শিরোনাম
◈ এক বছরে নতুন করে দরিদ্র বেড়েছে প্রায় ২১ লাখ বাংলাদেশি, চাকরি হারাচ্ছেন নারীরা ◈ সরকারি কলেজের বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের বদলি-পদায়ন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত, জারি নতুন নির্দেশনা ◈ প্রতিটি শিশুর প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সৃজনশীলতার সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে জোর করে পদত্যাগে স্বাক্ষরের অভিযোগ ◈ ভিসা আবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য না দিলে অযোগ্য হতে পারেন: মার্কিন দূতাবাস ◈ ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টে নতুন নির্দেশনা, জেনে নিন বুকিংয়ের নিয়ম ◈ খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মেট্রোরেল লাইনে কুকুর ঢুকে বন্ধ ট্রেন চলাচল, পরে স্বাভাবিক ◈ ২০২৭ সাল থেকে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে ৪ নতুন বিষয়: শিক্ষামন্ত্রী ◈ হঠাৎ দিল্লি গেছেন দীনেশ ত্রিবেদী

প্রকাশিত : ২১ মার্চ, ২০২৬, ০৭:৩৮ সকাল
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যেভাবে সঠিক নিয়মে পড়বেন ঈদের নামাজ

মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। ঈদের নামাজ আদায় করা ওয়াজিব। বছরে দুই বার ঈদের নামাজ পড়ার কারণে অনেকেই নামাজ পড়ার নিয়ম ভুলে যান। তাই ঈদের নামাজের নিয়ম তুলে ধরা হলো-

নামাজের নিয়ত

মনের ইচ্ছাই মূলত নিয়ত। নামাজে দাঁড়ানোর সময় যখন মনে থাকে যে আমরা ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করছি—এটাই নিয়ত। এর সঙ্গে মনে রাখতে হবে, এই নামাজ ওয়াজিব এবং এতে ছয়টি তাকবির রয়েছে। তবে এভাবে নিয়ত করা যায়—

‘আমি কেবলামুখী হয়ে ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ এই ইমামের পেছনে ছয় তাকবিরের সঙ্গে আদায়ের নিয়ত করছি।’ এরপর ‘আল্লাহু আকবার’ বলে নামাজ শুরু করতে হবে।

Advertisement

যারা বিশুদ্ধভাবে আরবি বলতে পারেন, তারা আরবিতেও নিয়ত করতে পারেন। তবে আরবি নিয়ত করা বা মুখে উচ্চারণ করা আবশ্যক নয়। প্রচলিত আরবি নিয়ত—

نَوَيْتُ أنْ أصَلِّي للهِ تَعَالىَ رَكْعَتَيْنِ صَلَاةِ الْعِيْدِ الْفِطْرِ مَعَ سِتِّ التَكْبِيْرَاتِ وَاجِبُ اللهِ تَعَالَى اِقْتَضَيْتُ بِهَذَا الْاِمَامِ مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِيْفَةِ اللهُ اَكْبَرْ

উচ্চারণ: ‘নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তাআলা রাকাআতাইন সালাতিল ঈদিল ফিতরি মাআ সিত্তাতিত তাকবিরাতি ওয়াজিবুল্লাহি তাআলা ইকতাদাইতু বিহাজাল ইমামি মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারিফাতি আল্লাহু আকবার।

অর্থ: আমি ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ অতিরিক্ত ছয় তাকবিরসহ এই ইমামের পেছনে কেবলামুখী হয়ে আল্লাহর উদ্দেশ্যে আদায় করছি। আল্লাহু আকবার।

ঈদের নামাজের নিয়ম

ঈদুল ফিতরের নামাজ দুই রাকাত। নিয়ত করে তাকবিরে তাহরিমা বলে নামাজ শুরু করে ছানা পড়তে হয়। এরপর ‘আল্লাহু আকবার’ বলে আরও তিনটি অতিরিক্ত তাকবির দিতে হয়। প্রথম দুই তাকবিরের সময় হাত কানের লতি পর্যন্ত উঠিয়ে ছেড়ে দিতে হবে। তৃতীয় তাকবিরে হাত উঠিয়ে বেঁধে নিতে হবে। এরপর সুরা ফাতিহা ও অন্য একটি সুরা (কেরাত) মিলিয়ে রুকুতে গিয়ে প্রথম রাকাত সম্পন্ন করতে হবে।

দ্বিতীয় রাকাতে দাঁড়িয়েসুরা ফাতিহা ও অন্য একটি সুরা (কেরাত) মিলানোর পর রুকুতে যাওয়ার আগে একইভাবে তিনটি তাকবির দিতে হবে। তবে এখানে তৃতীয় তাকবিরের সময় হাত না বেঁধে ছেড়ে দিতে হবে। এরপর চতুর্থ তাকবির বলে রুকুতে যেতে হবে। তারপর অন্যান্য নামাজের মতোই নামাজ শেষ করতে হবে। (কিতাবুল আছল ১/৩১৯, আলহাবীল কুদসী ১/২৪৩)

কেরাত

ঈদের নামাজে প্রথম রাকাতে ‘সুরা আ‘লা’ এবং দ্বিতীয় রাকাতে ‘সুরা গাশিয়াহ’ পড়া সুন্নত। বিকল্পভাবে প্রথম রাকাতে ‘সুরা কফ’ এবং দ্বিতীয় রাকাতে ‘সুরা কমার’ পড়াও সুন্নত হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) ঈদের নামাজে এসব সুরা তিলাওয়াত করতেন। তবে অন্য যেকোনো সুরাও পড়া যেতে পারে।

মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। ঈদের নামাজ আদায় করা ওয়াজিব। বছরে দুই বার ঈদের নামাজ পড়ার কারণে অনেকেই নামাজ পড়ার নিয়ম ভুলে যান। তাই ঈদের নামাজের নিয়ম তুলে ধরা হলো-

নামাজের নিয়ত
মনের ইচ্ছাই মূলত নিয়ত। নামাজে দাঁড়ানোর সময় যখন মনে থাকে যে আমরা ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করছি—এটাই নিয়ত। এর সঙ্গে মনে রাখতে হবে, এই নামাজ ওয়াজিব এবং এতে ছয়টি তাকবির রয়েছে। তবে এভাবে নিয়ত করা যায়—

‘আমি কেবলামুখী হয়ে ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ এই ইমামের পেছনে ছয় তাকবিরের সঙ্গে আদায়ের নিয়ত করছি।’ এরপর ‘আল্লাহু আকবার’ বলে নামাজ শুরু করতে হবে।

যারা বিশুদ্ধভাবে আরবি বলতে পারেন, তারা আরবিতেও নিয়ত করতে পারেন। তবে আরবি নিয়ত করা বা মুখে উচ্চারণ করা আবশ্যক নয়। প্রচলিত আরবি নিয়ত—

نَوَيْتُ أنْ أصَلِّي للهِ تَعَالىَ رَكْعَتَيْنِ صَلَاةِ الْعِيْدِ الْفِطْرِ مَعَ سِتِّ التَكْبِيْرَاتِ وَاجِبُ اللهِ تَعَالَى اِقْتَضَيْتُ بِهَذَا الْاِمَامِ مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِيْفَةِ اللهُ اَكْبَرْ

উচ্চারণ: ‘নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তাআলা রাকাআতাইন সালাতিল ঈদিল ফিতরি মাআ সিত্তাতিত তাকবিরাতি ওয়াজিবুল্লাহি তাআলা ইকতাদাইতু বিহাজাল ইমামি মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারিফাতি আল্লাহু আকবার।

অর্থ: আমি ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ অতিরিক্ত ছয় তাকবিরসহ এই ইমামের পেছনে কেবলামুখী হয়ে আল্লাহর উদ্দেশ্যে আদায় করছি। আল্লাহু আকবার।

ঈদের নামাজের নিয়ম
ঈদুল ফিতরের নামাজ দুই রাকাত। নিয়ত করে তাকবিরে তাহরিমা বলে নামাজ শুরু করে ছানা পড়তে হয়। এরপর ‘আল্লাহু আকবার’ বলে আরও তিনটি অতিরিক্ত তাকবির দিতে হয়। প্রথম দুই তাকবিরের সময় হাত কানের লতি পর্যন্ত উঠিয়ে ছেড়ে দিতে হবে। তৃতীয় তাকবিরে হাত উঠিয়ে বেঁধে নিতে হবে। এরপর সুরা ফাতিহা ও অন্য একটি সুরা (কেরাত) মিলিয়ে রুকুতে গিয়ে প্রথম রাকাত সম্পন্ন করতে হবে।

দ্বিতীয় রাকাতে দাঁড়িয়েসুরা ফাতিহা ও অন্য একটি সুরা (কেরাত) মিলানোর পর রুকুতে যাওয়ার আগে একইভাবে তিনটি তাকবির দিতে হবে। তবে এখানে তৃতীয় তাকবিরের সময় হাত না বেঁধে ছেড়ে দিতে হবে। এরপর চতুর্থ তাকবির বলে রুকুতে যেতে হবে। তারপর অন্যান্য নামাজের মতোই নামাজ শেষ করতে হবে। (কিতাবুল আছল ১/৩১৯, আলহাবীল কুদসী ১/২৪৩)

কেরাত
ঈদের নামাজে প্রথম রাকাতে ‘সুরা আ‘লা’ এবং দ্বিতীয় রাকাতে ‘সুরা গাশিয়াহ’ পড়া সুন্নত। বিকল্পভাবে প্রথম রাকাতে ‘সুরা কফ’ এবং দ্বিতীয় রাকাতে ‘সুরা কমার’ পড়াও সুন্নত হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) ঈদের নামাজে এসব সুরা তিলাওয়াত করতেন। তবে অন্য যেকোনো সুরাও পড়া যেতে পারে।