য কোনো সুরা—যেমন সুরা ফালাক—পড়লেও নামাজ সহিহ হবে। তবে সুন্নাহ অনুযায়ী সুরার ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই উত্তম।

সবশেষে তিনি বলেন, ভুলবশত হয়ে গেলে চিন্তার কিছু নেই। তবে সচেতনভাবে নামাজ আদায়ের সময় সুরার ক্রম বজায় রাখার চেষ্টা করা উচিত।

  • সর্বশেষ